Home » Uncategorized » জানেন কী পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ চাকরি কোনটি ?

জানেন কী পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ চাকরি কোনটি ?

It's only fair to share...Share on Facebook268Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

image_153330_0নিউজ  ডেস্ক :::

আপনি কি আপনার চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট? ‘জব স্যাটিসফ্যাকশন’ শব্দটি কি আপনার জীবন থেকে স্রেফ উধাও? স্বাভাবিক। এই বাজারে সবচেয়ে খারাপ চাকরি কোনটি?
এই নিয়ে পরপর তিন বছর রেকর্ড করল এই চাকরি! এই নিয়ে টানা তিন বছর সবচেয়ে খারাপ চাকরি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে এই পেশা।
প্রায় ২০০টি পেশার উপরে সমীক্ষার পরে ‘‘কেরিয়ার কাস্ট’’-এর বক্তব্য, সংবাদপত্রে সাংবাদিকতাই হল সবচেয়ে খারাপ চাকরি। কেন? বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে প্রিন্ট প্রকাশনের সংখ্যা ঝড়ের গতিতে কমেছে। ফলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনাও এই ক্ষেত্রে কমেছে।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রায় চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে এসে দাঁড়িয়েছে সংবাদপত্রে সাংবাদিকতা।
কেন প্রকাশনার সংখ্যা কমছে? সংবাদপত্রের মুনাফা আসে বিজ্ঞাপন থেকে। গত কয়েক বছরে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের হার অনেকটা কমে গিয়েছে। ফলে, প্রাণের ঝুঁকি রয়েছে, এমন চাকরির থেকেও সংবাদপত্রের চাকরি খারাপ।
সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, একটি চাকরি কতটা খারাপ, তা মূলত দুটি বিষয়ের উপরে নির্ভর করে।একটি হল মানসিক চাপ, দ্বিতীয়টি হল প্রাণের ঝুঁকি। সে দিক থেকে দেখতে গেলে সেনাবাহিনী এবং দমকলের চাকরিতে প্রাণের ঝুঁকি রয়েছে। সেরা চাকরির তালিকায় রয়েছে অঙ্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন চাকরি যেমন স্ট্যাটিস্টিশিয়ান।–সংবাদমাধ্যম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।