Home » Uncategorized » বিশ্বে অর্ধেক কিশোর-কিশোরীই নিগৃহীত হয় বন্ধুর হাতে : ইউনিসেফ

বিশ্বে অর্ধেক কিশোর-কিশোরীই নিগৃহীত হয় বন্ধুর হাতে : ইউনিসেফ

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
বিশ্বের অর্ধেক কিশোর-কিশোরী বিদ্যালয়ের সহপাঠী বা আশেপাশের সঙ্গীদের দ্বারা নিগৃহীত বা সহিংসতার শিকার হয় বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড ন্যাশনস চিলড্রেনস ফান্ডে (ইউনিসেফ)।

বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ইউনিসেফ প্রকাশিত ‘অ্যান এভরিডে লেসন : অ্যান্ড ভায়োলেন্স ইন স্কুলস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, বিশ্বে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের অর্ধেকই বিদ্যালয়ের সহপাঠী অথবা সঙ্গীদের সহিংসতার শিকার হয়।

গত এক মাসে কটূক্তি বা গালমন্দের শিকার হয়েছে অথবা গত এক বছরে শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে এমন শিক্ষার্থীদের ওপর জরিপ চালিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

জাতিসংঘের এ সংস্থাটি বলছে, ধনী ও দরিদ্র সব দেশেই শিশুদের শিক্ষাগ্রহণ ও ভালোভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এ বিষয়টি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

২০১৪ সালের একটি জরিপের ওপর ভিত্তি করে ইউনিসেফ বলছে, বাংলাদেশে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ৩৫ শতাংশ মাসে গড়ে এক বা একাধিক দিন গালমন্দ বা কটূক্তির শিকার হয়েছে। বছরে অন্তত একবার শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হয়েছে তারা।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ার চাবিকাঠি হচ্ছে শিক্ষা। অথচ বিশ্বের লাখো শিশুর জন্য বিদ্যালয় এখনও নিরাপদ স্থান নয়। প্রতিদিন তারা শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছে, গ্যাংয়ে যোগ দিতে তাদের চাপ দেয়া হচ্ছে এবং কটূক্তি বা গালমন্দ করা হচ্ছে। এ ছাড়া তারা সরাসরি, অনলাইনে যৌন হয়রানি ও সশস্ত্র সংঘাতের মতো বিপদের মুখোমুখি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি স্বল্পমেয়াদে শিশুদের শিক্ষা গ্রহণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আর দীর্ঘমেয়াদে তাদের মধ্যে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ তৈরি করে। এমনকি তা তাদেরকে আত্মহত্যায় প্ররোচিতও করতে পারে। সহিংসতা আসলে চিরদিন মনে রাখার মতো একটি বিষয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে- শিল্পোন্নত ৩৯টি দেশে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩ জন সহপাঠীদের কটূক্তি বা গালমন্দের শিকার হয়। কটূক্তি বা গালমন্দের শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে ছেলে ও মেয়ে সমান ঝুঁকিতে থাকলেও মেয়েদের ক্ষেত্রে মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আর ছেলেদের ক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতন ও হুমকির শিকার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

এসব সহিংসতা ঠেকাতে ইউনিসেফের ওই প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশও করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নীতিমালা তৈরি ও আইন প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন; প্রতিরোধ ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ; সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিশিষ্টজনদের সহিংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার আহ্বান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মাদকে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর হতে হবে -পুলিশ সুপার

It's only fair to share...000কক্সবাজার সংবাদদাতা :: মাদক ব্যবসাযীদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর হতে হবে বলে ...