Home » Uncategorized » ফাইতংয়ে ছড়াখাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে জনবসতি

ফাইতংয়ে ছড়াখাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে জনবসতি

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

aaaaaaaaaaaaaaaএম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া ::

লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে ছড়াখাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের কোন ধরণের অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে দিব্যি চালিয়ে আসছে বালু বাণিজ্য। এ অবস্থার কারনে খালের আশপাশের অন্তত তিন শতাধিক জনবসতি হুমকির মুখে পড়েছে। ভেঙ্গে যাচ্ছে কৃষকের বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি। ঝুঁিকর মধ্যে রয়েছে জনগনের চলাচলের একটি সেতু।

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, বালু উত্তোলনের স্থানটি চকরিয়ার বানিয়ারছড়া স্টেশনের একটু ভেতুরে লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের খেদারবানস্থ ইসলামিক মিশন এলাকায়। কয়েকবছর ধরে অনেকটা বিনা বাঁধায় অভিযুক্ত চক্রটি বালু উত্তোলন করে দিব্যি ব্যবসা করে আসলেও লামা উপজেলা প্রশাসন অধ্যবদি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। ফলে জড়িতরা দিগুন দাপটের সাথে চালিয়ে আসছে অবৈধ বালু বাণিজ্য।

স্থানীয় লোকজন জানান, ছড়াখাল থেকে বালু উত্তোলনের কারনে স্থানীয় জমি মালিক ডা.বেলাল উদ্দিন, মাস্টার সালাহ উদ্দিন, ছৈয়দ আহমদ, ডা.জাহাংগীর আলমসহ অনেকে বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি ও বসতঘর েেঙ্গ খালে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, বালু উত্তোলনে জড়িত রয়েছেন স্থানীয় মৌলভী হাসান আলীর ছেলে মারুফ, মুছা আলীর ছেলে আরাফাত ইসলাম, নুর হোসেনের ছেলে রিফাত, ফুল মিয়ার ছেলে জামাল উদ্দিন, মৃত মো.মোস্তাফার ছেলে সাদ্দাম হোসেনসহ তাদের লোকজন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ছরওয়ার আলম জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ছড়াখাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ব্যবসা করে আসলেও এব্যাপারে প্রশাসন বা ইউনিয়ন পরিষদের কোন ধরণের অনুমতি নেই। তাঁরা মুলত দাপট দেখিয়ে অবৈধভাবে বালু ব্যবসা করে আসছেন। তিনি বলেন, ছড়াখাল থেকে এভাবে বালু উত্তোলনের কারনে বর্তমানে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে পড়েছে এলাকার জনবসতি ও আবাদি জমি এবং জনসাধারণের চলাচলের সেতু।

ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন কোম্পানী বলেন, ছড়াখাল থেকে বালু উত্তোলনের কারনে এলাকার জনবসতি ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। স্থানীয় অনেকে ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছে। যাঁরা এ কাজে জড়িত সাথে কোন ধরণের সরকারি অনুমোদন নেই। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যারা স্থান পেয়েছেন

It's only fair to share...000চকরিয়া নিউজ :: দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত কক্সবাজার জেলা বিএনপির ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট ...