Home » ক্রীড়া » জাতীয় বয়স ভিত্তিক সাঁতার ও ডাইভিং প্রতিযোগিতা সমাপ্ত

জাতীয় বয়স ভিত্তিক সাঁতার ও ডাইভিং প্রতিযোগিতা সমাপ্ত

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

zzzzবার্তা পরিবেশক ::

২১টি নতুন জাতীয় রেকর্ডের মধ্য দিয়ে ৩২তম জাতীয় বয়স ভিত্তিক সাঁতার ও ডাইভিং প্রতিযোগিতা-২০১৭ আজ মঙ্গলবার (২৪-১০-২০১৭) ঢাকার মিরপুরস্থ সৈয়দ নজরুল ইসলাম জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্স এ সমাপ্ত হয়েছে।

প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সভাপতি এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। গত ২২ থেকে আজ ২৪ অক্টোবর,২০১৭ অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের প্রত্যন্ত অ’ল হতে ৩৬টি ক্লাবের ১ হাজার সাঁতারু অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫০জনেরও বেশি প্রতিযোগি রয়েছেন, যারা সেরা সাঁতারুর খোঁজে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। দেশের প্রত্যন্ত অ’ল থেকে সাঁতারু বাছাই কার্যক্রমের ফলে সাঁতারের এই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

 সাঁতার ও ডাইভিং প্রতিযোগিতায় তিন দিনে সাঁতারে ১০০টি ইভেন্টের মধ্যে ২১টি ইভেন্টে ও ডাইভিং প্রতিযোগিতায় তিনটি নতুন জাতীয় রেকর্ড হয়। প্রতিযোগিতায় বিকেএসপি ৪২টি স্বণর্, ৪০টি রৌপ্য ও ৪২টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে চ্যাম্পিয়ন এবং বাংলাদেশ আনসার ২৪টি স্বণর্, ১৯টি রৌপ্য ও ২০টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে রানার্স আপ হয়। ছেলেদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সাঁতারু হিসেবে বিকেএসপির জাহিদুল ইসলাম দু’টি নতুন জাতীয় রেকর্ডসহ মোট আটটি স্বর্ণ পদক এবং মেয়েদের মধ্যে গোপালগঞ্জ সুইমিং ক্লাবের জোনায়না আহমেদ আটটি নতুন জাতীয় রেকর্ডসহ মোট ১০টি স্বর্ণ পদক লাভ করে উভয়েই শ্রেষ্ঠ সাঁতারু হিসেবে বিবেচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

 উক্ত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাঁতারু এবং বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।