ঢাকা,শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

বিশ্বাসযোগ্য তথ্য না দেওয়ায়

ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশ: ফের রিমান্ডে এসআই সহ তিন পুলিশ সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া ::
আলোচিত টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক তিন পুলিশ সদস্যকে আরো তিনদিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার রাত থেকে রিমান্ড কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেনের আদালতে তাদেরকে তোলা হয়। সেখানে তাদের বিরুদ্ধে তিনদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করে। এর আগে মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে দুই দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছিল।

চকরিয়া নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাজেদুল হক। তিনি জানিয়েছেন, রিমান্ডে তারা সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করছে না। একারণে অধিকতর তথ্য উদঘাটনের জন্য আরও তিনদিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। পরে শুনানী শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক পুলিশ সদস্যদের পে আদালতে কোন আইনজীবী ছিলেন না। তবে তারা আদালতের কাছে নিজেরদেরকে নির্দোষ দাবী করেন। রাষ্ট্রপে শুনানীতে অংশ নেন কোর্ট পুলিশের ওসি।
সোমবার বিকালে কক্সবাজার শহরের মধ্যম কুতুবদিয়াপাড়া এলাকায় রোজিনা আক্তার নামে এক নারীর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে শহর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুর ই খোদা সিদ্দিকী, কনস্টেবল আমিনুল মুমিন এবং মামুন মোল্লাকে আটক করা হয়। ওইদিন রাতে ভুক্তভোগী নারী রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এরমধ্যে তিন পুলিশ সদস্য ছাড়া বাকি অজ্ঞাত দুই আসামী কারা সেই বিষয়ে পুলিশ এখনো মুখ খোলেনি।
এদিকে আটক তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও রুজু হয়েছে।
এঘটনা পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার সাইদুর রহমানকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে আটক তিন পুলিশ সদস্যদের মুখোমুখি হয় তদন্ত টিম। তদন্ত টিম ভুক্তভোগী রোজিনা আক্তার এবং কয়েকজন স্বাক্ষীরও জবানবন্দি নিয়েছেন বলে সদর থানা সূত্রে জানা গেছে।

টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশ সদস্যদের আটকের ঘটনায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের ভাবমূর্তি বেড়েছে। যদিও অনেকেরই অভিযোগ সেই রোজিনা আক্তারও নাকি মাদকের সাথে জড়িত? রোজিনা আক্তার যদি সত্যি মাদকের সাথে জড়িত থাকেন তাহলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী উঠেছে।

পাঠকের মতামত: