Home » কক্সবাজার » কুতুবদিয়া থেকে শীঘ্রই যাত্রা করবে ওয়াটার হেলিক্যাপ

কুতুবদিয়া থেকে শীঘ্রই যাত্রা করবে ওয়াটার হেলিক্যাপ

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

আবু আব্বাস সিদ্দিকী, কুতুবদিয়া ::  কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্য যাত্রা করবে যাত্রীবাহী ওয়াটার হেলিক্যাপ। যাত্রার যাবতীয় প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। এ উদ্দেশ্য প্রাথমিক প্রস্তুতি স্বরূপ বঙ্গোপসাগরে যাত্রা করেন এই ওয়াটার হেলিক্যাপ।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটি আছে কিনা টেস্ট করান হেলিক্যাপ এর মালিক শাহাবুদ্দিন(৪৫)। সে কুতুবদিয়ার উত্তর কৈয়ারবিলস্থ ২ নম্বর ওয়ার্ডের বদিউল আলমের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বছর জুড়ে ওয়াটার হেলিক্যাপটি তৈরির কাজ চলছে। হেলিক্যাপটি নিয়ে কুতুবদিয়া বাসীর কৌতুহলের যেন শেষ নেই। এটি যখন প্রথমবারের মতো আজ সাগরে নামানো হয়, কুতুবদিয়া সৈকতজুড়ে মানুষের ভীড় চোখে পড়ার মতো। এটিতে চড়ে কুতুবদিয়ার মানুষ চট্টগ্রাম যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

হেলিক্যাপটির মালিক ও পাইলট শাহাবুদ্দিন জানান, এক যুগের অধিক সময় সৌদি আরব কাটান। সেখানে ওয়ার্কশপে কাজ করে অভিজ্ঞতা নিয়েছি এবং স্বপ্ন দেখেছি দেশে ফিরে যাত্রীবাহী ওয়াটার হেলিকপ্টার তৈরি করে দেশের জনগনের সেবায় এগিয়ে আসব। এ উদ্দেশ্য দেশে ফিরে ওয়াটার হেলিক্যাপ তৈরি করার কাজে হাত দিয়েছি। এটি তৈরি করতে বছর খানেক সময় লেগে যায়। এ যাবৎ এটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। এতে আরো ৬ লাখ টাকা মত খরচ হতে পারে। এটিতে পাইলট এবং তার সহকারী ছাড়াও ৮ জন যাত্রী বহনের ক্ষমতা রয়েছে। এটি হেলিকপ্টারের আদলে তৈরি করা হলো আকাশে উড়বে না বরং পানিতে ভেসে দ্রুত গতিতে এটি চলবে।

তিনি আরো জানান, হেলিক্যাপ জলযানটির এখনো নামকরণ করা হয়নি। তবে কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রামে যাত্রী আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহারের জন্য এটি তৈরি করা হয়েছে। আবহাওয়ার ঠিক থাকলে ৪০/৪৫ মিনিটের মধ্যে কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রামে পৌঁছানো যাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন ঈদুল আজহার পর এটি নিয়মিত বঙ্গোপসাগর রুটে চলাচল করবে। ওয়াটার হেলিক্যাপটি সফলভাবে যাত্রা করতে আশা পুরণের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

কুতুবদিয়াউপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসকে লিটন কুতুবী চকরিয়া নিউজকে জানান, দ্বীপবাসীর জন্য এটি একটি গর্বের বিষয়। সে আমাদের গর্বের ধন। তার মাথায় যে এমন একটি প্ল্যান এসেছে, তার এ অসাধারণ শৈল্পিক প্রতিভা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। তাকে আমাদের সংবর্ধিত করার দরকার আছে। তার মেধাকে স্যালুট জানাই। তার চেষ্টা সফল হোক, এটাই কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় শাহ আজমত উল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা দখলের অভিযোগ, উত্তেজনা

It's only fair to share...000 নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া ::  কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের পুর্ব ...

৮০ কিমি বেগে ঝড়, উপকূলীয় জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা

It's only fair to share...000 নিউজ ডেস্ক :: সুস্পষ্ট লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় জেলাগুলোর ওপর দিয়ে ...