Home » পার্বত্য জেলা » আলীকদমে বারি গম-৩৩ জাতের পরীক্ষামূলক চাষে আশার আলো -ড. গোলাম ফারুক

আলীকদমে বারি গম-৩৩ জাতের পরীক্ষামূলক চাষে আশার আলো -ড. গোলাম ফারুক

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি ::

বুধবার দুপুরে বান্দরবানের আলীকদমে কারিতাসের এগ্রো-ইকোলজী-সিএইচটি প্রকল্পের উদ্যোগে পরীক্ষামূলক গম চাষের প্রদশর্নী প্লটে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাজিপুরের বারি গম ও ভূট্টা গবেষণা কেন্দ্রের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. গোলাম ফারুক এর তত্ত্বাবধানে কারিতাস কর্তৃক লামা ও আলীকদমে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে গম চাষের পরীক্ষামূলক চাষাবাদ শুরু হয়। বুধবার (১৮ মার্চ) থেকে পরিপক্ষ গম কাটা শুরু করেন কৃষকরা।

এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাঠ দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চৈক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বারি গম ও ভূট্টা গবেষণা কেন্দ্রের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. গোলাম ফারুক।

মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমার সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন লামা বিএডিসি’র উপপরিচালক মাহফুজ আহমেদ, কারিতাস কেন্দ্রীয় অফিসের প্রোগ্রাম অফিসার, ইসিডি মোঃ নাজমুল হক, কাসিতাস, বান্দরবান অফিসের জেপিও মোঃ ফরহাদ আজিম, আলীকদম প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমদ ও উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা অভিজিত বড়ুয়া প্রমুখ।

মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমা জানান, চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের সিরাজ কার্বারী পাড়ায় এগ্রো-ইকোলজি-সিএইচটি প্রকল্পের ৮ জন উপকারভোগী নিয়ে ২০১৯ এর ডিসেম্বরে বারী গম-৩৩ ও বারি গম-৩০ জাতের চাষ শুরু করা হয়। তুলনামূলক রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈবসারের পরিমাণ বাড়িয়ে গম চাষাবাদে দেখা গেছে বারী গম-৩৩ এর ফলন ভালো হয়েছে।

কারিতাস বান্দরবান অফিসের জেপিও মোঃ ফরহাদ আজিম জানান, লামা ও আলীকদমে পরীক্ষামূলকভাবে বারি গম ও ভূট্টা গবেষণা কেন্দ্রের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. গোলাম ফারুকের তত্ত্বাবধানে এ দু’উপজেলায় গম চাষাবাদের সম্প্রসারণ নিয়ে তারা আশার আলো দেখছেন। গম চাষ বৃদ্ধি করা হলে এ দু’উপজেলার কৃষকরা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তামাক চাষ থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

কারিতাসের প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ নাজমুল হক বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় ২০১৮ সাল থেকে ফ্রান্স সরকারের আর্থিক অনুদানে ‘পেপ’ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পটি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জলবায়ু সহনশীল চাষাবাদে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলছে। এরমধ্যে বারী গম-৩৩ ও ৩৩ জাতের ফসলটি তারা লামা ও আলীকদম উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষাবাদ করেছেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. গোলাম ফারুক বলেন, আলীকদমে ৮ জন কৃষককে ৪০ শতক জমিতে পরীক্ষামূলক গম চাষাবাদে তিনি তত্ত্বাবধান করেন। বারি গম-৩০ ও ৩৩ দু’জাতের গমের মধ্যে তুলনামূলকভাবে বারি গম-৩৩ এর ফলন আশানুরূপ হয়েছে। তিনি বলেন, এখনো চাষটি গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। তবে আশা করা যায়, বারি গম-৩৩ আলীকদমে চাষাবাদের ক্ষেত্রে আশানুরূপ ফলন দিতে পারে। কারিতাসের এগ্রো-ইকোলজি প্রকল্পের মাধ্যমে গম চাষে আরো কৃষককে সম্পৃক্ত করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কক্সবাজার শহরে ১০টি রেষ্টুরেন্ট খোলার অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন

It's only fair to share...000 নিজস্ব প্রতিবেদক :: শর্তসাপেক্ষে কক্সবাজার শহরে ১০টি রেষ্টুরেন্ট খোলার অনুমতি দিয়েছে ...

error: Content is protected !!