Home » জাতীয় » নির্বাচনে অযোগ্য হলেন যারা

নির্বাচনে অযোগ্য হলেন যারা

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

ডেস্ক রিপোর্ট :: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলছে। আজ রোববার সকাল থেকেই আগ্রহী ৩ হাজার ৬৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই করা হয়। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরে বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। এরইমধ্যে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হেভিওয়েট বেশ কয়েকজন নেতার মনোনয়নপত্র অবৈধ বলে বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন-

খালেদা জিয়া

দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. ওয়াহিদুজ্জামান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জমা দেয়া মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন আজ সকালে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রটি বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এদিকে বগুড়া-৬ আসনে কারাবন্দী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বগুড়া-৬ আসনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে বগুড়া-৭ আসনেও খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

রুহুল আমিন হাওলাদার

পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী এ মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

কাদের সিদ্দিকী

ঋণ খেলাপি হওয়ায় টাঙ্গাইল-৪ ও ৮ আসনের প্রার্থী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। টাঙ্গাইল-৮ আসনে প্রার্থী হয়েছেন কাদের সিদ্দিকীর মেয়ে কুড়ি সিদ্দিকীও।

রেজা কিবরিয়া

ক্রেডিট কার্ডের বিল না দেওয়ায় হবিগঞ্জ-১ আসনে গণফোরামের প্রার্থী রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার। রেজা কিবরিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার

দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদের দুই মামলায় সাজা হওয়ায় নাটোর-২ আসনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে বিএনপির রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর।

ইমরান এইচ সরকার

কুড়িগ্রাম-৪ আসন (রাজিবপুর,রৌমারী ও চিলমারী উপজেলা) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন তার মনোনয়নপত্র বাতিল বলে ঘোষণা করেন।

নির্বাচন কমিশন বলছে, ইমরানের মনোনয়নপত্রে সংখ্যা নির্দিষ্ট সংখ্যক জনসমর্থনের তথ্য জমা না দেওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে ইমবান তিন দিনের মধ্যে এর বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

গোলাম মাওলা রনি

হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় সদ্য বিএনপিতে যোগ দেয়া গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আজ রোববার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর এই ঘোষণা দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মতিউল ইসলাম চৌধুরী। রনি পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

খোকাপুত্র ইশরাক হোসেন

ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

হিরো আলম

আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলমের বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ভুয়া ভোটারদের তালিকা জমা দেওয়ায় উপজেলা নির্বাচন অফিসার আশরাফ হোসেন তার মনোনয়ন বাতিল করেন।

আকতারুজ্জামান

কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী (অব.) মেজর আকতারুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

গিয়াস কাদের চৌধুরী

ঋণখেলাপী হওয়ায় চট্টগ্রাম-২ আসনে যুদ্ধাপরাধে ফাঁসির দড়িতে ঝোলা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ভাই বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে।

সামির কাদের চৌধুরী

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে সামির কাদের চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তাকেও ঋণখেলাপের কারণে নির্বাচনে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আমিনুর হক ও শাহাদাত হোসেন

রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুর হক ও শাহাদাত হোসেনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

জাকির হোসেন

তথ্য গোপনের অভিযোগে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাকির হোসেনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

আবু আশফাক

ঢাকা-১ আসনে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদে থাকায় বিএনপি নেতা আবু আশফাকের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। ফাহিমা হোসেন জুবিলীর মনোনয়নপত্রে বিএনপি মহাসচিবের স্বাক্ষর না মেলার অভিযোগে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর ফলে ঢাকা-১ আসনে বিএনপির ২ প্রার্থীই বাতিল।

আমানউল্লাহ আমান

ঢাকা-২ আসনের দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড পাওয়ায় বিএনপি প্রার্থী আমানউল্লাহ আমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

ঢাকা-৪ এ ছয় জন

এই আসনে ১৫ প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। ঋণ খেলাপিসহ মনোনয়নপত্র দাখিলে ত্রুটি থাকায় ঢাকা ৪ আসনে প্রার্থিতা বাতিল হওয়া ৬ জন হলেন,খেলাফত আন্দোলনের আবদুল মালেক, বিকল্পধারার কবির হোসেন, নজরুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন, আওলাদ হোসেন ও মনির হোসেন।

সেলিম ভূঁইয়া

ঢাকা-৫ আসনে ঋণ খেলাপির অভিযোগে বিএনপি প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।

নাসিমা আক্তার কল্পনা

ঢাকা-৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী নাসিরউদ্দিন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা সোনালী ব্যাংকে ঋণখেলাপি হওয়ায় তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। দলীয় প্রত্যয়নপত্র না থাকায় নাজমুল হক আওয়ামী লীগের নাজমুল হকের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

কফিলউদ্দিন

ঢাকা-১৯ আসনে মোট ১২ প্রার্থীর মধ্যে প্রার্থিতা গৃহীত ১০ জনের,করখেলাপির অভিযোগে বিএনপির কফিলউদ্দিনসহ মনোনয়ন বাতিল ২ জনের।

খন্দকার ফরিদুল আলম : ঢাকা ১০ আসনে ঋণখেলাপের অভিযোগে গণফোরামের খন্দকার ফরিদুল আলমের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

তমিজউদ্দিন

ঢাকা-২০ আসনে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের গৃহীত কপি না থাকায় বিএনপির মো. তমিজউদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঋণ খেলাপি ও আয়কর না দেয়ার দায়ে বিএনপির সুলতানা আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

আগামী ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন বলে জানা গেছে। ভোটগ্রহণ ৩০ ডিসেম্বর।

নাজমুল হুদা

ঢাকা-১৭ আসনে ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। রোববার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করেন। জানা গেছে, ঋণখেলাপীর অভিযোগে নাজমুল হুদার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

আফরোজা আব্বাস

অবশেষে ঢাকা-৯ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের মনোনয়ন বাতিল করেছে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কার্যালয়। রোববার দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় ঋণখেলাপির অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। সে সময় মির্জা আব্বাস এ সংক্রান্ত আদালতের আদেশের কাগজপত্র জমা দেন। তখন তাদের দুই ঘণ্টা সময় দেয়া হয়।

সেলিম চৌধুরী

সিলেটে মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ে জাতীয় পার্টির বর্তমান এক সংসদ সদস্যের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। সিলেট-৫ ও ৬ আসনে ভোটে দাঁড়াতে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া সেলিম চৌধুরীর হলফনামায় তার সই ছিল না

শফি আহমেদ

নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা শফি আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার দুপুর ২টার দিকে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈনউল ইসলাম এ ঘোষণা দেন।

নেত্রকোণা-৪ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য রেবেকা মোমিন। তিনি সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আব্দুল মোমিনের স্ত্রী। আব্দুল মোমিন খন্দকার মোশতাক আহমেদের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে শফি আহমেদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। কিন্তু যাচাই বাছাই শেষে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

শাহীন চাকলাদার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি শাহীন চাকলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আওয়াল মনোনয়নপত্র বাছাইকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু তিনি দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন, কিন্তু তার সপক্ষে কোনও কাগজপত্র জমা দেননি। তাছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের ১ শতাংশের স্বাক্ষরও জমা দেননি, সে কারণে তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।’

এমপি কেয়া চৌধুরী

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন রোববার সকাল ১১টার দিকে হবিগঞ্জের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ এ মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী। অন্যদিকে রেজা কিবরিয়া ছিলেন গণফোরামের প্রার্থী। উভয় প্রার্থীকে নিয়েই এলাকায় ছিল ব্যাপক আলোচনা।

ঝিনাইদহের ৪টি আসনে ১৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহের ৪টি আসনে ৩৯ জনের মধ্যে ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রোববার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটানিং কর্মকর্তা সরোজ কুমার নাথ তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের হল রুমে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শুরু হয়। দুপুর দুইটার দিকে মনোনয়ন বৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হয়। ঋণ খেলাপী, সাজাপ্রাপ্ত, কাগজপত্র না থাকাসহ নানা কারণে ঝিনাইদহ-১ আসনে ২টি, ঝিনাইদহ-২ আসনে ৫টি, ঝিনাইদহ-৩ আসনে ২টি ও ঝিনাইদহ-৪ আসনে ৬টি মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঋণ খেলাপি, সঠিক কাগজপত্র দাখিল না করা সহ বিভিন্ন কারণে ১৫ জনের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে। যাছাই-বাছাই কার্যক্রমের সময় মনোনয়ন প্রার্থীরা তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হন।

বাতিল প্রার্থীরা হলেন, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি আব্দুল ওহাব, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বক্কর, ঝিনাইদহ-২ (সদর ও হরিণাকুণ্ডু) আসন থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি মসিউর রহমান, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, জাকের পার্টির আবু তালেব সেলিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউসুফ পারভেজ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মীর রবিউল ইসলাম লাভলু, ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসন থেকে এনপিপির ইসমাইল হোসেন, জাতীয় পার্টির কামরুজ্জামান স্বাধীন, ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদরের একাংশ) আসন থেকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান, সিপিবির ফনি ভূষণ রায়, বিএনএফ এর ওয়াদুদুর রহমান, এনপিপির কামরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র জহুরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির আলমগীর হোসেন।

গাইবান্ধায় পাঁচ সংসদীয় আসনে ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল

একাদশ জাতীয় সংসদে অংশগ্রহণকারী ও মনোনয়ন দাখিলকারীদের প্রার্থীতা যাচাই বাছাই রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে গাইবান্ধার ৫টি আসনে ৬৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

রোববার সকাল থেকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সেবাষ্টিন রেমার সভাপতিত্বে যাচাই বাছাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের প্রার্থীসহ সমর্থকরা। গাইবান্ধার ৫টি আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, বাসদ, জাসদ, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন।

এদের মধ্যে গাইবান্ধা -১ আসনে জয়নাল আবেদীন (সলামী আন্দোলন), আব্দুর রাজ্জাক(স্বতন্ত্র) আব্দুর রহমান, (স্বতন্ত্র) একরামুল হক (স্বতন্ত্র) এবিএম মিজানুর রহমান (স্বতন্ত্র), আফরোজা বারী (স্বতন্ত্র)র মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

গাইবান্ধা-২ আসনে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন, রেজাউল করিম (ইসলামী ঐক্য আন্দোলন), মোকসেদুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), ওয়াহিদ মুরাদ (স্বতন্ত্র), গাইবান্ধা-৩ আমিনুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), মঞ্জুরুল হক (জাপা), আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ (স্বতন্ত্র), তৌহিদুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), গাইবান্ধা -৫ আসনে নাজেমুল ইসলাম প্রধান (স্বতন্ত্র) ও গাইবান্ধা-৪ আসনে আব্দুর রহিমসহ পাঁচটি আসনে ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

মৌলভীবাজারে চার সংসদীয় আসনে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল

মনোনয়ন যাচাই বাচাইকালে মৌলভীবাজারের ৪টি আসনের ২৮ প্রার্থীর মধ্যে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবায়দুর রহমান চৌধুরীসহ ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এছাড়া সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে এক প্রার্থীর মনোনয়ন।

চার আসনের মধ্যে মৌলভীবাজার-০১ (বড়লেখা-জুড়ি) আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমান চৌধুরী (রিটার্ন দাখিল না করায়) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম (সমর্থকের স্বাক্ষর জাল) অভিযোগে মনোনয়ন বাতিল হয়।

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) থেকে মোট ৮জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিবুল কাদির চৌধুরী (ঋণ খেলাপি) কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে মোট ৯ প্রার্থীর মধ্যে বিএনএফএর আশা বিশ্বাস (মামলার তথ্য গোপন) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মুসাব্বির (তথ্যে গড়মিল) থাকার কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

এছাড়া মৌলভীবাজার-৪ আসন থেকে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে মামলা জনিত কারণে বিএনপির মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সিদ্ধান্ত অপেক্ষমাণ।

লক্ষ্মীপুরে এমপি আউয়ালসহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের ৪টি সংসদীয় আসনের ৪৬ জন প্রার্থীর মধ্যে রামগঞ্জের এমপি লায়ন এম এ আউয়ালসহ ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল এসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

সি আই বি রিপোর্ট অনুযায়ী ঋণ খেলাপির কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় লক্ষ্মীপুর-১ রামগঞ্জ আসনের বর্তমান এমপি লায়ন এম আউয়াল (জাকের পার্টি), একই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া মো. মাহবুব আলমের।

এছাড়া তথ্যে অমিল থাকায় লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন), ভোটার তালিকা অনুযায়ী ওয়ান পার্সেন্ট লোকের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় একই আসনের আব্দুল মতিন (স্বতন্ত্র), লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের জেলা জামায়াতের আমীর রুহুল আমিন ভূঁইয়া (স্বতন্ত্র) এবং জেলা বিএনপি’র সদস্য আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া (স্বতন্ত্র) এর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়া-পেকুয়ায় ‘ধানের শীষে’র গণজোয়ারে হিতাহিত জ্ঞানশূণ্য আ.লীগ -হাসিনা আহমদ

It's only fair to share...41600ভয়-ভীতিকে দূরে রেখে ৩০ ডিসেম্বর ধানের শীষে ভোট দিতে হবে  নিজস্ব প্রতিবেদক ...

error: Content is protected !!