Home » কক্সবাজার » ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন, কক্সবাজারে ১৯৫১ টিকাদান কেন্দ্রে প্রস্তুত ৬০৭২ কর্মী

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন, কক্সবাজারে ১৯৫১ টিকাদান কেন্দ্রে প্রস্তুত ৬০৭২ কর্মী

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page
আতিকুর রহমান মানিক ::
সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায়ও জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০১৮ বাস্তবায়ন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ কর্মসূচীর আওতায় জেলার ৮ উপজেলায় ৭২ ইউনিয়নের ৪ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৫ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল। এরমধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৫২ হাজার ৩৩০ জন ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী রয়েছে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩৩৫ শিশু। আগামী ১৪ জুলাই সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে। আট উপজেলা ছাড়াও পৃথকভাবে কক্সবাজার পৌরসভায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
১২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১ টায় জেলা ইপিআই সেন্টারে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (১ম রাউন্ড) সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আবদুস সালাম।
ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য জেলায়  টিকাদান কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৫১ টি। এরমধ্যে স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র ৯, অস্থায়ী ১ হাজার ৮৪০, ভ্রাম্যমাণ ২৭ ও ৭৫ টি অতিরিক্ত টিকাদান কেন্দ্র।
এ ছাড়াও টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য নিয়োজিত থাকবে স্বাস্থ্য সহকারী ২৩৫ জন, পরিবার কল্যাণ সহকারী ২১১ জন, স্বেচ্ছাসেবক ৫ হাজার ৪০৭ জন। পুরো কর্মসূচি তত্ত্বাবধানের জন্য ২১৯ জন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োজিত থাকবে।
সভায় জানানো হয়, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে খাওয়ানো হবে ‘নীল রঙের’ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে খাওয়ানো হবে ‘লাল রঙেগর’ ভিটামিন এ ক্যাপসুল। তবে ৪ মাসের মধ্যে যেসব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে, তাদেরকে ১৪ জুলাই’র ক্যাম্পেইনে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। আর যেসব শিশু মারাত্মক অসুস্থ তাদেরকেও ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।
ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন নিয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম। এসময় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত ব্রিফিং দেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. রনজন বড়ুয়া রাজন।  ইউসিফের কর্মকর্তা তাহমিনা ফেরদৌসি, জিয়াউল হক ও জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ এতে উপস্হিত ছিলেন। প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা অবহিতকরন সভায় উপস্হিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

খুটাখালীতে বালুদস্যু কর্তৃক যুবককে হত্যার চেষ্টা

It's only fair to share...21100ডুলাহাজারা সংবাদদাতা : চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধ বালু ...