Home » কক্সবাজার » ফুটবল বিশ্বযুদ্ধের ১২ ময়দান

ফুটবল বিশ্বযুদ্ধের ১২ ময়দান

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

জহিরুল ইসলাম ::

রাশিয়ার ১২টি স্টেডিয়ামে এবার বসছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২১তম আসর। আট বছর পরে আবারো ইউরোপে ফিরে আসায় আয়োজকদের উদ্দীপনাটা একটু বেশি। কেননা আয়োজক কমিটি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বেশ কয়েকটি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছে। অনেকের মতে, এর মাধ্যমে রাশিয়ার ফুটবলীয় অবকাঠামোর আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বিশ্বকাপকে ঘিরে অত্যাধুনিক স্টেডিয়ামগুলোই এখন রাশিয়ার ভবিষ্যত ফুটবলের প্রতিচ্ছবি হয়ে থাকবে। একমাস বিশ্ববাসীর দৃষ্টি থাকবে ভেন্যুগুলোর দিকে।

নতুন নতুন স্থাপনা দেখা গেলেও রাশিয়ার বেশ কিছু বড় ক্লাবের হোম গ্রাউন্ডগুলো অবশ্য বিশ্বকাপের ভেন্যু হিসেবে বিবেচনায় আনা হয়নি। এর মধ্যে সিএসকেএ মস্কোর ভিইবি এরিনা (যা ২০১৬ সালে চালু হয়েছিল), ডায়নামো মস্কোর ভিটিবি এরিনা (চলতি বছর প্রতিষ্ঠিত) উপেক্ষিত থেকে গেছে।

স্টেডিয়ামগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মস্কোর লুজিনকি স্টেডিয়াম, যেখানে এবারের আসরের ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ভেন্যুতেই গ্রুপ পর্বের অন্তত চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। স্টেডিয়ামগুলোর পরিচিতি তুলে ধরা যাক।

লুজিনিকি স্টেডিয়াম: শহর : মস্কো: ধারণক্ষমতা : ৮১ হাজার

বিশ্বকাপের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম। এখানে অনুষ্ঠিত হবে এবারের আসরের ফাইনাল। ২০১৩ সালের পর থেকে লুজিনিকি স্টেডিয়াম নতুনভাবে সংস্কারের কাজ শুরু হয়। কিন্তু ১৯৯৬ সালে স্টেডিয়ামে যুক্ত হওয়া ছাদ ও আইকনিক আউটার গেটটি একইরকম রাখা হয়েছে। ভেতরে শুধু নতুনভাবে সংস্কার করা হয়েছে। দর্শক ধারণক্ষমতাও কিছুটা বাড়িয়ে ৮১ হাজার করা হয়েছে। অ্যাথলেটিঙ ট্র্যাক উঠিয়ে ফেলা হয়েছে যা পুরো পরিবেশকে আরো সমৃদ্ধ করেছে। গ্রুপ পর্বে রাশিয়া বনাম সৌদি আরব, জার্মানি বনাম মেক্সিকো, পর্তুগাল বনাম মরক্কো, ডেনমার্ক বনাম ফ্রান্স এবং একটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

স্পার্তাক স্টেডিয়াম: শহর : মস্কো: ধারণক্ষমতা : ৪৫ হাজার ৩৬০

স্পার্তাক মস্কোর হোম গ্রাউন্ডটি ২০১৪ সালে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। ঐতিহ্যগতভাবে একে ওটক্রিটিয়ে এরিনা হিসেবেই সকলেই চেনে। যেহেতু আগে থেকেই পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল সে কারণেই নতুন করে কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। ২০১৭ সালে কনফেডারেশন্স কাপের চারটি ভেন্যুর মধ্যে এটি অন্যতম। রাশিয়ান ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সফল একটি ক্লাব হওয়া সত্ত্বেও এই ভেন্যুটি চালু হবার আগে স্পার্তাকের কোন হোম ভেন্যু ছিলনা। মস্কোর বিভিন্ন মাঠে তারা খেলত। দীর্ঘ ১৫ বছর পরে ২০১৬–১৭ মৌসুমে স্পার্তাক প্রথম লিগ শিরোপা জয় করে। এর আগে ১৯৯২–২০০১ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে ৯টি শিরোপা জিতেছিল। এই ভেন্যুর একটি ঐতিহ্য হলো ক্লাবটি যাদের হাতে তৈরি সেই স্টারোস্তিন ভ্রাতৃদ্বয়ের বিশালাকর মূর্তি এখানে রয়েছে। এক পাশের গোলপোস্টের পেছনে যা স্থাপন করা হয়েছে। গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা বনাম আইসল্যান্ড, পোল্যান্ড বনাম সেনেগাল, বেলজিয়াম বনাম তিউনিশিয়া, সার্বিয়া বনাম ব্রাজিলের খেলা এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

কাজান অ্যারেনা: শহর : কাজান: ধারণক্ষমতা : ৪৫ হাজার ৩৭৯

২০১৩ সালে রুবিন কাজান তাদের পুরোনো মাল্টিপারপাস সেন্ট্রাল স্টেডিয়াম থেকে সরে এসে নতুন কাজান অ্যারেনায় ঠিকানা গড়ে। ইউরোপের সবচেয়ে বড় আউটসাইড স্ক্রিনটি এখানে প্রতিষ্ঠিত। স্টেডিয়ামের একপাশের আউটার দেয়ালজুড়ে এই স্ক্রিনটি স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্বকাপের মূল পর্বের কিছুটা আগে ভাগেই এই স্টেডিয়ামটিও প্রস্তুত থাকায় এখানে কনফেডারেশন্স কাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ছিল একটি সেমিফাইনাল। গ্রুপ পর্বে ফ্রান্স বনাম অস্ট্রেলিয়া, ইরান বনাম স্পেন, পোল্যান্ড বনাম কলম্বিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া বনাম জার্মানি এবং একটি কোয়ার্টার ফাইনাল এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

সামারা অ্যারেনা: শহর: সামারা: ধারণক্ষমতা : ৪৫ হাজার ৫৬৮

চলতি বছর নতুনভাবে এই স্টেডিয়ামের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন করা হয়েছে। এর আগে সামারা অ্যারেনা কসমস অ্যারেনা নামে পরিচিত ছিল। কাইলিয়াম সোভেতভের নতুন ২০২১ হোম ভেন্যু হিসেবে এখন থেকে এটি স্বীকৃতি পাচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত কাইলিয়া মেটালার্গ স্টেডিসকে হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের স্পেস–এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্রামে সামারার ভূমিকার প্রতি স্মরণ করে স্পেস–এজ গ্লাস ডোমের আকৃতিতে এই স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করা হয়েছে। গত বছর আগস্টে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্টেডিয়ামে নির্মাণের কাজে বিলম্ব হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সময়মতই এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। গ্রুপ পর্বে কোস্টারিকা বনাম সার্বিয়া, ডেনমার্ক বনাম অস্ট্রেলিয়া, উরুগুয়ে বনাম রাশিয়া, সেনেগাল বনাম কলম্বিয়া এবং একটি কোয়ার্টার ফাইনাল এই মাঠে হবে।

মরডোভিয়া অ্যারেনা: শহর : সারানস্ক: ধারণক্ষমতা : ৪৪ হাজার ৪৪২

মস্কো থেকে প্রায় ৫শ কিলোমিটার দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত মরডোভিয়ায় ৮ লাখ মানুষের বসবাস। নতুন এই স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপের পরে এফসি মরডোভিয়া সারানস্কের হোম ভেন্যু হিসেবে পরিচিত হবে। ২০০৫ সালে দুটি স্থানীয় দল একসাথে হয়ে এই ক্লাবটি গঠন করেছিল। বিশ্বকাপের জন্য এর ধারণক্ষমতা করা হয়েছে ৪৪ হাজার। বিশ্বকাপের পর স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা কমিয়ে আনা হবে। তখন অবশ্য নিয়মিতভাবে এটিকে ভাড়া দেবার ব্যবস্থা করা হবে। মূলত তৃতীয় বিভাগের ক্লাবগুলোর জন্য এই ধরনের স্টেডিয়াম প্রযোজ্য। গ্রুপ পর্বে পেরু বনাম ডেনমার্ক, কলম্বিয়া বনাম জাপান, ইরান বনাম পর্তুগাল, পানামা বনাম তিউনিশিয়া এখানে খেলবে।

রোস্তভ অ্যারেনা: শহর : রোস্তভ: ধারণক্ষমতা : ৪৫ হাজার

‘ডন রিভার’ নদীর তীরে অবস্থিত রোস্তভ শহরের উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রোস্তভ অ্যারেনা নির্মাণ করা হয়েছে। বিশ্বকাপের পরে এটি এফসি রোস্তভের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হবে। মস্কো থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রোস্তভ এখনো লিগ শিরোপার দেখা পায়নি। ২০১৫–১৬ মৌসুমে সিএসকেএ মস্কো থেকে মাত্র দুই পয়েন্ট পেছনে থেকে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। স্টেডিয়ামের চারপাশজুড়ে সাত কিলোমিটার সাইকেল পথ, ওয়াকওয়ে ও সবুজ ঘাসের সমারোহ স্টেডিয়ামের সৌন্দর্য অনেকগুণে বৃদ্ধি করেছে। গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল বনাম সুইজারল্যান্ড, উরুগুয়ে বনাম সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়া বনাম মেঙিকো, আইসল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া এই মাঠে ফুটবলযুদ্ধে অবতীর্ণ হবে।

ফিশৎ স্টেডিয়াম: শহর : সোচি: ধারণক্ষমতা : ৪৭ হাজার ৬৫৯

এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম আকর্ষণীয় প্রকল্প হিসেবে এই ফিশৎ অলিম্পিক স্টেডিয়াম বিবেচিত। ২০১৪ সালের অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকের জন্য মূলত এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তা শুধুমাত্র ইনডোর অ্যারেনা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই মাঠটি রাশিয়া সরকারের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কোন ক্লাব দলের ভেন্যু হিসেবে তাই এটি ব্যবহার করতে পারবে না। গ্রুপ পর্বে পর্তুগাল বনাম স্পেন, বেলজিয়াম বনাম পানামা, জার্মানি বনাম সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া বনাম পেরু ও একটি কোয়ার্টার ফাইনাল এই মাঠে হবে।

একাতেরিনবার্গ অ্যারেনা: শহর : ইয়েকাতেরিনবার্গ:ধারণক্ষমতা : ৩৫ হাজার ৬৯৬

এটি এই বিশ্বকাপের বিচিত্র স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত। ইয়েকাতেরিনকবার্গের সেন্ট্রাল স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত এই স্টেডিয়ামটি এর আগে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হলেও বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুনভাবে সংস্কার করা হয়েছে। বিশ্বকাপের পরে স্টেডিয়ামটি এফসি উরাল ইয়েকাতেরিনবার্গের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এই মুহূর্তে ৩৫ হাজার দর্শক একসাথে খেলা দেখতে পারলেও পরবর্তীতে তা কমিয়ে আনা হবে। গ্রুপ পর্বে মিশর বনাম উরুগুয়ে, ফ্রান্স বনাম পেরু, জাপান বনাম সেনেগাল, মেঙিকো বনাম সুইডেন বিচিত্র স্টেডিয়ামে একে অপরের প্রতিপক্ষ।

ভলগোগ্রাদ অ্যারেনা : শহর : ভলগোগ্রাদ: ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ৫৬৮

বিশ্বকাপের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত এই স্টেডিয়ামটি অন্যতম বিশেষ ডিজাইনের জন্য সমধিক পরিচিত। বিশ্বকাপের পরে এফসি রোটোর ভলগোগ্রাদের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ২০১৪ সালে রোটোর পুরোনো ও পরিত্যক্ত সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামের স্থানেই এটি নির্মাণ করা হয়েছে। অপেক্ষাকৃত বড়, একেবারে নতুন এই স্টেডিয়ামের নয়নাভিরাম ডিজাইন সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এখানে নক আউট পর্বের কোন ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে না। মস্কো থেকে হাজার কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগলিক দূরত্বই হয়তবা ম্যাচের স্বত্ব পাবার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গ্রুপ পর্বে তিউনিশিয়া বনাম ইংল্যান্ড, নাইজেরিয়া বনাম আইসল্যান্ড, সৌদি আরব বনাম মিশর, জাপান বনাম পোল্যান্ডের খেলা এখানে হবে।

নিজনি নোভগোরদ স্টেডিয়াম: শহর : নিজনি নোভগোরদ: ধারণক্ষমতা : ৪৪ হাজার ৮৯৯

নিজনি নোভগোরদ স্টেডিয়াম ভলগা ও ওকা নদীর তীরে অবস্থিত। আলেঙান্দার নেভস্কি ক্যাথেড্রালের পাশে মনোরোম পরিবেশে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামটিও প্রকৃতির সৌন্দর্যের কারণে ইতোমধ্যেই সমাদৃত হয়েছে। বিশ্বকাপের পরে এফসি অলিম্পিয়েটস নিজনি নোভগোরোড স্টেডিয়ামের স্বত্ব পাবে। ২০১৬–১৭ মৌসুমে রাশিয়ান দ্বিতীয় টায়ারে ক্লাবটি উন্নীত হয়েছে। এফসি ভলগা নিজনি নোভগোরদের সমাপ্তির পরে শহরের শীর্ষ ক্লাব হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই স্টেডিয়ামের ঘাস স্কটল্যান্ডে সফল পরীক্ষার পরে ২০১৭ সালের আগস্টে লাগানো হয়। এখানে নির্মাণ করা হয়েছে অত্যাধুনিক অনুশীলন গ্রাউন্ড, যেখানে ট্রেনিংয়ের সকল সুযোগ সুবিধা রয়েছে। বিশ্বকাপের পরে যা ছোট ছোট ছেলেমেয়ে ও স্থানীয় ক্লাবগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। গ্রুপ পর্বে সুইডেন বনাম দক্ষিণ কোরিয়া, আর্জেন্টিনা বনাম ক্রোয়েশিয়া, ইংল্যান্ড বনাম পানামা, সুইজারল্যান্ড বনাম কোস্টারিকা এবং একটি কোয়ার্টার ফাইনাল এখানে হবে।

কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম: শহর : কালিনিনগ্রাদ:ধারণক্ষমতা : ৩৫ হাজার ২১২

চলতি বছর স্বাগতিক শহরগুলোর মধ্যে কালিনিনগ্রাদ অন্যতম সুন্দর একটি শহর। এটি রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত না হলেও পোল্যান্ড ও লিথুনিয়ার উপনিবেশে অবস্থিত। স্টোকহোম ও ওয়ারশ’র কিছুটা পূর্বে মূলত এর অবস্থান। এফসি বালটিকা কালিনিনগ্রাদের নতুন হোম ভেন্যু হিসেবে বিশ্বকাপের পরে ব্যবহৃত হবে। ক্লাবটি দ্বিতীয় টায়ারে খেলে থাকে। ৩৫ হাজার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হলেও বিশ্বকাপের পরে তা কমিয়ে আনা হবে। বালটিকা ও জার্মান দল শালকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মার্চে সকলের জন্য উন্মুক্ত করার কথা ছিল, কিন্তু অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কারণে ম্যাচটি আর মাঠে গড়ায়নি। গ্রুপ পর্বে ক্রোয়েশিয়া বনাম নাইজেরিয়া, সার্বিয়া বনাম সুইজারল্যান্ড, স্পেন বনাম মরক্কো, ইংল্যান্ড বনাম বেলজিয়ামের ম্যাচ এখানে হবে।

সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম :শহর : সেন্ট পিটার্সবার্গ:ধারণক্ষমতা : ৬৮ হাজার ১৩৪

২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের স্টেডিয়াম নির্মাণের তুলনায় রাশিয়ান স্টেডিয়ামগুলো নির্মাণকাজ অনেকটাই আগেভাগে সম্পন্ন হবার ধারণাটা ঠিক নয়। তার মূল উদাহরণ জেনিতের নতুন স্টেডিয়াম সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামটি দেখতে অসম্ভব সুন্দর হলেও এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হতে দীর্ঘ নয় বছর সময় লেগেছে, যে কারণে বাজেট বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অবশেষে এপ্রিলে পুরোপুরি প্রস্তুতি কাজ সম্পন্ন করে আয়োজকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রুপ পর্বে মরক্কো বনাম ইরান, রাশিয়া বনাম মিশর, ব্রাজিল বনাম কোস্টারিকা, নাইজেরিয়া বনাম আর্জেন্টিনা, একটি সেমিফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচ এখানে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

লামায় ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরামের সংবর্ধনা ও কাউন্সিল

It's only fair to share...21500মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা :: লামায় ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরামের শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ...