Home » কক্সবাজার » ঈদগাঁওতে সংস্কারবিহীন ড্রেনেজ, দেখার কেউ নেই

ঈদগাঁওতে সংস্কারবিহীন ড্রেনেজ, দেখার কেউ নেই

It's only fair to share...Share on Facebook215Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

এম আবুহেনা সাগর,  ঈদগাঁও:   কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহৎ বানিজ্যিক নগরী ঈদগাঁও বাজারসহ পার্শ্ববতী উপসড়কের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নোংরা ময়লা আবর্জনা যুক্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা দীর্ঘকাল ধরে সংস্কারবিহীন পড়ে রয়েছে। যার ফলে ড্রেন দিয়ে পঁচা দুগন্ধের কারনে চলাচলরত লোকজন নানাভাবে হিমশিম খাচ্ছে। অনেক কষ্ট করে নাক চেপে ধরে ড্রেনের অংশটি পার হতে হচ্ছে প্রয়োজনীয় কাজেকর্মে বাজারে আগত নানা পেশার মানুষজনদেরকে। তবে পথচারীরা অবিলম্বে ড্রেনেজ ব্যবস্থা পূর্ণ সংস্কারের দাবীও জানান সংশ্লিষ্ট কতৃপর্ক্ষের নিকট। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজারের প্রধান ডিসি সড়ক তথা প্রাক্তন পুলিশ বিট সংলগ্ন হতে মাতবর মার্কেটের সামনে দিয়ে যাওয়া ড্রেনটি বহুপূর্বে নির্মান করেছিল। কিন্তু বর্তমানে উক্ত ড্রেনটিতে কতিপয় ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানের অপ্রযোজনীয় জিনিসপত্র ফেলে পুনরায় ড্রেনটি ভরাট করে ফেলছে। এদিকে ময়লা আবর্জনা ভরপুর ড্রেনটি সংস্কার না করে তার উপর কিছু কিছু ব্যবসায়ী স্লাব বসিয়ে ব্যবসা বানিজ্য করে যাচ্ছে দেদারছে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি সুষ্টভাবে যাতাযাত করতে না পারায় ড্রেনের পঁচাপানির সাথে মিশে গিয়ে গন্ধ বের হয়। পরর্বতীতে সড়কে লোকজন চলাফেরা করতে পারেনা দুগন্ধের কারনে।

অন্যদিকে ঈদগাঁও-বাশঁঘাটা যাতায়াতের বিকল্প মাধ্যম হিসেবে সুপরিচিত তরকারী বাজারের ভেতরে সুপারি গলির সড়কটি বর্তমানে মরন ফাঁদে পরিনত হয়ে পড়েছে। একদিকে চলাচল সড়কের উপর ময়লাযুক্ত কাঁদাপানি,অন্যদিকে পার্শ্ববতী ড্রেনে বাসাবাড়ীর অপ্রযোজনীয় খাদ্যদ্রব্য এবং ময়লা নিক্ষেপ করে পানি যাতায়াতের ড্রেনটি ভরাট করে রেখেছে । এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত বহু লোকজন নানা কাজেকর্মে বাশঘাটসহ ইসলামবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আসা যাওয়া করে থাকে। তারা সড়ক দিয়ে বর্তমানে চলাচল করতে গিয়ে দুগন্ধে বিষিয়ে উঠছে। স্থানীয় হাসান তারেক নামের এক সচেতন যুবক আজকের ককসবাজারকে জানান,সুপারী গলি সড়কের পঁচা পানিযুক্ত ড্রেনটি সংস্কার করার লক্ষে নানা দপ্তরে ধর্ণা দেওয়ার পরেও হতাশ হয়ে পড়েছেন বলেও জানান।

এমনকি সড়কের দুপাশে রয়েছে অসংখ্য বাসাভাড়া। তারাও সড়ক নিয়ে বিব্রত কর অবস্থায় রয়েছেন। আবার জালালাবাদ ইউনিয়নের সওদাগর পাড়ার ড্রেনটিতে পঁচা ময়লা আবজর্নায় নাড়া রয়েছে। এটি যেন দেখার কেউ না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছেন এলাকার লোকজন। আবার অনেক পথচারী দুষলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে। প্রতিনিয়ত এ গুরুত্ববহ যোগাযোগ সড়ক হয়ে জালালাবাদের বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি অতি সহজে ঈদগাঁও এবং চৌফলদন্ডীর প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলে যাচ্ছে লোকজন। দৈনিক যাতাযাতকারী মানুষজন সওদাগর পাড়ার রাস্তার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পঁচাপানি আর ড্রেনের গন্ধে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। সচেতন মানুষরা জানান, ঈদগাঁও বাজারসহ তৎসংলগ্ন এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা অবিলম্বে সংস্কার করে লোকজনদেরকে সুষ্ট ও সুন্দর পরিবেশে চলাচলের সুযোগ সৃষ্ট করে দেওয়ার দাবী।

সুপারী গলি ও সওদাগর পাড়ার ড্রেন সংস্কারের ব্যাপারে জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান রাশেদের সাথে কথা হলে তিনি কাল (১০জুন) থেকে সুপারী গলি সড়কে উচু করে ড্রেন সংস্কার শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ক্রেস্টের নামে বাংলাদেশিদের জমজমাট বাণিজ্য

It's only fair to share...21500॥ শাহাব উদ্দিন সাগর ॥  নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের অনুষ্ঠানগুলোতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে ক্রেস্ট প্রদানের একটি রীতি দীর্ঘ দিন ধরে চালু রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কমিউনিটির খ্যাতিমানদের সম্মানিত করার এই রেওয়াজ সর্বমহলে প্রশংসিতছিল এবং এই উদ্যোগ একটি প্রেরণা হিসাবে বিবেচিত হত। কিন্তু এখন এই সব ক্রেস্ট কতটা সম্মানের কিংবা আদৌ সম্মানজনক কিনা তা নিয়ে কমিউনিটির বিদগ্ধমহল প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, ক্রেস্ট প্রদানের এই প্রশংসিত প্রক্রিয়াকে‘অমর্যাদাকর’ পর্যায়ে নামিয়ে ফেলেছেন কিছু সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি। যাদেরকে তারা অভিহিত করেছেন ‘ধান্দাবাজ’ হিসাবে। এই ব্যক্তিরা ক্রেস্ট প্রদান নিয়ে এক ধরনের বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তাদের অভিযোগ। তারা আরো বলেছেন, প্রবাসীদের সম্মানিত করার নামে এখন চলছে জমজমাট ‘ক্রেস্ট বাণিজ্য’। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজকরা ক্রেস্ট দেয়ার নামে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এই সব আয়োজকরা অর্থের বিনিময়ে কমিউনিটির যে কোনমানুষের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। আবার ক্রেস্টগুলো দিতে গিয়ে বাজারের মূলা-বেগুনের মত দাম-দর হাঁকানো হচ্ছে। দাম-দরে বনিবনা হওয়ার পরই অনুষ্ঠানের মঞ্চে ডেকে এই সব ব্যক্তিদের হাতে ক্রেস্ট হস্তান্তর করা এখন তারা নিয়মেপরিণত করেছেন। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে এমন কিছু অনুষ্ঠান হয়েছে যেখানে দর্শকদের চেয়ে ক্রেস্ট গ্রহীতার সংখ্যাই ছিল বেশি। কমিউনিটির সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, ‘ইনডোর’ থেকে শুরু করে ‘আউটডোর’ সব ধরনেরপ্রোগ্রামেই এই ক্রেস্ট বাণিজ্য চলছে। ফলে অধিকাংশ ক্রেস্ট গ্রহীতার অবদান এবং কর্মকান্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তারা অনুষ্ঠান থেকে ক্রেস্ট হাতে বের হয়ে আসার পর লোকজনকে প্রকাশ্যে তাদের সম্পর্কে নানা বিরূপ মন্তব্য করতে শোনাযাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্মানীয় ব্যক্তিরা যদি এভাবে ক্রেস্ট নিতে অনিহা প্রকাশ করেন তবে আয়োজকরা এ ধরনের হীন কাজ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। পাশাপাশি আত্মপরিচয়হীনতায় ভুগতে থাকা ক্রেস্টলোভীরা লজ্জায় পড়তেপারেন। সামার এলেই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠানের হিড়িক পড়ে যায়। শুক্রবার এবং শনিবার সামাজিক অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকে কমিউনিটি। সংগঠনের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়ে থাকে। কমিউনিটির বিশিষ্টজনরা বলছেন, গত দুই বছর ধরে বাংলাদেশি অনুষ্ঠানগুলোতে গণহারে ক্রেস্ট দেয়ার প্রবণতা শুরু হয়েছে। এক পর্যায়ে এসে সেটি পরিণত হয় প্রতিযোগিতায়। মেলা, কনভেনশন বা কোন বিখ্যাত ব্যক্তির নামে এককঅনুষ্ঠান করেও ক্রেস্ট প্রদানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হচ্ছে। কোন কোন অনুষ্ঠানে এক-দুজন খ্যাতিমান ব্যক্তিকে যথার্থভাবেই ক্রেস্ট দেয়া হলেও তাকে সামনে রেখে ডজন ডজন অজ্ঞাতকূলশীলকে ক্রেস্ট দেয়া হচ্ছে অর্থের বিনিময়ে। এ সব এখনবাংলাদেশি অধ্যুাষিত এলাকাগুলোতে ‘ওপেন সিক্রেট’। গণহারে ক্রেস্ট দেয়াকে সমর্থন করেন না এমন কয়েকজন সাপ্তাহিক আজকালকে বলেন, বাজারে মূলা- বেগুনের মত দাম হাঁকিয়ে ক্রেস্ট দেয়া হচ্ছে অনেকের হাতে। যিনি যত অর্থ দিচ্ছেন তিনি তত বড় আকারের ক্রেস্ট পাচ্ছেন এই সবআয়োজকদের কাছ থেকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিউইয়র্কে এমনও অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের বাসা ও অফিসের দেয়াল ভরে গেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া ক্রেস্টে। ক্রেস্টগুলো দেয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামের আগে আবার জুড়ে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পদপদবী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে নানা অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিও রয়েছেন। বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার হওয়ার পর তারা এখন ক্রেস্ট হাতে সমাজে বুক ফুলিয়ে বেড়াচ্ছেন। ...