Home » চকরিয়া » বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রবেশ ফি চাউলের সাথে সঙ্গতি রেখে বেড়েছে! বিদেশী বন্যপ্রাণী নেই, দর্শনার্থীরা হতাশ

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রবেশ ফি চাউলের সাথে সঙ্গতি রেখে বেড়েছে! বিদেশী বন্যপ্রাণী নেই, দর্শনার্থীরা হতাশ

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

safary parkmr mahএম.আর মাহমুদ :::

পবিত্র রমজানের ২৯টি রোজা যথাযথভাবে পালন করার তৌফিক দেয়ায় মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে হাজার শুকরিয়া। তবে ঈদের আগের রাত থেকে ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় শরীর ও মন এখনও ভাল যাচ্ছে না। কিন্তু পেশাগত কারণে গ্রামের বাড়ি থেকে মেটো ও পাকা পথ অতিক্রম করে চকরিয়া সদরে আসতে হয়েছে। সংবাদপত্র ৩ দিন বন্ধ থাকলেও কিন্তু অনলাইন খোলা থাকায় সংবাদ ঠিকই পাঠাতে হয়েছে। ঈদের নামায আদায় শেষে বাড়িতে গিয়ে একটু বিশ্রাম নিতে গিয়ে শুনলাম সড়ক দূর্ঘটনার মত দুঃসংবাদ। আলীকদম থেকে চাঁদের গাড়ি (জীপ) যোগে একদল ১৩-১৯ বছরের (টিনএইজ) যুবক ঈদ আনন্দ উপভোগ করার জন্য চকরিয়ার ডুলাহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। দুর্ভাগ্যক্রমে জীপটি লামা উপজেলার সর্বোচ্চ পাহাড়ের চূড়া মিরিঞ্জার অনতি দূরে দূর্ঘটনায় পতিত হয়। এতে শিশু সহ ৪ জন মৃত্যুবরণ করে। আরো ৪০-৪২ জন যাত্রী মারাত্মকভাবে আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে নিত্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। নিহতরা বেশিরভাগই আলীকদম ও চকরিয়ার বাসিন্দা। সংবাদটি শোনে ইন্নালিল্লাহ পড়ে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো ছাড়া করার কিছুই ছিল না। যাক ২০১৬-২০১৭ অর্থবছর শেষ হয়েছে ৩০ জুন। নতুন অর্থবছর ২০১৭-২০১৮ শুরু হয়েছে। নতুন অর্থবছর শুরু হতে না হতেই গরীবের পর্যটন হিসাবে খ্যাত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভ্রমণ ফি একলাফে পূর্ণবয়স্কদের ক্ষেত্রে ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, ছোটদের ক্ষেত্রে ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা করা হয়েছে। খবরটি শোনে খারাপ লেগেছে। বেরসিক একজন দর্শনার্থী বলতে শোনা গেছে, পার্কের প্রবেশ মূল্য বাড়ানোর বিষয়টি যেন “বারো হাত কাঁঠালের তের হাত বিচির মত”। একদিকে চাউলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, তার সাথে পাল্লা দিয়ে পার্কের দর্শনার্থীদের প্রবেশ মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি যেন মরার উপর খারার ঘা। যাক পার্কে থাকা বন্যপ্রাণীর খাবারসহ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়েছে। উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। সব মিলিয়ে পার্কে ঢোকার টিকেটের মূল্য হয়তো সে কারণেই বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করছে অনেকে। বিশেষ করে ঈদ সহ জাতীয় দিবস ছাড়া অন্য দিনগুলোতে তেমন দর্শনার্থী পার্কে ভিট করে না। তবে শীত মৌসুমে দর্শনার্থীদের ভিট বাড়ে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে ভ্রমণ করতে দেশী-বিদেশী অসংখ্য পর্যটক কক্সবাজার আসে। সে সাথে তারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কও ভ্রমণ করেন। কক্সবাজার, বান্দরবান ও চট্টগ্রামের বেশ ক’টি উপজেলার নিম্ন আয়ের লোকজন ভ্রমণের আশায় এখানে প্রায় সময় এসে থাকে। কারণ তাদের পক্ষে ঢাকা ও চট্টগ্রামের চিড়িয়াখানা দেখার সৌভাগ্য তেমন হয় না। নয়নাভিরাম ও প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বৃক্ষরাজিতে ঘেরা এ পার্কের বদ্ধ খাঁচায় আবদ্ধ প্রাণীগুলো দেখে বেশিরভাগ মানুষ অবিভূত হয়। কিন্তু নির্ধারিত কিছু দেশীয় প্রাণী ছাড়া এখানে বিদেশী কোন প্রাণী নেই বললেই চলে। হরিণ, বানর, ভাল্লুক, বাঘ, সিংহ, হাতি, কয়েকটি অজগর সাপ, জলহস্তি, কুমির ও ইমু পাখিসহ কিছু পাখি ছাড়া আছেই বা কি? অথচ দর্শনার্থী এ নান্দনিক পার্কে যায়, জীবনে দেখেনি এমন দেশী-বিদেশী জীব-জন্তু দেখার জন্য। পার্কের যাত্রালগ্ন ৩টি পাহাড়ী গরু (তম) রয়েছে। যাদের আয়ূশকাল শেষের দিকে। যে কোন মূহুর্তে মৃত্যু মুখে পতিত হতে পারে। পার্কটি দেশের জন্য একটি সম্পদ। এ পার্ক সৃষ্টি না হলে শত কোটি টাকার গর্জন গাছগুলোর অস্তিত্ব থাকতো না। শুধুমাত্র পার্ক হওয়ার কারণে গাছগুলো ‘তালগাছ একপায়ে দাঁড়িয়ে’ থাকার মত অবস্থায় থাকতো না। বনদস্যুরা এসব গর্জন গাছ কেটে সাবাড় করে পুরো বনভূমি গ্রাস করতো। ডুলাহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কটি দেশের জন্য প্রথম। এটির আগে দেশের কোন সাফারি পার্ক ছিল না। ইতিমধ্যে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গাজীপুরে আরো একটি বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক স্থাপন করেছে। যা দেখার সৌভাগ্য এখনও হয়নি। তবে পত্র-পত্রিকায় দেখে মনে হয়েছে গাজীপুরস্থ বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক একটি পরিপূর্ণ পার্ক। যেখানে বিদেশী বন্য-প্রাণীর অভাব নেই। গাজীপুরের সাফারি পার্ক পরিপূর্ণ হওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে। যার অবস্থান রাজধানীর অনতি দূরে। তাই এখানে দেশী-বিদেশী বেশুমার পর্যটক ভ্রমণ করে। এক্ষেত্রে গাজীপুরের সাফারি পার্কের সাথে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের তুলনা করাটা বাতুলতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কথায় আছে ‘জাইংগা ছেড়া হলেও ব্যবহার করা যায়, তবে প্যান্ট ছেড়া হলে কি আর পড়া যায়?’ এ যুুক্তি মেনে নিয়ে মনকে সান্ত্বনা দেয়া ছাড়া ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে আসা দর্শনার্থীদের কোন উপায় নেই। এ পার্কের একজন নিয়মিত দর্শনার্থী হিসাবে ডুলাহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক একটি পরিপূর্ণ পার্কে পরিণত করা হলে গাজীপুরের চাইতে দর্শনার্থী কমবে না; বরং বাড়বে। কারণ এ পার্কটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি, অতি নান্দনিক। দ্রব্যমূল্যের সাথে পাল্লা দিয়ে দর্শনার্থীদের টিকেটের মূল্য বাড়ানো সাথে সাথে এখানে দেশী-বিদেশী বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করলে দর্শনার্থীদের চাহিদা মিটবে। একজন দর্শনার্থী ৫০ টাকা ফি দিয়ে পার্কে প্রবেশ করে সেই পুরানো বন্যপ্রাণী ছাড়া অন্য কিছুই দেখছে না। দর্শনার্থীরা অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে দেশী-বিদেশী বন্য প্রাণী দেখতে না পেলে এক সময় পার্কে দর্শনার্থীর ভিট কমবে। তখন সরকারের লাভের চাইতে ক্ষতি বেশি হবে। প্রসঙ্গক্রমে একটি কথার অবতারণা না করলে হয় না ‘গেল শীত মৌসুমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী ডুলাহাজারী সাফারি পার্ক ভ্রমণ শেষে বলতে শোনা গেছে, ‘এটা কিসের সাফারি পার্ক?’ সাফারি পার্কের সংজ্ঞা কি পার্কের বন্যপ্রাণী কি খাঁচাবন্ধী থাকে? পার্ক হলে প্রাণীরা থাকবে মুক্ত। ওইসব শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব পার্কের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা যথাযথভাবে দিতে পারেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চট্রগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩১২টি ইটভাটা থেকে কর পাচ্ছে না সরকার

It's only fair to share...23500অনলাইন ডেস্ক, চট্রগ্রাম :: পরিবেশ আইন মেনেই ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নে উৎস কর, লাইসেন্স ফি ও ভ্যাটসহ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিতেহয় সরকারকে। চট্টগ্রামের ৩১২ অবৈধ ইটভাটা থেকে এই তিন খাতে কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। এতেসরকার প্রতি বছর ১৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। তবে বৈধ–অবৈধ ইটভাটা থেকে ৬০ লাখটাকার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪০৮টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা হচ্ছে ৯৬টি। অবৈধ ইটভাটা৩১২টি। অবৈধ ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের কর পাচ্ছে না। তবে কর না পেলেও সকল ইটভাটা থেকেভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করা হয়। চলতি মৌসুমে (২০১৭–১৮) ইটভাটা থেকে ভূমি উন্নয়ন করেরলক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার বিপরীতে (গত জুন পর্যন্ত) খাজনা আদায় করা হয়েছে৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেশি। জেলা রাজস্ব সভায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার মধ্যে উচ্ছেদ মামলা রয়েছে একশটির বিরুদ্ধে। ২০টিতেনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩০টিতে আদালতের স্থগিত মামলা রয়েছে। ৩০টি মামলার নোটিস জারিকরা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারীকমিশনারকে (ভূমি) জেলার মাসিক রাজস্ব সভায় অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের খামখেয়ালি ওউদাসীনতায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশবাদীদের। প্রশাসন ও পরিবেশঅধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম চলে আসছে। বিভিন্নঅনুষ্ঠানের নামে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটার লাইসেন্স গ্রহণে জেলা প্রশাসনকে উৎস কর ৪৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি পাঁচশ টাকা এবং পরিবেশঅধিদপ্তরকে ১২ হাজার পাঁচশত টাকার সাথে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। ভ্যাটসহ ১৪,৩৭৫ টাকাদিয়ে পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হয়। ইট পোড়াতে প্রাথমিকভাবে এই দুই সংস্থাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা গুণে লাইসেন্সগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে অবৈধ ৩১২টি ইটভাটা থেকে এই ধরণের কোনো কর পাচ্ছে না সরকার। বছরেরপর বছর অবৈধভাবে চলে আসছে এসব ইটভাটা। এজন্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দুষছেনপরিবেশবাদীরা। অপরদিকে, উৎপাদিত ইটপ্রতি আয়করে চলছে শুভংকরের ফাঁকি। এক–চতুর্থাংশ ইট উৎপাদনদেখিয়ে আয়কর প্রদান করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। একাধিক ইটভাটার ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি ট্রাকে আড়াই থেকে তিন হাজার ইট পরিবহনকরা হয়। প্রতি হাজার ইট পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি দেখিয়ে আয়কর চালান দেয়া হয়। এছাড়াএকটি গাড়ি একাধিক ট্রিপ গাড়ি চালালেও দিনে শুধুমাত্র একটি চালান নিয়ে ইট পরিবহন করা হয়। এছাড়াওগাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার ইট পরিবহন দেখিয়ে ভ্যাট চালান তৈরি করা হয়। এছাড়াও একটি ইটভাটায়এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০–৫০ লাখ ইট পোড়ানো হয়। কিন্তু আয়কর বিভাগকে দেখানো হয় উৎপাদিত ইটের এক–চতুর্থাংশ। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চলে আসছে। অর্থাৎ শহরতলীউপজেলাতে ইটভাটা প্রতি ৬–৭ লাখ টাকা আর সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়াসহ অন্যান্য উপজেলার ইটভাটাগুলোর ক্ষেত্রে৪–৫ লাখ টাকা ‘মুঠো কর’ প্রথা চালু রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বোয়ালখালী উপজেলার দুটি ইটভাটার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারের সাথে কথা বলে আয়করে এইশুভংকরের ফাঁকির তথ্যটি পাওয়া যায়। একটি ইটভাটার ম্যানেজার জানান, এক চালানে পুরোদিন ইট পরিবহনকরা হয়। কিন্তু শহরে পরিবহনের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যাট চালান দিতে হয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় জুন মাসের খাজনা আদায়ের তথ্যে দেখা যায়, চান্দগাঁও থানা এলাকার ইটভাটাথেকে খাজনা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪শ টাকা। মিরসরাই উপজেলায় ২ লাখ ২৪,৮১২ টাকা, সীতাকু– উপজেলায় ৭ লাখ ৪৯,২৯৯ টাকা, সন্দ্বীপে ৫ হাজার একশ টাকা, ফটিকছড়ি উপজেলায় সাত লাখ ৪৯,১৪০ টাকা, হাটহাজারী উপজেলায় ৯ লাখ ১৫,৭৫০ টাকা, রাউজান উপজেলায় ২ লাখ ৮০,২১০ টাকা, রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় ৪লাখ ১০,৫৫০ টাকা, বোয়ালখালী উপজেলায় ৮৪,৪০০ টাকা, পটিয়া উপজেলায় ৪২,৯৭৬ টাকা, আনোয়ারাউপজেলায় ১৮,৪৮০ টাকা, চন্দনাইশ উপজেলায় ৪ লাখ ৪১,৩৪০ টাকা, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০ লাখ২৬,৪৩৫ টাকা, লোহাগাড়া উপজেলায় ৭ লাখ ৫০,৫০৩ টাকা, বাঁশখালী উপজেলায় ৯৮,৮০৮ টাকা আদায় করাহয়েছে। মোট আদায় করা হয়েছে ৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। ...