Home » উখিয়া » উখিয়ায় হাট-বাজারে ড্রেইন দখল করে দোকান পাট নির্মাণ: জনস্বাস্থ্য হুমকির মূখে

উখিয়ায় হাট-বাজারে ড্রেইন দখল করে দোকান পাট নির্মাণ: জনস্বাস্থ্য হুমকির মূখে

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

aaওমর ফারুক ইমরান, উখিয়া :::

উখিয়ায় হাট-বাজারগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ধারাবাহিকতায় জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গেছে, উপজেলা ছোট বড় ১০টি হাট বাজার প্রতি অর্থ বছরে প্রকাশ্য ইজারা দিয়ে সরকার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করলেও উক্ত হাট-বাজারগুলোতে আশানুরূপ উন্নয়ন কাজ করা হয়নি। এ কারণে হাট-বাজারগুলো ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে। এ উপজেলা প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত উখিয়া সদর দারোগা বাজারটি ঘুরে স্থানীয় ক্রেতা-বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে কাঁচা মাছ বেচা-কেনার জন্য পরিকল্পিত ২টি শেড থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়ার লোভে পড়ে জনগণের চলাচলের রাস্তায় কাঁচা মাছ বিক্রির জন্য প্রভাবিত করে থাকে। এভাবে প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে চলাচলের রাস্তার ওপর মাছ বিক্রির কারণে বাজারের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। তা ছাড়া পচা মাছের নাড়িভূড়ি, তরিতরকারির উচ্ছিষ্ট অংশ, নানা রকমের বর্জ্য, নর্দমায় ফেলা হলেও তা পরিষ্কার করা হয় না। এছাড়াও ড্রেইন দখল করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দোকান পাট নির্মাণ করায় ক্রেতাদের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, ড্রেন দখলমুক্ত করে ড্রেইন থেকে নালা নর্দমা পরিস্কার করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা আরো জানান ব্যবসায়ীদের নিকট টোল আদায়ের নামে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিয়ে সটকে পড়ে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মাছ ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন প্রতি ঝুঁড়ি মাছের ১০ টাকা করে টোল আদায় করার সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি থাকাসত্ত্বেও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা তাদের মজুত থাকা দাঁড়িপালা ভাড়া দিয়ে জন প্রতি ১শ’ টাকা ও দেড় শ’ টাকা টোল আদায় করে থাকে। স্থানীয় ব্যবসায়ী পরিমল সেন, প্রমতোষ সেন, মৃদুল আইচ, আবদুল করিম, আবদুর রশিদ, কবির আহমদ, রহিম উলাহ সহ একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, বাজারে ফার্মের মুরগী বিক্রির নিয়ম না থাকলেও কতিপয় ব্যবসায়ী প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে ব্যস্ততম এলাকায় ফার্মের মুরগি বিক্রি করে আসছে। এসব মুরগি নানা জাতের বর্জ্য বসত বাড়ির সামনে খোলামেলা জায়গায় ও ক্রেতা সাধারণের চলাচলের রাস্তার উপর ফেলা হচ্ছে। এতে বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়ে জনস্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে বাজার ইজারাদার কামাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি বার বার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয় জনসাধারণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগে কর্তাব্যক্তিরা বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে নির্ধারিত শেডে কাঁচা মাছ বিক্রির নির্দেশ দিলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা তা মানছে না। উপরন্তু তারা প্রশাসনের লোকজনকে হেয় প্রতিপন্ন করে আপত্তিমূলক কটূক্তি ব্যবহার করে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে চলতি বছরের ১৬ ফেব্র“য়ারী উখিয়ার ১০টি হাট বাজার উখিয়া দারোগা বাজার, কোটবাজার, মরিচ্যা, সোনার পাড়া, পাতাবাড়ী, ভালুকিয়া, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী বাজার গুলো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইজারাদাররা আগামী বছরের জন্য ইজারা নিয়েছে। উলেখিত উখিয়ার ১০টি বাজার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে ক্রেতারা দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে শীঘ্রই অভিযান চালানো হবে।

##################

উখিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী সহ আটক- ৫

উখিয়া প্রতিনিধি ::

ককসবাজারের উখিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী সহ পাঁচজনকে আটক করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয় থানা পুলিশ। উখিয়া থানার উপ-পর্রিদশক মিল্টন বলেন, মঙ্গলবার ভোরে হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪ মাসের সাজা প্রাপ্ত আসামী আফিল ্্্্্্উদ্দিন প্রকাশ আইয়ুব আলীকে আটক করা হয়। তিনি ফরিদ মিস্ত্রির ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামী হল উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের খেওয়া ছড়ি গ্রামের হাজী আজিজুল হকের ছেলে মো: আইয়ুব, মৃত জাগীর আলীর ছেলে আইয়ুব আলী, আবদুল বারীর ছেলে আমির হোসেন প্রকাশ পুতিয়া, ও ৫ মাসের সাজা প্রাপ্ত আসামী হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা গ্রামের সিদ্দিক আহাম্মদের ছেলে হেলাল উদ্দিন। উখিয়া থানার ওসি আবুল খাযের বলেন, আসামীদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।