Home » রামু » রামুতে মাদক ব্যবসায়ির নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলায় কলেজ ও স্কুল ছাত্রীসহ আহত ৪

রামুতে মাদক ব্যবসায়ির নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলায় কলেজ ও স্কুল ছাত্রীসহ আহত ৪

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

mail.google.comসোয়েব সাঈদ, রামু :::

রামুতে মাদক ব্যবসায়ির নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলায় একই পরিবারের চারজন গুরুতর আহত হয়েছে। সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাতটায় রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের পশ্চিম ঘোনারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহতরা হলেন, মালয়েশিয়া প্রবাসী অছিয়র রহমানের স্ত্রী মোহছেনা বেগম (৪০), মেয়ে রামু কলেজের ছাত্রী হাবিবা আকতার (১৮), আলহাজ্ব ফজল আম্বিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়া আকতার (১৫) ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী আসমিত আরা (১২)।

আহত মোহছেনা বেগমের পিতা ফজল কবির জানান, ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি মনজুর আলম দীর্ঘদিন তার জামাতার অনুপস্থিতির সুযোগে বসত ভিটে দখল করে পরিবারের সদস্যদের নির্যাতন চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি নতুন টিনের বেড়া দিয়ে জামাতা অছিয়র রহমানের বসত ভিটে দখলের প্রক্রিয়া শুরু করে মনজুর আলম।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. কামাল জানিয়েছেন, সীমানা বিরোধের বিষয়টি মোহছেনা বেগম রাজারকুল ইউপি চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমানকে সম্প্রতি অবহিত করেন। এরই প্রেক্ষিতে ইউনিয়নের মেম্বার ও চৌকিদার গত রবিবার গিয়ে উভয়কে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়ে এবং কয়েকদিনের মধ্যে চেয়ারম্যান বিরোধ নিরসন করবেন, এমন আশ্বাস দিয়ে আসেন।

আহত মোহছেনা বেগমের ভাই শহিদুল্লাহ জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দেয়ায় মনজুর আলম ক্ষিপ্ত হয়ে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে সোমবার সকালে মোহছেনা বেগমের বসত ভিটে ঘিরে ফেলে। এক পর্যায়ে মনজুর আলমের নেতৃত্বে পার্শ্ববর্তী এলাকার ভাড়াটে সন্ত্রাসী শাকিল বড়–য়া, ছোটন বড়–য়া, চুইঙ্গা বড়–য়ারসহ একদল সন্ত্রাসী বাড়িটিতে হামলা ও ভাংচুর শুরু করে। হামলাকারিরা মোহছেনা বেগমকে মাথায় দা দিয়ে কোপ দিলে সে মাটিতে পড়ে যান। পরে মাকে বাঁচাতে আসা তাঁর তিন মেয়ে হাবিবা, সাদিয়া ও আসমিত আরাকে মারধর করে সন্ত্রাসীরা। এঘটনার পর হামলাকারিরা সটকে পড়ে। প্রতিবেশী লোকজন আহত মোহছেনা ও তার তিন মেয়েকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক। ঘটনারপর থেকে পলাতক থাকায় মনজুর আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে হামলার পর সকাল দশটায় রামু থানার এসআই আবুল খায়ের ও এসআই মুকিবুল ঘটনাস্থলে যান। এসআই আবুল খায়ের জানান, মাদক ব্যবসায়ি মনজুরের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।