ঢাকা,বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

রমজান সামনে রেখে অসাধু ব্যেবসায়ীদের কারসাজি

কক্সবাজার প্রতিনিধি

 

রমজানকে সামনে রেখে একদল অসাধু ব্যবসায়ী মাংসের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। ফলে কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০- ৪০ টাকা। গরুর মাংস কোনো কারণ ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা। পাশাপাশি ডিমের দাম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা।
 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতি পড়ায় ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে। যদিও রোজার প্রথম সপ্তাহ থেকেই তা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে দাবি করেন তারা।

তবে শীতের শেষ সময়ে এসে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। মৌসুম জুড়ে চড়া দামে বিক্রি হলেও শেষ সময় হওয়ায় সব ধরনের সবজি সহনীয় পর্যায়ে আসতে শুরু করেছে।

শহরের কয়েকটি বাজারঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগির মাংসে কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে ব্রয়লার বিক্রি হয়েছিল ১৮০ টাকা। ৪০০ গ্রাম হাড় ও ৬০০ গ্রাম মাংস দিয়ে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা এবং হাড়ছাড়া ৯০০ টাকা। লাল ডিম ডজন ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। সাদা ডিম ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। মাছের বাজার আকাশচুম্বী। তবে কোনো কারণ ছাড়াই আবারও মুরগির দাম বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

ভোক্তারা বলছেন, সামনে মরজানকে কেন্দ্র করে সিন্ডিকেট করে অহেতুক মুরগির দাম বাড়াচ্ছে। সবজির দাম কমেছে। গরুর মাংসের দামও বাড়তি। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে দায়িত্ব নিতে হবে। চাহিদার নামে মানুষের পকেট লুটে অতিরিক্ত মুনাফা করছেন তারা।

জেলা পোল্ট্রি শিল্প ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল হক বলেন, বাচ্চা ও খাবারের দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ কম হওয়ায় বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে রোজা শুরু হলে মুরগির পাশাপাশি ডিমের দামও কমে আসবে।

তবে রোজার আগে সরকার সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা কমিয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজসহ অন্যান্য জরুরি পণ্যের দাম কমার লক্ষণ নেই।

পাঠকের মতামত: