ঢাকা,বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

চকরিয়ায় চিংড়িঘের থেকে অপহৃত শ্রমিককে অপহরণের ৬ ঘন্টা পরে উদ্ধার করেছে পুলিশ 

♦এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া

পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ ফোনকলের মাধ্যমে  কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিংড়ি ঘের  শ্রমিককে অপহরণের ৬ ঘন্টা পর উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চিংড়িজোন রামপুর মৌজার ৩ নম্বর হোল্ডিং ২৫ নম্বর প্লট থেকে অপহরণের শিকার হয় মো. আরিফ (১৪) নামের ওই কিশোর শ্রমিক। ভিকটিম আরিফ উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের চৈনম্যারঘোনা এলাকার মো. ইয়াছিনের ছেলে।

থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট ঘের চাষী জানান, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা জনৈক শাকেরা বেগমের মালিকানাধীন চিংড়িঘের বর্গা নেন চকরিয়া উপজেলার সাহারবিলের বাসিন্দা নুরুল হক । ওই চিংড়িঘেরে মহিষ চরানোর জন্য শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় মো. আরিফকে।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপকূলীয় অঞ্চলের বদরখালী এলাকার ১০-১১ জন দুর্বৃত্ত মহিষ চরানো অবস্থায় অতর্কিতভাবে হানা দিয়ে  আক্রমণ করে আরিফের উপর। এসময় তাদের হাতে থাকা লম্বা বন্দুকের বাট দিয়ে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে হত্যার  উদ্দেশ্যে একটি ইঞ্জিন বোটে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। বিষয়টি জানার পর চিংড়িঘের চাষি নুরুল হক পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে চকরিয়া থানার ওসির নির্দেশে তাৎক্ষণিক থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান শুরু করে।

একপর্যায়ে এদিন বিকাল ৪টার দিকে বদরখালী বাজারের একটি নির্জন এলাকা থেকে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভিকটিম মো. আরিফকে উদ্ধার করে। তবে অপহরণকারীরা পুলিশ আসার খবর পেয়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধারের পর আহত আরিফকে চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে  ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় চিংড়ি ঘের চাষি নুরুল হক বাদী হয়ে চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নবের ৯ নম্রবর ওয়ার্ড আমিরখালী পাড়ার আবদুল রমিজ, আবদুর রহিম, আবদুল হক, আবদুল করিম, আবদুল মজিদের নাম উল্লেখ করে আরো ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে চকরিয়া থানায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন।

বাদী নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন,  মুলত চিংড়িঘের জবরদখলবের উদ্দেশ্য সন্ত্রাসীরা জড়ো হওয়ার বিষয়টিকে দেখে ফেলায় শ্রমিক আরিফকে অপহরণ করা হয়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি এজাহার দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ##

পাঠকের মতামত: