ঢাকা,বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

ব্যবস্থা নেওয়া হবে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে

হাতির সেই অভয়ারণ্য দখলমুক্ত

 প্রায় ২৫ একর বন ভূমি উদ্ধার

কক্সবাজার প্রতিনিধি ::

সরকারী বনভূমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ চারা রোপনের মাধ্যমে বন ভূমি জবরদখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল একটি চক্র। স্থানীয় বিট কর্মকর্তা একাধিক বার বাঁধা দিলেও তা অমান্য করে ভূমিদস্যুরা কাজ করতে থাকে চক্রটি। অবৈধভাবে নির্মিত কাঁটাতারের বেড়াসহ অন্যান্য স্থাপনা সরিয়ে নিতে দুই দিনের সময় দেওয়া হয় চিহ্নিত ভূমিদস্যুদের।

একই সঙ্গে ওই এলাকায় ৫০ হেক্টর নতুন বাগান সৃজনে সাইনবোর্ড ও নার্সারি স্থাপন করেছে বন বিভাগ। তবে দখলদারদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সরওয়ার আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৫ একর বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়। এ সময় বনভূমিতে গড়ে তোলা পানের বরজ, গভীর নলকূপ, বৈদ্যুতিক সংযোগ, পাম্প মেশিন, বৈদ্যুতিক তার, ১ হাজার ফুট লম্বা পাইপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

জানা গেছে, পাহাড়ে আনুমানিক ৭০ একর বনভূমি দখল করে খামার ও বাগান গড়ে তোলার কাজ শুরু করে একটি সিন্ডিকেট। এরপর উচ্চ মহলের নির্দেশে বনে অভিযান চালায় বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেইন্দা বনে দিনব্যাপী অভিযানে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শ্যামল কুমার ঘোষ, কক্সবাজার সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহাসহ বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।

কক্সবাজার সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা জানান, ইতিমধ্যে উক্ত স্থানে জবরদখল উচ্ছেদ করে সামাজিক বনায়নের আওতায় আনার জন্য সরকারি ভাবে নার্সারী সৃজনের কাজ শুরু হয়েছে এবং ২০২২-২৩ অর্থ বছরেব প্রস্তাবিত বাগানের সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।ৎ

প্রতিবছরই বনায়ন সৃজনের মাধ্যমে জবরদখল উচ্ছেদ পূর্বক বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়। অভিযানে প্রায় ২০-২৫ একর বন ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

কক্সবাজার দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ সরওয়ার আলম জানান, বনদস্যূদের কোন ক্ষমা নাই। যারা বনভূমি দখল কপা তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। অভিযানে বনবিভাগের বেশকিছু জায়গা দখলমুক্ত হলো।

পাঠকের মতামত: