ঢাকা,বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

চকরিয়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে ট্রাক ও স্কেভেটর জব্দ, একজনের কারাদণ্ড 

চকরিয়া উপজেলার ফাসিয়াখালী ও কাকারা ইউনিয়নে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বাণিজ্য চালিয়ে আসছে কতিপয় চক্র। পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে দীর্ঘদিন দীর্ঘদিন ধরে বালু লুটেরা চক্রের সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পরিবেশ বিধংসী এই কাজে জড়িত থাকলেও এতদিন ছিলেন ধরা চোয়ার বাইরে। এভাবে বালু উত্তোলনের পর ডাম্পার ট্রাকে করে পাচার কাজ চালিয়ে যাওয়ায় এলাকার গ্রামীণ রাস্তাঘাট গুলো ভেঙে ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে।
স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহলের অভিযোগ পেয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার ফাসিয়াখালী ও কাকারা ইউনিয়নে মাতামুহুরী নদী লাগোয়া অবৈধ বালু
পয়েন্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. ফখরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত।
অভিযানের একপর্যায়ে আদালত ঘটনাস্থল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি স্কেবেটর গাড়ি ও পরিবহনে নিয়োজিত একটি ডাম্পার ট্রাক জব্দ করেছে।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, উপজেলার কাকারা ও ফাসিয়াখালী ইউনিয়নে মাতামুহুরী নদী লাগোয়া পয়েন্ট থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন কতিপয় লুটেরা চক্র।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে স্থানীয় জহির আহমদ এর ছেলে রবিউল করিমকেে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ধারা মোতাবেক ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, একইদিনের অপর অভিযানে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মো: ইউনুসের ছেলে সালাউদ্দিন নামের একজনকে আটক করে  একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।  ,
অভিযানের সময় বালু পরিবহনে নিয়োজিত একটি ডাম্পার ট্রাক ও একটি স্কেভেটর গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
ইউএনও মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে  প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে। পরিবেশ বিধংসী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে এইধরনের  অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। ##

পাঠকের মতামত: