ঢাকা,বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

এইচএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ইফ্ফাত মুতাওয়াসসিত রুহী

এ কে এম ইকবাল ফারুক. চকরিয়া :: বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী ইফ্ফাত মুতাওয়াসসিত রুহী। সে ইমপ্রেস গ্রুপের টেক্সটাইল ডিভিশনের চীফ অপারেটিং অফিসার একেএম গোলাম মোর্শেদ ফারুকের প্রথমা কন্যা এবং চকরিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক সাংবাদিক একেএম ইকবাল ফারুক ও চট্টগ্রাম জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবি এ্যাডভোকেট মোছাদ্দেক ফারুকের ভাতিজী। রুহীর মা আসমাউল হুসনা রীনা উচ্চ শিক্ষিত একজন গৃহিনী। রুহী রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে ইংলিশ ভার্সনে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবক’টি বিষয়েই এ প্লাস নাম্বর পেয়ে এ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে।

মেধাবী শিক্ষার্থী ইফ্ফাত মুতাওয়াসসিত রুহী’র পারিবারিক সূত্র জানায়, পঞ্চম শ্রেণীর পিএসসি ও অষ্টম শ্রেণীর জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং এএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে শিক্ষা জীবনের প্রথম ধাপ থেকেই রুহী সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছিলো। সে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের সিকদার পাড়া এলাকার আলহাজ্ব মাষ্টার আবুল কাশেম ও মরহুমা গুলশান আরা বেগমের নাতনী। বর্তমানে সে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের তাদের নিজ বাসায় মা বাবা ভাইবোনদের সাথে থেকে পড়া লেখা চালিয়ে যাচ্ছে।

মেধাবী শিক্ষার্থী ইফ্ফাত মুতাওয়াসসিত রুহী তার এ ভাল ফলাফলের জন্য নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, অন্যান্য বারের মতো এবারও কাঙ্খিত ফল পেয়ে আমি অবশ্যই ভীষণ খুশি হয়েছি। ভবিষ্যতে আমি একজন খ্যাতনামা চিকিৎসক হয়ে মানবতার সেবায় নিজেকে সম্পৃক্ত করতে দেশবাসী সকলের কাছে দোয়া চাই।

এদিকে রুহী’র ভাল ফলাফলের জন্য তার প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাগনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রুহী’র বাবা ইমপ্রেস গ্রুপের টেক্সটাইল ডিভিশনের চীফ অপারেটিং অফিসার একেএম গোলাম মোর্শেদ ফারুক ও মা আসমাউল হুসনা রীনা। আগামীতে মেয়ের উচ্চ শিক্ষায় আরো অধিকতর সাফল্যের জন্য সকলের কাছে দোয়াও চেয়েছেন রুহী’র মা-বাবা।

উল্লেখ্য ২০২২ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধিনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে (বিজ্ঞান বিভাগ) ১৬৪৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাশ করেছে শতভাগ। পাশকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৬৩ জন শিক্ষার্থী।

পাঠকের মতামত: