ঢাকা,শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাগানে নিষিদ্ধ পপি ফুল নিয়ে চাঞ্চল্য!

অনলাইন ডেস্ক ::
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের বাগানে সৌন্দয্যবর্ধক নানান ফুলের সমারোহ দেখা যায়। তবে এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে দেখা মিলেছে নিষিদ্ধ পপি ফুলের। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের মূল ফটকের সামনে ও ভেতরের বাগানে ১৫-১৬টি নিষিদ্ধ পপি ফুলের গাছ রয়েছে। বাগানের অন্যান্য ফুল গাছের আড়ালে বেড়ে উঠছে নিষিদ্ধ এই গাছ। বেশিরভাগ গাছেই ফুটেছে লাল ও সাদা রঙের ফুল। কিছু গাছে ফলও ধরেছে।

এর আগেও রাবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পপি গাছের উত্থান নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রশাসন।

এ বিষয়ে হলে দায়িত্বরত মালিরা জানান, অনেক আগে সৌন্দর্য্যবর্ধনের জন্য বাগানে পপি গাছ লাগানো হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো তুলে ফেলা দেয়া হয়। হয়তো গাছ থেকে বীজ পড়ে বর্তমানে গাছগুলো জন্ম নিয়েছে। আমরা নতুন করে কোন গাছ লাগাইনি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শায়খুল ইসলাম মামুন জিয়াদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। হলে কর্তব্যরত মালির সঙ্গে কথা বলে দেখছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে সব ধরনের ‘পপি’ গাছ লাগানো নিষিদ্ধ। সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য বাগানে লাগানোও বৈধ নয়। তাই নিষিদ্ধ এ পপি গাছ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গাছগুলো তুলে ফেলতে এখনি হল প্রভোস্টকে বলে দিচ্ছি।

উল্লেখ্য, পপি ফুলকে আফিম ফুলও বলা হয়। কারণ এ ফুল থেকেই তৈরি হয় ‘আফিম’। পপি ফুল দুই প্রজাতির। এক প্রজাতির ফুলের রস থেকে আফিম তৈরি হয়, অন্য প্রজাতি থেকে হয় না। কিন্তু দেশে সব ধরনের পপির চাষ নিষিদ্ধ।

 

পাঠকের মতামত: