ঢাকা,শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

চকরিয়ায় আওয়ামী লীগের শোক সভায় -জাফর আলম এমপি

যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে ঘুরে দাড়াতে লড়াই-সংগ্রাম করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া ::  ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সোমবার (১৫ আগস্ট) চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের উদোগে নানা কর্মসুচির মধ্যদিয়ে আলোচনা সভা, খতমে কোরান মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার আগে কক্সবাজার ১ আসনের সাংসদ আলহাজ জাফর আলমের নেতৃত্বে চকরিয়া পৌরশহরে শোক মিছিল বের করা হয়। পরে চকরিয়া থানা রাস্তার মাথাস্থ সিস্টেম কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন কক্সবাজার ১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, কক্সবাজারে জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক লায়ন কমরউদ্দিন আহমদ, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছৈয়দ আলম কমিশনার,যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ তালুকদার, প্রচার সম্পাদক আবু মুছা, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মো ওয়ালিদ মিল্টন, সহসভাপতি তপন কান্তি দাশ, চকরিয়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান জাহানারা পারভীন, সাধারণ সম্পাদক চকরিয়া উপজেলা পরিষদের বর্তমান নারী ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন হক জেসি চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাউছার উদ্দিন কছির, সিনিয়র সহসভাপতি পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুল হক মুজিব, সাবেক প্যানেল মেয়র বশিরুল আইয়ুব, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম সেলিম, চকরিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর রেজাউল করিম, চকরিয়া পৌর আওয়ামী লীগ নেতা লায়ন আলমগীর চৌধুরী, সাবেক ছাত্র নেতা জাবেদ হোসেন পুতুল, চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব হায়দার আলী, চকরিয়া উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আমির হোসেন আমু প্রমুখ। এছাড়াও আলোচনা সভা ও শোক দিবসের দিনব্যাপী কর্মসুচিতে চকরিয়া উপজেলা, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগ, উপজেলার আওতাধীন সকল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক, সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের সর্বস্থরের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি সাংসদ আলহাজ জাফর আলম বলেছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে ঘুরে দাড়াতে ও মর্যাদার আসনে পৌঁছাতে ইতিহাসের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান বাঙালি জাতি কোনদিন শোধ করতে পারবে না। তিনি টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ না করলে আজকের স্বনির্ভর স্বাধীন বাংলাদেশ একটি লাল সবুজ পতাকা পেত কী না যথেষ্ট সন্দেহ ছিল। অথচ জাতি হিসেবে আমরা কতটা মোনাফেক সেটি প্রমাণ হয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালোরাতে। সেইদিন এইদেশের কিছু পাকিস্তানী দালাল চক্রান্ত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করে বাঙালি জাতিকে অভিভাবকশুন্য করেছিলো।
সাংসদ জাফর আলম বলেছেন, ৭৫ সালে পাকিস্তানীদের দোসররা স্বপ্ন দেখেছিল জাতির পিতাকে হত্যা করে বাংলাদেশকে আবারও পাকিস্তান বানাবেন, কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরী দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়ে পাকিস্তানি দোসরদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে শুরু করে। আইনি মোকাবিলায় স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি ও জাতির পিতার খুনিদের বিচার বাংলার মাটিতে সম্পন্ন করে বাংলাদেশকে কলঙ্কমুক্ত করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে কলঙ্কমুক্ত করার মধ্যদিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন উন্নয়ন অগ্রগতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে যখনই উন্নতিশীল দেশের কাতারে মর্যাদার আসনে পৌঁছে দিচ্ছেন, তখনই বিএনপি জামাত জোট পেছনের দরজায় ক্ষমতায় আসতে নানাধরণের অপতৎপরতায় মেতে উঠেছে। তাই জাতির পিতার শাহাদাৎ বার্ষিকীর শোককে শক্তিতে পরিণত করে আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মী সবাইকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে জোরদার করার জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে দলের জন্য কাজ করতে হবে।

পাঠকের মতামত: