Home » পেকুয়া » পেকুয়ায় হামলায় নারীসহ আহত-২, বসতঘরে অগ্নি সংযোগ

পেকুয়ায় হামলায় নারীসহ আহত-২, বসতঘরে অগ্নি সংযোগ

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

sontrasi hamlaপেকুয়া অফিস ::

পেকুয়ায় রাজাখালী ইউনিয়নের বামুলা পাড়া গ্রামে সংঘর্ষে নারীসহ দু’জন গুরুতর আহত হয়েছে। ওই ঘটনার জের ধরে দুর্বৃত্তরা একটি বসতবাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে। পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটেছে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি করে।

 আহতরা হলেন, ওই এলাকার নুরুচ্ছবির ছেলে ওসমান (৩৫) ও এয়াকুব আলীর স্ত্রী ছাদেকা বেগম(৩৭)। আহতদের মধ্যে ওসমানের অবস্থা গুরুতর। তার চোখেও আঘাত করা হয়েছে। ওই ঘটনায় বামুলাপাড়া এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার সুবিধা নিতে তৃতীয় একটি পক্ষ এলাকায় সন্ধ্যার দিকে স্বশস্ত্র মহড়া দিয়েছে। পেকুয়া থানা পুলিশ উত্তেজনা প্রশমিত করতে দু’দফা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। জানাগেছে, ওইদিন সকালে মনু নামের এক ছেলেকে ইউপি সদস্য আজম উদ্দিনের লোকজন মারধর করছিল। মারধরের ওই দৃশ্যটি আবুল কালাম নামের এক ছেলে মুঠোফোনে ভিডিও ধারন করছিলেন। এর সুত্র ধরে ইউপি সদস্যের লোকজন তাকে মারধর করে।

 এনিয়ে স্থানীয় সাবেক মেম্বার জাবের আহমদ ও বর্তমান মেম্বার আজম উদ্দিনের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এদিকে একই ঘটনার জের ধরে বামুলাপাড়া এলাকার নবীর হোছনের বসতঘর আগুন ধরিয়ে ভস্মিভুত করা হয়েছে। জাবের মেম্বার পক্ষের দাবি প্রতিপক্ষদের ফাঁসাতে আজু মেম্বারের লোকজন নিজেরাই ঘর জ্বালিয়ে দেয়। পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করা হলে সেখানে এলাকাবাসিকে যেতে দেয়নি আজুর লোকজন। পেকুয়া থানার এস.আই শাহেদুল্লাহ জানান, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। ঘটনাটি তদন্ত চলছে। এখনো পর্যন্ত কোন পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

##########

পেকুয়ায় আ’লীগের জরুরী সভা অনুষ্টিত

পেকুয়া অফিস :::

পেকুয়ায় আ’লীগের এক জরুরী সভা অনুষ্টিত হয়েছে। ৩১ মার্চ ইউপি নির্বাচনে ভোট গ্রহনের দিন বিপদগামী বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব কর্তৃক উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কাসেমসহ ক্ষমতাসীন দলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে নির্দয় পিটিয়ে ও গুলি করে গুরতর আহত করে। ওই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিতসহ পরবর্তী পরিস্থিতি মুল্যায়নের জন্য উপজেলা আ’লীগ এ জরুরী সভায় মিলিত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পেকুয়া বাজারস্থ দলীয় প্রধান কার্যালয়ে এ জরুরী সভা অনুষ্টিত হয়েছে। উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাষ্টার আজমগীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আবুল কাসেমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌং বিটু, ফরিদুল আলম, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম, মোস্তাক আহমদ, যুগ্ন সম্পাদক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সিকদার বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফিজুর রহমান, ছৈয়দুল হক, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি জিএম কাসেম, মহিলা আ’লীগ নেত্রী উম্মে কুলসুম মিনু, আ’লীগ নেতা কাজিউল ইনসান, সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আযম খান, সম্পাদক বেলাল উদ্দিন, টইটং ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, বারবাকিয়ার সভাপতি আবুল হোসেন শামা, সম্পাদক কামাল হোসেন, উজানটিয়ার সভাপতি তোফাজ্জল করিম, শিলখালীর সম্পাদক বেলাল উদ্দিন, মগনামার সাধারন সম্পাদক রশিদ আহমদ, রাজাখালীর সম্পাদক আবুল কাসেম আযাদ, উজানটিয়ার সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দিন, যুবলীগ সম্পাদক মো.বারেক, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি ওসমান গনি মেম্বার, সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, ছাত্রলীগ সভাপতি কফিল উদ্দিন বাহাদুর প্রমুখ। এ সময় বক্তরা বলেছেন আ’লীগ সাধারন সম্পাদক কাসেমসহ নেতৃবৃন্দদের বিএনপি জামাতের ইশারায় বিপদগামী প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এ ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা অনেক ধর্য্য ধরেছি। সরকারী দলের লোকজন বলে আন্দোলন সংগ্রাম থেকে বিরত রয়েছি। তবে সরকারের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী পরিস্থিতি মুল্যায়ন করা হচ্ছে। এখনো পেকুয়ার প্রশাসন আ’লীগকে নিশ্চি‎হ্ন করার চক্রান্ত করছে। আমরা দ্রুত সিদ্ধান্তের দিকে যাচ্ছি। প্রয়োজনে দাবি বাস্তবায়নের জন্য কঠোর কর্মসুচী দেবে পেকুয়ায় আ’লীগ। বক্তরা নিন্দা জানিয়ে বলেছেন বেড়িবাধ সংস্কারে বিএনপির সভাপতি চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ এর সাথে সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী এড.কামাল হোসেন ফটো শেসনে মিলিত হয়েছে। বেড়িবাধ করছে সরকার। অথচ বিএনপি প্রচার করছে তাদের নেতার অর্থায়নে বেড়িবাধ সংস্কার হচ্ছে। আমরা ওই অপপ্রচার ও ফটোসেশনে মর্মহত হয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।