ঢাকা,সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

ইয়াবার নতুন রুট মহেশখালী

নিউজ ডেস্ক :: নেশার ট্যাবলেট ইয়াবার নতুন রুট কক্সবাজারের মহেশখালী। পাচার হচ্ছে শুঁটকির ট্রাকে করে। ছড়িয়ে পড়ছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এ কারবারে জড়িয়ে পড়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা, ব্যবসায়ী, দিনমজুরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ইয়াবা নিয়ে পুলিশের অবস্থান জিরো ট্রলারেন্স। পাচার রোধে সর্বাত্বক ব্যবস্থা নিয়েছে। মহেশখালীতে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। ’ অনুসন্ধানে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে মাছ ধরার ট্রলারে করে ইয়াবার চালান নিয়ে আসা হয় সেন্টমার্টিনের সাগর তীরবর্তী উপকূলীয় এলাকায়। ওখান থেকে মাছ ধরার ট্রলারে ইয়াবার চালান নিয়ে আসা হয় মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়ায়। ওখান থেকে স্পিড বোট কিংবা যাত্রীবাহী ট্রলারে ইয়াবার চালান নিয়ে আসা হয় মহেশখালীর মূল ভূখন্ডে। ইয়াবার চালান মহেশখালীর ঘোরকঘাটা, থানা রোড, আদালত রোড, রাখাইনপাড়া, কালারমারছড়া, আধারঘোনাসহ কয়েকটি এলাকায় মজুদ করা হয়।

পরে শুঁটকির ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছানো হয়। এ ছাড়া মহেশখালীতে প্রকাশ্যেই বিক্রি হয় ইয়াবা। এর সঙ্গে স্থানীয় কয়েক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, মহেশখালীর বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যেই বিক্রি হয় ইয়াবা। সাধারণ কিছু দোকানে পাঁচ হাজার থেকে ২০ হাজার পিসের ইয়াবার চালান হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়। তার ওপরের চালানগুলো অর্ডার দিয়ে নেয় ইয়াবা কারবারিরা। মহেশখালী থেকে শুঁটকি বহনকারী ট্রাকে করে চালান পৌঁছে যায় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। সুত্র : বিডি প্রতিদিন

পাঠকের মতামত: