ঢাকা,সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০

আমরা কক্সবাজারবাসী'র সমন্বয়ক সভায় বক্তারা

কক্সবাজার জেলার পরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ে দূর্নীতি করলে বরদাস্ত করা হবে না

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ::  আমরা কক্সবাজারবাসী সংগঠনের সমন্বয়ক সভায় বক্তারা বলেন, সম্প্রতি কক্সবাজারে মেগা প্রকল্প নিয়ে এলএ শাখায় ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যে এসব দূর্নীতির তদন্ত শুরু করেছে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ভয়াবহ দূর্নীতির ঘটনায় জড়িত সে যে-ই হোক তদন্তপূর্বক তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে, দ্রুত শহরের প্রধান সড়কসহ প্রতিটি অলিগলি সংস্কার করে মানুষের চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, মেজর (অবঃ) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার করতে হবে, জেলার সকল ভূমিহীনদের পূনর্বাসন করতে হবে, সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে, যার মতো করে সাইনবোর্ড লাগিয়ে জেলার এককনা জমিও দখল করা যাবে না, আইনের অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষের উপর অন্যায়-জুলুম করা যাবে না।

সংগঠনের সমন্বয়ক নাজিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের ঝাউতলা গাড়ির মাঠস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয়ক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী।

বক্তব্য রাখেন আমরা কক্সবাজারবাসী সংগঠনের সমন্বয়ক যথাক্রমে কমরেড কলিম উল্লাহ, সাংবাদিক মহসীন শেখ, কবি এম জসিম উদ্দিন, সাংবাদিক আনছার হোসেন, ফাতেমা আনকিস ডেইজি, মিজানুর রহমান বাহাদুর, মুজিবুল হক, মা টিন টিন রাখাইন এবং মংথেলা রাখাইন।

সভার শুরুতে দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করা হয়, তাছাড়াও সম্প্রতি টেকনাফে নিহত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের এবং করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করা জেলার বিশিষ্ট পর্যটন ব্যবসায়ী এম সায়েম ডালিমসহ অন্যান্য সকলের আত্নার মাগফিরাত কামনা করেন বক্তারা।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন আমরা কক্সবাজারবাসী সংগঠনের সংগঠক নুরুল কবির পাশা, কামাল উদ্দিন, দোলন ধর ও সদস্য মহি উদ্দিন মাহি প্রমূখ।

সমন্বয়ক সভায় বক্তারা আরো বলেন, পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দেখতে বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন৷ কিন্তু বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটিসহ সংশ্লিষ্টদের অবহেলার কারণে কিছু ব্যক্তি সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে ঝুপড়ি দোকান নির্মাণ এবং দোকান বিক্রি করে শ্রীহীন করে তোলা হয়েছে। কিন্তু এসব ঝুপড়ি উচ্ছেদ করতে আমরা কক্সবাজারবাসী সংগঠনসহ বিভিন্ন দিক থেকে দাবী তুলে আসলেও উচ্ছেদ করা হয়নি। অথচ সৈকতে ঝুপড়ি উচ্ছেদ করতে উচ্চ আদালতের রায়ও বিদ্যমান রয়েছে। তাই দ্রুত ঝুপড়ি উচ্ছেদ করে সৈকতকে উন্মুক্ত করতে হবে।

বক্তারা বলেন, সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্প কর্তৃক এনজিও কেন্দ্রীক স্থানীয়দের চাকুরী নিশ্চিতের দাবিতে আন্দোলন করায় আমরা কক্সবাজারবাসী সংগঠনের অন্যতম সদস্য উখিয়ার সাংবাদিক শরীফ আজাদসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা মামলা নিঃশর্তে প্রত্যাহার করতে হবে।

পাশাপাশি এনজিওগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থানীয়দের চাকুরী নিশ্চিতের দাবী জানান নেতৃবৃন্দরা।

আমরা কক্সবাজারবাসী সংগঠনের দাবী মানা না হলে জেলাব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন নেতৃবৃন্দরা।

পাঠকের মতামত: