ঢাকা,রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

কচ্ছপ গতিতে গোরকঘাটা-জনতা বাজার সড়কের সংস্কারকাজ; ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব সংবাদদাতা, মহেশখালী ::  উপজেলার গোরকঘাটা-জনতা বাজার সড়কের প্রায় ২০ কিলোমিটার জুড়ে সংস্কারকাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে চার ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ।

জানা যায়, জনতাবাজার থেকে গোরকঘাটা ও মাতারবাড়িসহ প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়কের কাজ বিগত ৬ মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে সম্প্রতি। তবে কাজের ধীর গতি হওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে হাঁটুজল পানি জমে যায় সড়কে। এই কারণে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় চালকসহ যাত্রী সাধারণকে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, মহেশখালী সদরে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম গোরকঘাটা-জনতা বাজার সড়ক। ২৭ কিলোমিটার সড়কের ওপর দিয়ে উপজেলার বড় মহেশখালী, হোয়ানক, কালারমারছড়া, মাতারবাড়ি ও ধলঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দারা উপজেলা সদরে যাতায়াত করে। কিন্তু বিভিন্নসময়ে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কবলে পড়ে হোয়ানক, কালারমারছড়া, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের অন্তত ২০ কিলোমিটার অংশ সড়ক খানাখন্দে ভরে গেছে। বর্ষা মৌসুমে গর্তে পানি জমে থাকায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত টমটমসহ ভারী যানবাহন।

কালারমারছড়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ শাহ ঘোনা এলাকার বাসিন্দা ফোরকান চকরিয়া নিউজকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বেশিরভাগ অংশই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কিন্তু বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় এলাকার লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত এ সড়ক দিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করছে। কালারমারছড়া চালিয়াতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার রফিক উদ্দিন বলেন, এক সময় উপজেলা সদরে যেতে ৪০ মিনিট সময় লাগত। কিন্তু এখন ভাঙা সড়কের কারণে সময় লাগছে দেড় থেকে দুই ঘণ্টার বেশি।

হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফা কামাল চকরিয়া নিউজকে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটি সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে তবে কাজ দ্রুত শেষ হলে জনদুর্ভোগ লাঘব হবে।

মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাস্টার মোহাম্মদ উল্লাহ চকরিয়া নিউজকে বলেন, মাতারবাড়িসহ গোরকঘাটা-জনতাবাজার সড়কের বেশিরভাগ অংশই ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে ভেঙে গেছে। তবে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ করা জরুরি।

উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার চকরিয়া নিউজকে বলেন, করোনাভাইরাস ও বৃষ্টির কারণে কিছুদিন সড়কের সংস্কারকাজ বন্ধ ছিল। যা এখন পুরোদমে শুরু হয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই সংস্কারকাজ শেষ হয়ে জনদুর্ভোগ লাগব হবে

পাঠকের মতামত: