Home » টেকনাফ » সেন্টমার্টিন দ্বীপে মোটরবাইক চালাতে মানা, তবুও চলছে ১২০টিরও বেশি!

সেন্টমার্টিন দ্বীপে মোটরবাইক চালাতে মানা, তবুও চলছে ১২০টিরও বেশি!

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

নিজস্ব প্রতিবেদক ::  পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সেন্টমার্টিন দ্বীপে জেঁকে বসেছে মোটরবাইক ব্যবসায়ীর একটি দল। সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন জেলা হতে আগত পর্যটকদের হাতিয়ে মুনাফা লাভ করাই তাদের অন্যতম টার্গেট। আর তাই ঘন্টায় ৫শ’ টাকা থেকে ৮শ’ টাকা পর্যন্ত ঘন্টায় মোটরবাইক ভাড়া দিচ্ছেন তারা। তাদের মধ্যে এক একজনের সাতটি থেকে আটটি মোটর সাইকেল রয়েছে। একই সাথে রঙিন পৃথিবীতে ডুবে থাকার জন্য বিক্রি হচ্ছে পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী হুইসকি, বিয়ারসহ ইয়াবা। সেন্টমার্টিন দ্বীপে একটি মহলের এমন কর্মকাণ্ডে অবাক হচ্ছেন পর্যটকরা। সীমিত টাকা নিয়ে ভ্রমণে এসে পড়তে হচ্ছে তাদের এমন ফাঁদে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের সাগরপাড়ে সাইনবোর্ড থাকলেও পরোয়া করছে না কেউ। পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা না মেনে স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও মোটরবাইক একটি আকর্ষণীয় মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। সেন্টমার্টিনের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য পর্যটকরা ভাড়ায় চালাচ্ছে এইসকল মোটরবাইক। প্রতিঘন্টা ৫০০ থেকে ৮০০টাকা ভাড়ায় এই মোটরবাইক চালাচ্ছে পর্যটকরা।মোটরবাইক রাস্তায় চলার কথা থাকলেও এসকল মোটরবাইক অচিরে চলছে সমুদ্রতীর ধরে, যার ফলে বিগ্নিত হচ্ছে সাগরস্নাত পর্যটকদের।
মোটরবাইক ব্যবসায়ি শুক্কুর বলেন, আমি আগে বাইসাইকেল ভাড়ায় লাগাতাম একটু বেশি মূনাফার আশায় মোটরবাইক ভাড়ার ব্যবসা শুরু করি। বর্তমানে আমার ৮টি মোটরবাইক আছে। সাগরে মোটরবাইক চালনায় নিষেধ করলে ও পর্যটকরা শুনে না।
সাধারণ পর্যটক আবু মুসা বলেন, ছোট ছোট বাচ্চারা সাগরপাড়ে মনপ্রাণ খুলে মুক্ত বিহঙ্ঘের মত উড়তে পারছে না। মা’য়েদের সৃষ্টি হচ্ছে দুর্ভোগ ও ভয়,সাগরপাড়েও স্বাধীনতা পাচ্ছেনা কোমলমতিগুলো। সাগরপাড়েও যেন বন্দি কোমলমতিদের জীবন। প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটারের এ দ্বীপে পর্যটকরা ঘুরতে বাইসাইকেল ও ভ্যান ব্যবহার করে । ছোট্ট এই দ্বীপে মোটরবাইকের প্রয়োজন আছে মনে করছিনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিভয়েসক বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে অভিযানের মাধ্যমে আমরা বিষয়টা নিয়মিত তদারকি করছি। সেন্টমার্টিন রক্ষায় বাংলাদেশ সরকার অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছেন। মোটরসাইকেলসহ ইঞ্জিল চালিত যানবাহন সৈকতে চলাচলের ব্যপারে টেকনাফ উপজেলা প্রসাশন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে এবং সেন্টমার্টিন রক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে সিএনজি অটোরিক্সা খাদে পড়ে গুরুতর আহত

It's only fair to share...000নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া ::  চকরিয়ায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ...

error: Content is protected !!