Home » কক্সবাজার » মহেশখালীর সোনাদিয়ায় শুটকি মাছ উৎপাদনের ধুম পড়েছে

মহেশখালীর সোনাদিয়ায় শুটকি মাছ উৎপাদনের ধুম পড়েছে

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সরওয়ার কামাল, মহেশখালী ::  মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের সোনাদিয়া দ্বীপে শুটকি মাছ উৎপাদনের ধুম পড়েছে। জীব বৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটি অনন্য সুন্দর দ্বীপ।দ্বীপটির আয়তন ৭ বর্গকিলোমিটার। কক্সবাজার জেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী চ্যানেলের মহেশখালী দ্বীপের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত সোনাদিয়া বঙ্গোপসাগর ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার চর এলাকায় হাজার হাজার জেলে ক্ষনস্থায়ী আবাস স্থান তৈরী করে ফিশিং কৃত মাছ শুকিয়ে, শুটকি মহাল তৈরী করে কোটি কোটি টাকার মাছ দেশে বিদেশে রপ্তানী করে স্বাবলম্বী হচ্ছে।সোনাদিয়ার প্যারাবন, চর, খাল ও মোহনায় নানা প্রজাতির মাছ ও অমেরুদন্ডী প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল। এখানে ৮০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। এখানে ১৯ প্রজাতির চিংড়ি, ৫৭ প্রজাতির শামুক-ঝিনুক এবং ৮ প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়।সোনাদিয়া ইসিএ-র খাল, মোহনা এবং তীরবর্তী সমুদ্র এলাকায় বৈশ্বিকভাবে বিপন্ন ইরাওয়াদ্দি ডলফিন, বটলনোজ ডলফিন এবং পরপয়েজ দেখা যায়। এছাড়া প্যারাবনে মেছো বাঘ ও উদবিড়াল আছে। স্থলভূমির বন্যপ্রাণীর মধ্যে শিয়াল ও বাদুর উল্লেখযোগ্য। শুটকি মাছের মধ্যে লইঠ্যা,চিংড়ি,ফাসিয়া,রুপচাদা,কামিলা, লাওক্ষা,করতি,চুরি,রুপসা,সুরমা ও বিভিন্ন প্রজাতের মাছ দৈনিক লক্ষ-লক্ষ টাকার মাছ ব্যবসায়ীরা ক্রয়-বিক্রয় করে। এই মূল্যবান মাছ গুলি চট্টগ্রামের আছদগঞ্জ, ঢাকা, সিলেট, উত্তরবঙ্গের বগুড়া, রংপুর, পাবনা, টাঙ্গাইল সহ দেশের বড়-বড় শহরে রপ্তানি করা হয় এবং বিদেশ আমেরিকা, বৃটেন, থাইল্যান্ড, জার্মান, সৌদিয়া, দুবাই সহ উন্নত দেশে রপ্তানি করে কোটি কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। এ ছাড়া ও কক্সবাজারের নাজিরার টেক, ধলঘাটার সাপমারার ডেইল এলাকায় মাছ শুকানোর ধুম পড়েছে বলে জানাগেছে। সোনাদিয়ার চরের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, চর থেকে কোটি কোটি টাকার শুকনা মাছ ক্রয়-বিক্রয় করে ঢাকা, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, চট্রগ্রাম, খাগড়াছড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে প্রচুর লাভবান হয়। ব্যবসায়ী ছৈয়দ হোসেন জানান, চর থেকে দৈনিক প্রায় লক্ষ-লক্ষ টাকার মাছ কিনে বিভিন্ন জায়গার আমার নির্ধারিত ব্যবসায়ীদের কে সাপ্লাই দিয়ে প্রচুর টাকা লাভবান হই। ব্যবসায়ী ও ফিশিং ট্রলারের মালিক মাহমদুল করিম জানান, আমি সুযোগ বুঝে সস্তা দাম দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ গুদামজাত করে রাখি তা বর্ষাকালে দাম চড়া হলে বিক্রি করা হয়। বর্তমানে শুটকি উৎপাদনে পুরো সোনাদিয়ার চর এলাকায় মাচা তৈরি করে জেলারা শুটকি উৎপাদন করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ইটভাটায় অভিযান লামায়, সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা আদায়

It's only fair to share...000নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া :: বান্দরবানের লামায় ৫টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ...

error: Content is protected !!