Home » Uncategorized » পেকুয়ায় গ্যাস লাইন স্থাপনে ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্ণবাসন করবে পেট্রোবাংলা

পেকুয়ায় গ্যাস লাইন স্থাপনে ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্ণবাসন করবে পেট্রোবাংলা

It's only fair to share...Share on Facebook268Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

পেকুয়া প্রতিনিধি :ররাি

পেকুয়ায় গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপন কাজ চলমান রয়েছে। গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপনে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক, চিংড়ি চাষী ও লবন চাষীদের পুর্নবাসনসহ অধিগ্রহনকৃত ভুমির মালিকদের শীগ্রই মূল্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পেট্রোবাংলা গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপন কাজ বাস্তবায়ন করছেন। কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা পযর্ন্ত প্রায় ৯২কি.মি. সঞ্চালন লাইন স্থাপনে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের পুনবার্সনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি চিঠি পেট্রোবাংলা বরাবর প্রেরন করা হয়েছে। জানাগেছে, ওই চিঠিটি কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়েও পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ওই চিঠিটি পেকুয়ায় ইউএনও বরাবর প্রেরন করা হয়েছে। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপনে ক্ষতিগ্রস্থদের অবশ্যই পুর্নবাসন জোরদার নিশ্চিত করার জন্য। এদিকে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার উজানটিয়া ইউনিয়নের জনগনের সাথে এসংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে। দুপুর ২টার দিকে পুর্ব উজানটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনির্ধারিত ওই মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছেন পেকুয়ার ইউএনও মো.মারুফুর রশিদ খান। তিনি ওইদিন পেট্রোবাংলার চলমান কাজ উজানটিয়ায় পরিদর্শন করেছেন। এসময় উপস্থিত জনতাকে ইউএনও আশ্বস্ত করেছেন গ্যাস সঞ্চালন লাইন বাস্তবায়ন কালে আপনারা যারা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন তাদেরকে পুনবাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়ন সংস্থাকে নির্দেশনা দিয়েছেন। কোন মানুষ এক্ষেত্রে বঞ্চিত হওয়ার অবকাশ নেই। সরকার উন্নয়ন কর্মকান্ড করছেন। কিন্তু উন্নয়নের কারনে কিছু মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। বৃহত কাজ বাস্তবায়ন করতে হলে সেখানে ক্ষুদ্র মানুষ ক্ষতিগ্রস্থও হওয়ার সম্ভবনা থাকে। এরপরেও বৃহত জনগোষ্ঠি ও দেশের স্বার্থে কাজ চলমান রাখতে হয়। এবিষয়টি প্রধানমন্ত্রী অত্যান্ত গুরুত্বের সাথে অনুধাবন করেছেন। যার প্রেক্ষিতে উজানটিয়াসহ কাজ চলমান এলাকায় মানুষকে পুনবাসনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসময় পুর্ব উজানটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে শত শত লোকজন জড়ো হন। উজানটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, জিটিসিএল প্রকল্প প্রকৌশলী মাহমুদুল আলম ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অনির্ধারিত ওই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।