Home » Uncategorized » চকরিয়ায় বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা আবছারের জবর দখল ও চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

চকরিয়ায় বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা আবছারের জবর দখল ও চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

চকরিয়া অফিস:

নানা অপর্কমের মূল হোতা খুটাখালী ইউনিয়নের বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা নুরুল আবছার বহুল আলোচিত দুই মামলার আসামী হলেও প্রকাশ্যে চলাফেরা আর পুলিশের বক্তব্য কোথাও দেখা মিলছেনা। পুলিশ বলছে সে পলাতক রয়েছেন। আর পুিলশ তাকে না আটক করায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অভিযুক্ত নুরুল আবছার উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেধাকচ্ছপিয়া গ্রামের মৃত ফজল করিমের পুত্র।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের দায়ে গত ৩বছর পূর্বে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এডভোকেট ওমর ফারুক শিবলী ও সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব। এর পর থেকে স্বেচ্ছাসেবকলীগের নাম ব্যবহার করে জমি জবর দখল, বনের মূল্যবান গাছ কেটে লুট সহ চাঁদাবাজী অব্যাহত রাখে। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শওকত হোসেন জানিয়েছেন, নুরুল আবছার নামে খুটাখালীতে স্বেচ্ছাসেবকলীগের কোন নেতা নেই।

স্থানীয় মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার ইসলাম আহমদের ছেলে দুবাই প্রবাসী জসিম উদ্দিন জানান, নুরুল আবছার ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে। বর্তমানে তার মালিকানাধীন ও পৈত্রিক জমি জবর দখল ও গাছ কেটে লুটের হুমকি দিচ্ছে। ওই যুবলীগ নেতার কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। একের পর এক অপরাধের কারণে সাধারণ মানুষ যুবলীগ নেতা আবছারের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ জিম্মী হয়ে পড়েছে। নানা অপরাধে তার বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। দুই মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। এদিকে খুটাখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল আজাদ বলেন, যুবলীগ থেকে বহিস্কারের পরও দলের নাম ব্যবহার করে অপরাধ মূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে নুরুল আবছার। তিনি সহ স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনতা প্রশাসনের কাছে বিহীত ব্যবস্থা নিতে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।