Home » তথ্য প্রযুক্তি » এ মাসেই দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের কার্যক্রম শুরু

এ মাসেই দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের কার্যক্রম শুরু

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ::1488719949
দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের পর এটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।
প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, শিগগিরই মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ভুটান এবং ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে ব্যান্ডউইথ রফতানির পরিকল্পনা করছে সরকার।
জানা গেছে, সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে চলে যাবে শক্তিশালী ক্যাবল। যার ফলে স্যাটেলাইটের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কম খরচ এবং অধিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে বিভিন্ন দেশকে সংযুক্ত করে সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্ক।
২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের বর্তমানে ব্যান্ডউউথ সক্ষমতা রয়েছে প্রায় ৪০০ জিবিপিএস। নতুন করে যুক্ত হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল থেকে পাওয়া যাবে আরো ১ হাজার ৫০০ জিবিপিএস। এর ল্যান্ডিং স্টেশন করা হয়েছে সাগরকন্যা কুয়াকাটায়।
এরই মধ্যে ঢাকার সঙ্গে ট্রান্সমিশন লিংক স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। এর ফলে কোনো দুর্ঘটনায় কক্সবাজারের প্রথম কেবলটি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও বিকল্প ব্যবস্থা থাকায় আর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না বাংলাদেশ। এছাড়া দক্ষিণের জেলাগুলোসহ সারাদেশে কম মূল্যের ইন্টারনেট সেবা দেয়ার পথও সুগম হবে।
নতুন সংযোগে বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশের ১৯টি প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত হয়েছে। এর কার্যকাল ধরা হয়েছে ২০ থেকে ২৫ বছর। তবে, আগের ৪০০ জিবিপিএসের মধ্যে এখনো যেখানে প্রায় ১০০ জিবিপিএস অব্যবহৃত রয়েছে, সেখানে নতুন করে ১ হাজার ৫০০ জিবিপিএস নিশ্চিত হওয়ায় বিদেশে রফতানির কথা ভাবছে সরকার। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা সরকার এবং বিএসসিসিএলের। বাকি টাকা ঋণ নেয়া হয়েছে বিভিন্ন দাতা সংস্থার কাছ থেকে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধনের পর বাণিজ্যিক এ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার পর বরিশাল, খুলনা, ফরিদপুর, পটুয়াখালীসহ এ অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা আরও স্বল্পমূল্যে দেয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
২০১৬ সালের শেষ নাগাদ দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ক্যাবল স্থাপনের কাজ শেষ না হওয়ায় চলতি বছরের শুরুতে তা হবে বলে জানিয়েছিল বিএসসিসিএল।
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেসিস) ট্রান্সমিশন লিংকের কাজ শেষ করেছে। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইডথের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে এবং এর ফলে ইন্টারনেটের দাম আরও কমবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

উত্তপ্ত চট্টগ্রাম কলেজ, সক্রিয় বিবদমান তিনটি গ্রুপ

It's only fair to share...000তাজুল ইসলাম পলাশ, চট্টগ্রাম : ২০১৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর শিবিরের ঘাঁটি ...