Home » পেকুয়া » পেকুয়ায় ভিকটিমের পরিবার অবরুদ্ধ

পেকুয়ায় ভিকটিমের পরিবার অবরুদ্ধ

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

biddo mohila pekuaপেকুয়া প্রতিনিধি ::

পেকুয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের মহিলাসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছে। ওই ঘটনার জের ধরে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। গত ৫ ফেব্রুয়ারী দুপুর ২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের  পুর্বমেহেরনামা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন ওই এলাকার আলী হোসেনের স্ত্রী মোতাহেরা বেগম (৫০) তার মেয়ে পহরচাঁদা ফাজিল মাদ্রাসার ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী মরিয়াম খাতুন (১৬) ও ছেলে তাজ উদ্দিন (১২)। তাজ উদ্দিন স্কুল ছাত্র বলে জানা গেছে। জানা গেছে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ওইদিন একই এলাকার মৃত আহমদ হোসেনের ছেলে কাইছার, নাজেম উদ্দিনের ছেলে রাসেল, আহমদ হোসেনের ছেলে নাজেম উদ্দিন, মৃত.মকছুদুর রহমানের ছেলে শামশুল আলম ভূঁইয়া ভাড়াটে লোকজন নিয়ে আলী হোসেন প্রকাশ কানা আলী হোসেনের বসতবাড়ীতে হানা দেয়। এ সময় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোতাহেরা বেগমকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় বৃদ্ধা মাতাকে উদ্ধার করতে তার মেয়ে মরিয়ম খাতুন ও ছেলে তাজ উদ্দিন এগিয়ে আসলে তাদেরকেও ওই দুর্বৃত্তরা পিটিয়ে আহত করে। এ সময় উত্তেজিত লোকজন ব্যাপক ভাংচুর চালায়। আহত মরিয়মের অবস্থা আশংকজনক হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। ঘটনার চার দিন অতিবাহিত হলেও এর জের ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভিকটিমের পরিবার কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হামলাকারীরা আরো অধিক ক্ষিপ্ত হয়েছে। স্থানীয়রা জানায় বর্তমানে ভিকটিমের পরিবারের চলাচল রুদ্ধ করা হয়েছে। পথে প্রভাবশালীরা তাদের এলাকা ছাড়ার প্রকাশ্যে হাকাবকাসহ হুমকি দিচ্ছে বলে আহতের পরিবারের সদস্যরা এ প্রতিবেদককে অভিযোগ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।