Home » উখিয়া » উখিয়ার বড়বিল খালের ব্রীজ নিমাণে ঠিকাদারের অবহেলায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

উখিয়ার বড়বিল খালের ব্রীজ নিমাণে ঠিকাদারের অবহেলায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

aaaফারুক আহমদ, উখিয়া ॥

উখিয়ার দক্ষিণ বড়বিল তচ্ছাখালী খালের উপর নির্মাণাধীন ব্রীজ নিমাণে দায়সারা ও অনিয়ম করায় ৫টি গ্রামের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগের সম্মুখীন হয়েছে স্কুল পড়–য়া কচিকাঁচা শিক্ষার্থীরা। দায়িত্ব প্রাপ্ত ঠিকাদারের খামখেয়ালীপনা ও অবহেলার কারণে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

 সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধিনে চলতি অর্থ বছরে ৩৫ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা ব্যয়ে উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়বিল তচ্ছাখালী খালের উপর ৪০ ফুট প্রস্ত ব্রীজের নিমার্ণ কাজ গত ২৮ এপ্রিল শুরু করা হয়। ব্রীজের নিমাণ কাজের দায়িত্ব পান ঠিকাদার মনির আহমদ। এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ব্রীজের নিমার্ণ কাজ শুরু করে। শুধু তাই নয় কাজ শুরু করতে না করতে হঠাৎ নিমার্ণ কাজ বন্ধ করে দেয় ঠিকাদার। ফলে বর্ষার মৌসুমে উপজেলা সদরের সাথে ৫টি গ্রামের সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ণ ভাবে বিছিন্ন হয়ে পড়ে।

 গতকাল সকালে এপ্রতিবেদক সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে স্কুলে পড়–য়া কচিকাঁচা শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি বাঁশের সাকোঁ দিয়ে পারাপার করছে। পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মর্জিনা বেগম ও তাসলিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ঠিকাদার পুরাতন ব্রীজটি ভেঙ্গে নতুন ব্রীজ নিমাণ করার সময় বিকল্প যাতায়তের জন্য কোন প্রকার ডাইভেশন বা কাঠের সেতু নিমাণ না করায় আজ আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে। অভিভাবকগণ ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, ঠিকাদারের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে এলাকার শত শত জনগণ, স্কুল ও কলেজ পড়–য়া ছাত্রছাত্রীরা চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হয়েছে। এমনকি যানবাহন যাতায়ত বন্ধ থাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহন করা যাচ্ছে না। সাবেক মেম্বার আবুল হাশেম সাংবাদিকদের জানান দায়িত্ব প্রাপ্ত ঠিকাদার ব্রীজের নিমার্ণ কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় ৫টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ বর্ষার মৌসুমে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, জনগণ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘব করার জন্য আজ মঙ্গলবার যাতায়ত সুবিধার লক্ষ্যে একটি ৪০ ফুটের কাঠের ব্রীজ নিমাণ কাজ শুরু করা হবে।

 স্থানীয় সচেতন জনগণ অবিলম্বে ব্রীজের নিমাণ কাজ বাস্তবায়ন ও যাতায়তের জন্য বিকল্প সেতু তৈরী করার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জোরদাবী জানিয়েছেন।

###############

 উখিয়ায় সৌদি প্রবাসীর বাড়ির মালামাল হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র

ফারুক আহমদ, উখিয়া ॥

উখিয়ার মাদারবনিয়া গ্রামে সৌদি প্রবাসীর বাড়ির মালামাল নিয়ে পালিয়ে গেছে প্রতারক চক্র। অসহায়ত্বের কথা বলে ছিদ্দিক আহমদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে রাতের আধাঁরে অর্ধ লক্ষ টাকার মূল্যবান মালামাল হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক দেলোয়ার হোসেন প্রকাশ মালেক।

পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী গ্রামের সিরাজুল হকের পুত্র মালেক কয়েক দিন আগে নিজের অভাব অনটনের কথা বলে জালিয়াপালং ইউনিয়নের মাদারবনিয়া গ্রামের ছিদ্দিক আহমদের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। বাড়িওয়ালা জানান, কয়েকদিন থাকার পর গত রবিবার বাড়ির মূল্যবান মালামাল চুরি করে রাতের আধাঁরে পালিয়ে যায়। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, মালেক একজন প্রতারক চক্রের সদস্য। বিভিন্ন স্থানে চুরি ও ছিনতায়ের ঘটনায় জড়িত রয়েছে। এছাড়াও চোরাকারবারী সদস্যদের ইয়াবা বহনকারী কাজেও সহায়তা করে। বিশেষ করে প্রতারক মালেক মোবাইল ছিনতায়ের সংঘবদ্ধ সদস্য বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এব্যাপারে বাড়িওয়ালা ছিদ্দিক আহমদ উখিয়া থানায় অবহিত করেছে বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।