Home » পেকুয়া » মগনামায় ক্ষতিগ্রস্থ বেঁড়িবাধ সংস্কার কাজ শুরু

মগনামায় ক্ষতিগ্রস্থ বেঁড়িবাধ সংস্কার কাজ শুরু

It's only fair to share...Share on Facebook268Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

mail.google.comইমরান হোসাইন, পেকুয়া.

পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু’র আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ ৭৩চেইন বেঁড়িবাধের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। মগনামা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ সংস্কার কাজ চলছে।

 সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘুর্ণিণঝড় রোয়ানুর আঘাতে মগনামা ইউনিয়নের ৯৬টি পয়েন্টে ৭৩চেইন বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সেগুলো হল শরতঘোনা অংশে ৫পয়েন্টে ৭চেইন, পুরাতন বহদ্দার পাড়া অংশে ৬পয়েন্টে ১ চেইন, পশ্চিম কূল অংশে ৩পয়েন্টে চেইন, চেপ্টা খালী অংশে ১পয়েন্টে ৩চেইন, লম্বা খালী থেকে ডলইন্যা পাড়া অংশে ১৩পয়েন্টে ৮চেইন, ডলইন্যা পাড়া থেকে কাকপাড়া পর্যন্ত ৪ চেইন বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে গেছে। বেঁডিবাধে এসব ক্ষতিগ্রস্থ অংশ দিয়ে জোয়ার-ভাটা অব্যাহত থাকায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দেয়। লবন মাঠ ও চিংড়ি ঘের ভেসে যাওয়ায় ক্ষতির পরিমান দাড়ায় কয়েক শত কোটি টাকা। ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু’র আঘাত হানার পর প্রায় এক মাস অতিবাহিত হলে গেলেও ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ সংস্কার করা না হওয়াতে জনর্দূভোগের পাশাপাশি অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয় এসব এলাকায়। তাই, জনর্দূভোগের কথা চিন্তা ক্ষতিগ্রস্থ মানুুষদের সাথে নিয়ে বেডিবাঁধ সংস্কারের দূঃসাহসিক উদ্যোগ নেন মগনামা ইউপি’র চেয়ারম্যান নিজেই। বিভিন্ন এলাকা সচেতনা মিটিং করেন তিনি। এতে এগিয়ে আসেন এলাকাবাসীরা। চিংড়ি ঘের মালিক, জমিদার শ্রেণির ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিরা বাড়িয়ে দেন সহযোগীতার হাত। এ সংস্কার কাজে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯০লক্ষ টাকা।

  সোমবার(১৩জুন) সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ৭অংশে বিলিন হওয়া বেড়িঁবাধ সংস্কার কাজ শুরু করা হয়। ১৩টি অত্যাধুনিক স্কেলেভেটরের সমন্বয়ে চলছে এক মহা কর্মযজ্ঞ। চট্টগ্রাম থেকে নদীপথে ফেরিযোগে আনা হয় এসব স্কেলেভেটর। তিন শিফটে তিনজন চালক প্রতিটি স্কেলেভেটর চালাচ্ছেন। এতে করে, রাত দিন ২৪ঘন্টায় এক মিনিটও থেমে নেই সংস্কার কাজ।

 মগনামা ইউপি’র চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম বলেন, মগনামাবাসীকে সমুদ্রের জোয়ারের পানি থেকে বাচানোর জন্য নিজস্ব উদ্যোগে বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। আমার ব্যক্তিগত তহবিল এবং স্থানীয়দের সহযোগীতায় বর্তমানে সংস্কার এগিয়ে চলছে। আগামী তিনদিনের মধ্যে এ সংস্কার কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

 ###############

পেকুয়া বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

ইমরান হোসাইন, পেকুয়া.

পেকুয়া বাজারে রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা, ওজনে কারচুপি, ফুটপাত দখল, অবৈধ গাড়ি পকিংসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়েছে।

 পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মারুফুর রশীদ খানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া থানা এসআই ওয়াহিদুজ্জামান ও সঙ্গীয় ফোর্স।

 এসময় পেকুয়া বাজারের ৪জন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমান আদালত। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১হাজার টাকা করে জরিমানা আদায় করা হয়।

 নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মারুফুর রশীদ খান বলেন, রমজান মাস জুড়ে এ অভিযান অব্যহত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।