ঢাকা,রোববার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

‘বিশেষ ব্যবস্থায়’ ১৪ দিনের জন্য সবকিছু বন্ধ ঘোষণা পেকুয়ায়

পেকুয়া প্রতিনিধি :: পেকুয়ায় বিশেষ ব্যবস্থায় ২ সপ্তাহের জন্য সবকিছু বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত ২৫ জুন পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

পেকুয়ায় সংক্রমণের হার তেমন বেশী না হলেও জনসমাগমপূর্ণ এলাকা সমূহ নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষেই এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।

করোনার প্রাদুর্ভাব রোধে গঠিত পেকুয়া উপজেলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈকা শাহাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিকি মারমা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মুজিবুর রহমান, পেকুয়া থানার প্রতিনিধি এসআই আতিকুর রহমান মজুমদার, পেকুয়া উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি এডভোকেট কামাল হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সস্মেলন প্রস্থতি কমিটির সদস্য সচিব আবুল কাশেম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সালামত উল্লাহ খান প্রমূখ।

সভায় জানানো হয়, সপ্তাহের শনিবার ও মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সব রকমের দোকানপাট ও কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। বাকী সময় সবকিছু বন্ধ থাকবে। ব্যাংক খোলা থাকবে রবি, মঙ্গল ও বৃহষ্পতিবার। ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যের গাড়ি বিধি নিষেধের বাইরে থাকবে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল আজম চকরিয়া নিউজকে জানান, উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পুলিশের পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা মাঠে থাকবে। তবে অন্যান্য এলাকার অভিজ্ঞতার আলোকে বন্ধের এ সময়ে স্বেচ্ছাসেবকরা যাতে সুযোগ নিয়ে লোকজনকে হয়রানি করতে না পারে সে ব্যাপারে তাদেরকেও বিশেষ নজরদারীতে রাখা হবে।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈকা শাহাদাত চকরিয়া নিউজকে জানান, যেহেতু পেকুয়াকে ‘রেডজোন’ ঘোষণা করা হয়নি সেহুতু এটাকে ‘লকডউন’ বলা যাবে না। সংক্রমণ ঠেকাতে জনসমাগমপূর্ণ এলাকাসমূহ নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যেই আমরা বিশেষ ব্যবস্থায় আগামী দুই সপ্তাহের জন্য সবকিছু বন্ধ ঘোষণা করেছি। তিনি বলেন, এই সময়টাতে বাজার এলাকাসমূহে বিশেষ নজর রাখা হবে।

উল্লেখ্য মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১ শত ৩৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে তাদের মধ্য থেকে ৯৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্য হতে এ পর্যন্ত ৭০ জন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বাকী ২২ জনের মধ্যে ২১ জনই হোম আইসোলেশনে আছেন এবং বাকী ১ জন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন।

পাঠকের মতামত: