ঢাকা,মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

পেকুয়ায় বড় বোনের বিয়ের ১ দিন আগে ছোট বোন উধাঁও

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ::  কক্সবাজারের পেকুয়ায় বড় বোনের বিয়ের ১ দিন আগে প্রেমিককে নিয়ে পালালো ছোট বোন ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী রেশমা আক্তার (১৩)। বিয়ের পিঁড়িতে বসতে কিশোরী মেয়েটি গভীর রাতে পিতার বাড়ি ছেড়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬ষ্ট শ্রেনীর মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত ছাত্রী রেশমা আক্তারের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছেনা। প্রেমিককে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছে সে।

গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) গভীর রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সিরাদিয়া গ্রাম থেকে ওই ছাত্রী পালিয়েছে। রেশমা আক্তার ওই এলাকার কামাল হোছাইনের মেয়ে। সে জালিয়াখালী হেদায়তুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ছাত্রীর পিতা কামাল হোছাইন ১৩ জুন পেকুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সুত্র জানায়, ১২ জুন গভীর রাতে কামাল হোছাইনের মেয়ে জালিয়াখালী হেদায়তুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী রেশমা আক্তারকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একই এলাকার জামাল হোছাইনের ছেলে সোহেল (২২) নামক বখাটে আমার মেয়েকে তার সাঙ্গ পাঙ্গু নিয়ে রাতে জোরপূর্বক আমার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেছে।

মেয়েটি অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক। সবে মাত্র ৬ষ্ট শ্রেনীতে পড়ে। তার রোল নং ০৪। সোহেল বখাটে যুবক। সে মাদক সেবনকারী। অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আমার বাড়ির ঘিরা বেড়া ভাংচুর করে জোর করে আমার নাবালিকা নিয়ে নিয়ে গেছে। এ সময় একটি স্বর্ণের চেইন ও নগদ ১ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

রেশমা আক্তারের বড় বোন হাদিছা বেগমের বিবাহের দিনক্ষণ চুড়ান্ত হয়েছে। ফটিকছড়িতে আমার মেয়ে হাদিছাকে বিবাহ দিচ্ছিেআগামী কাল রবিবার (১৪ জুন) হাদিছার বিয়ের দিন নির্দিষ্ট ছিল। বিয়ের অর্থ ও অন্যান্য দ্রব্যাদি ক্রয় করে বাড়িতে সংরক্ষন করেছি। বড় বোনের বিয়ের আগের দিন রাতে আমার ছোট মেয়ে রেশমা আক্তারকে জোর করে তুলে নেয়া হয়েছে।

আমি এ ঘটনায় চরম ব্যথিত ও মর্মাহত হয়েছি। রেশমা আক্তারের ভাবী ফজলু আক্তার ও তাসনিম বেগম জানান, আমার শাশুড়ী জালিয়াখালীতে পিতার বাড়িতে গিয়েছিল দাওয়াত করতে । আমরাও ঘুমিয়ে পড়েছি। ওই সময় ৫/৬ অস্ত্রধারী যুবক জন লোক বাড়িতে রেশমাকে জোরপূর্বক নিয়ে গেছে।

জালিয়াখালী হেদায়তুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা হাসান রব্বানী জানান, মেয়েটি আমার প্রতিষ্টানের ৬ষ্ট শ্রেনীতে পড়ে। বিষয়টি আমি শুনেছি।

পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠকের মতামত: