Home » কক্সবাজার » পেকুয়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর ভবন নির্মাণে সীমাহীন অনিয়ম-দূর্নীতি!

পেকুয়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর ভবন নির্মাণে সীমাহীন অনিয়ম-দূর্নীতি!

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া ::  মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর ভবনের নির্মাণ কাজে ব্যাপক সীমাহীন অনিয়ম-দূর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, কাজটি বাস্তবায়ন করছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়। আর কাজ বাস্তবায়নের জন্য কার্যাদেশ পেয়েছেন মেসার্স ছালেহা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্টান। স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ জাফর আলম বিএ অনার্স এমএ চলতি বছরের ৫ মার্চ পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া বাজারের পশ্চিম পাশের্^ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন।

তবে অভিযোগ উঠেছে, কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্টান গত এক মাস পূর্বে যেনতেনভাবে নিন্মমানের ইটের কংকর, বালি ও সিমেন্ট দিয়ে বেইজ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছে। এরপর ভবনের পিলার ঢালাইয়ের কাজ করলেও কাজ তদারককারী সংস্থা পেকুয়া এলজিইডির প্রকৌশলী জাহেদুল আলম চৌধুরী রহস্যজনক কারণে নিরব রয়েছে।

তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারের সাথে পেকুয়া এলজিইডির দূর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর প্রকৌশলী জাহেদুল আলম চৌধুরী আঁতাত করায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর ভবনের নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে। স্থানীয়রা আরো জানান, এলজিইডির অধীনে বাস্তবায়নকৃত প্রতিটি উন্নয়ন কাজে উপজেলা প্রকৌশলী জাহেদুল আলম চৌধুরী ঠিকাদারের সাথে আঁতাত করে ঘুষ বানিজ্যে জড়িয়ে পড়ে। এ প্রকৌশলী পেকুয়া উপজেলায় যোগদান করার পর থেকে এলজিইডির যতগুলো উন্নয়ন কাজ হয়েছে সব কাজের গুনগত মান প্রশ্নবিদ্ধ।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদক ১৬ জুলাই বিকালে সরেজমিনে বারবাকিয়া বাজারের পশ্চিম পাশের্^ সরেজমেনি পরিদর্শন করে দেখতে পান, মুক্তিযুদ্ধ স্মুতি জাদুঘর ভবনের সামনে নি¤œমানের ইটের কংকর, বালু ও অতি নি¤œমানের ইট স্তুপ করা হয়েছে।

এসময় স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, নিন্মমানের ইটের খোয়া, বালি ও সিমেন্ট দিয়ে ভবনের বেইজ ঢালাই দেওয়া হয়েছে। শিডিউল অনুসরণ করা হয়নি। ভবনের পিলার তৈরীতেও নি¤œমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। শিডিউল অনুযায়ী পিলারের লোহাও দেওয়া হয়নি।

জানা গেছে, কাজ বাস্তবায়নের জন্য মেসার্স ছালেহা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পেলেও এ ঠিকাদারী প্রতিষ্টান কাজ বাস্তবায়ন না করে পেকুয়া সিকদার পাড়ার বাসিন্দা রেজাউল করিম মুন্না নামের এক লোক কাজটি কিনে নিয়ে দায়সারাভাবে বাস্তবায়ন করছেন। সাব কন্ট্রাকে কাজ বাস্তবায়নের নিয়ম না থাকলেও পেকুয়া এলজিইডির প্রকৌশলী জাহেদুল আলম চৌধুরীকে ম্যানেজ করেই রেজাউল করিম মুন্না কাজটি বাস্তবায়ন করছেন।

এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো: জাহেদুল আলম চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি ১৭ জুলাই সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখবেন কাজে অনিয়ম হচ্ছে কিনা। ঠিকাদার কর্তৃক সাব কন্টাকে কাজ বিক্রির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদার আর রেজাউল করিম মুন্না পার্টনার ব্যবসা করে। তাই কাজটি মুন্না দেখাশুনা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

জঙ্গি অর্থায়ন মামলা: শাকিলাসহ ৯ জনের নামে পরোয়ানা

It's only fair to share...000ডেস্ক নিউজ :: র‌্যাবের অভিযানে চিহ্নিত জঙ্গি সংগঠন ‘শহীদ হামজা ব্রিগেডকে’ ...

error: Content is protected !!