ঢাকা,শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামে ধান মজুদ হুমকিতে, পানির নীচে ফরেষ্ট চেকপোষ্ট

জহিরুল আলম. সাগর, চকরিয়া :
১০দিনের টানা ভারি বর্ষনে ও মাতামুহুরী নদীতে উজান থেকে নেমে আসা বানের পানিতে হুমকির সম্মুখিন রয়েছে চকরিয়ার চিরিঙ্গা
খাদ্য গুদামে সরকার ঘোষিত সংগ্রহ ও মজুদকৃত ধান। ফলে খাদ্য গুদাম থেকে সংগ্রহকৃত ধান চুক্তিবদ্ধকৃত রাইচমিলে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে পানিতে ডুবে আছে চিরিংগা খাদ্য গুদাম সংলগ্ন নলবিলা ফরেস্ট চেকপোষ্ট,কর্মকর্তার বাসভবন ও ফরেষ্টবিট জামে মসজিদসহ অসংখ্য স্থাপনা।
সরে জমিনে গিয়ে খাদ্য গুদাম অফিস সূত্রে জানাগেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী চকরিয়ার চিরিঙ্গা খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রান্থিক কৃষকের কাছ থেকে ধানক্রয় কর্মসূচির আওতায় চকরিয়ায় ১ম ও ২য় পর্যায়ে মোট ১৪৮২ মে: টন এবং পেককুয়ায় ১ম ও ২য় পর্যায়ে মোট ৫৬২ মে:টন সর্বমোট ২০৪৪ মে: টন ধান সংগ্রহের কথা থাকলেও অদ্য ১৩ জুলাই’১৯ পর্যন্ত সংগ্রহ হয়েছে চকরিয়ায় ৭১৫ মে:টন ও পেকুয়ায় ১৪৫ মে:টন,মোট ৮৭০ মে:টন ধান। এসব ধান মজুদ রয়েছে পুরাতন ২,৩ ও ৪নং গুদামে। এসব গুদামে বিগত সময়ে বন্যায় গিয়েছিল। বর্তমানে মাতামুহুরী নদীতে বানের পানি বৃদ্ধির কারণে পুরাতন গুদামে পানি ঢোকার আশঙ্খা রয়েছে। যার কারণে চুক্তিবদ্ধকৃত রাইচমিলে জরুরী ভিত্তিতে রাইচজাত (ছাটাই) করার জন্য হস্তান্তর করা হচ্ছে এবং অবশিষ্ট ধান নতুন নির্মিত ১ নং গুদামে রাখা হচ্ছে। এমনকি বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হলে মজুদকৃত অবশিষ্ট পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
অপরদিকে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফাসিয়াখালী রেঞ্জের আওতাধীন নরবিলা ফরেষ্ট চেক পোষ্টের বিটকর্মকর্তার বাসভবন, মসজিদসহ অসংখ্য স্থানে বন্যার পানিতে ডুবে আছে। বনবিভাগের স্টাফদের থাকার কোন ব্যবস্থা না থাকায় চরম কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। এজন্য সংশ্লিষ্টরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ পূর্বক নতুন পাকা ঘর নির্মানের জন্য দাবী জানিয়েছেন। প্রতি বছর বন্যায় সম্পূর্ণরূপে ডুবে যায় নলবিলা ফরেষ্ট চেক পোষ্টের সবকটি বাসভবন।

পাঠকের মতামত: