Home » কক্সবাজার » চকরিয়ায় চিংড়িঘের ডাকাতের গুলিতে কাঁকড়া ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় ২১জনের নামে হত্যা মামলা

চকরিয়ায় চিংড়িঘের ডাকাতের গুলিতে কাঁকড়া ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় ২১জনের নামে হত্যা মামলা

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

এম.মনছুর আলম, চকরিয়া (কক্সবাজার) : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চরণদ্বীপ চিংড়ি জোনে আধিপাত্য বিস্তার নিয়ে ডাকাতের গুলিতে আবদুল হামিদ (৩৩) নামের এক কাঁকড়া ব্যবসায়ী নিহতের ঘটনায় চকরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ চারিল্যা ঘোনার দক্ষিন মাথাস্থ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের বড় ভাই উপজেলার চিরিংগা বুড়িপুকুর এলাকার আহমদ হোসেনের ছেলে আবদুল আজিজ (৪০) বাদি হয়ে ঘটনারদিন রাতে চকরিয়া থানায় পনের জনের নাম উল্লেখ্য করে আরো ৫-৬জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে মামলাটি করেছেন। পুলিশ মামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ডাকাতদলের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। চিরিংগা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ চারাইল্যার আগার মাথাস্থ এলাকায় ডাকাত আবদু ছালাম তার ভাই আবদুল কাদের ও বাহাদুর গ্রুপের মধ্যে চিংড়ি জোন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দফায় দফায় গোলাগুলি হয়। ওইদিন বৃহস্পতিবার সকালের দিকে আবদু ছালামের লোকজন এলাকায় এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কাঁকড়া ব্যবসায়ী আবদুল হামিদ নামের এক ব্যক্তিকে তার বসতঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুলিবিদ্ধ করা হয়। পরে সে ঘটনাস্থলে মারা যায়। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পরে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ১৩ জুন বিকাল ৩টা থেকে আবদুস সালাম ও বাহাদুর গ্রæপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টানা ৯ ঘন্টা গোলাগুলি হয়। ঘটনা শুনে চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মতিউল ইসলাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত চরণদ্বীপ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করতে ওসিকে নির্দেশ দেন। কিন্তু বিকালে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়েও চলে আসেন। ফলে বেপরোয়া হয়ে উঠে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।
গোলাগুলির পরদিন ১৪ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে ও গুলি করে আবদুল হামিদকে হত্যা করে সালামের নেতৃত্বে তার বাহিনীর লোকজন।
এদিকে আজ শুক্রবার বিকালে এএসপি কাজী মতিউল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় সাথে ছিলেন ওসি হাবিবুর রহমানসহ একদল পুলিশ। এএসপি হামিদের নিকটাত্মীয়সহ এলাকার লোকজনের কাছ থেকে গোলাগুলি ও হত্যার নানা তথ্য সংগ্রহ করেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: হাবিবুর রহমান বলেন,চিরিংগা চরণদ্বীপ এলাকায় চিংড়ি ঘেরে আবদুল হামিদ নামের এক ব্যক্তি নিহতের ঘটনায় তার বড় ভাই আবদুল আজিজ বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারভুক্ত আসামীকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মাদক কারবারিদের হচ্ছে সমন্বিত তালিকা

It's only fair to share...000বাংলাদেশ প্রতিদিন ::  ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীদের সমন্বিত একটি তালিকা তৈরির কাজ ...

error: Content is protected !!