Home » কলাম » দলীয় প্রতীক যেন হযরত সোলায়মান (আঃ) এর আংটি

দলীয় প্রতীক যেন হযরত সোলায়মান (আঃ) এর আংটি

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

m.r-mahmod,,এম.আর মাহমুদ :
অবশেষে মেয়াদ পূর্তির পর এবার নতুনভাবে দলীয় প্রতীকে সারাদেশে পৌর ও ইউপি নির্বাচন দেখার সৌভাগ্য হবে আমজনতার। অতীতে দেশের মানুষ দলীয় প্রতীকে সংসদ নির্বাচন দেখলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেখেনি। বর্তমান সরকারের বদান্যতায় এবার দলীয় প্রতীকে পৌর ও ইউপি নির্বাচন দেখবে। যা গত সংসদ নির্বাচনের পর বর্তমান সরকার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে দলীয় প্রতীকে ইউপি ও পৌর নির্বাচন করার আইন পাশ করেছে। পৌরসভার সিংহভাগ নির্বাচন ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। নির্বাচন কিভাবে সম্পন্ন হয়েছে তার মূল্যায়ন জনগণ ভালভাবে করছে!

প্রথম দফায় ইউপি নির্বাচন শুরু হচ্ছে ২২ মার্চ। আর ১০টি পৌর নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে ২০ মার্চ। প্রবাদ আছে, ‘সকালেই বুঝা যায় সারাদিন কেমন যাবে’ তারপরও দলীয় মনোনয়ন নিয়ে প্রথম দফা ইউপি নির্বাচনে অনেক প্রার্থী মাঠে নেমেছে। দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে গিয়ে আ’লীগ ও বিএনপি’র ঘাম ঝরছে। দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে গিয়ে বেশিরভাগ এলাকায় মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগও বেশুমার। মনোনয়ন বঞ্চিতরা অভিযোগ করছে, সারা জীবন রাজনীতি করেছি, কিন্তু দল মূল্যায়ন করেনি। আবার অনেকেই বলছে, ‘ওসব কি দরকার, দল করি টাকা কামাই, মনোনয়নও আমরা পাই।’ কোন কোন ক্ষেত্রে মনোনয়ন বঞ্চিতরা কলা গাছ নিয়ে প্রতিবাদ করছে। বিদ্রোহী প্রার্থীও হচ্ছে। গ্রামের প্রবীণদের অভিমত, পাথরে ধান রোপন করলে যেমন ফল পাওয়া যায় না আর রাস্তায় কলা গাছ রোপন করলেও মনোনয়ন পাওয়া যায় না। ‘যতই করুক শিব সাধনা, হিজড়ার কখনও সন্তান হবে না।’ আর যারা ভাগ্যবান, দলের প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছে তাদের অভিমত, জনপ্রিয়তার কি দরকার, দলের প্রতীক পেলেই হয়। দলের প্রতীক যেন, তাদের কাছে হযরত সোলায়মান (আঃ) এর আংটি। বিশেষ করে নৌকা প্রতীকের জন্য আ’লীগের নেতাকর্মীরা যেন পাগল প্রায়, ধানের শীষের জন্য প্রার্থী থাকলেও তারা অনেকটা পা ভাঙ্গা মুরগীর মত শিয়ালের সামনে অসহায়। দলের পক্ষ থেকে তৃণমূলের বেশক’জনের নাম কেন্দ্রে পাঠালেও মনোনয়ন পাচ্ছে একজন। বঞ্চিতরা চরম হতাশায় হাবুডুবু খাচ্ছে। সান্তনা দিতে পাচ্ছে না মনকে, বুঝাতে পারছে না ভোটার, পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনকে। অতীতে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদে যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হত, সকলেই এ-ক্লাসের লোকজন। তাদেরকে পাবলিক সমীহ করত। তারা এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজ-কর্ম করতে ভুল করত না। সে সময়ও রাজনীতি ছিল। তবে স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন কোনদিন কেউ দেখেনি। অতীতে যেসব ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হতো, তাদের কথা যুগে যুগে মানুষ স্মরণ করছে। এখন যারা নির্বাচিত হবে তারা হবে নির্ধারিত দলের নেতাকর্মী। তারা কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা আছে, তা মূল্যায়ন করবে নির্বাচন শেষে। ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে একটি গ্রাম্য আদালতও চালু রয়েছে। সে আদালতও আর নিরপেক্ষ থাকবে না। গ্রাম্য আদালতও দলীয় করণের রাহুগ্রাসে চলে যাবে। ইউপি নির্বাচনের শুরুতেই নাকি অনেক ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র জমা দিতে পারেনি। প্রথম দফা নির্বাচনে অর্ধশতাধিক চেয়ারম্যান গত সংসদ নির্বাচনের মত ভোটবিহীন নির্বাচিত হতে যাচ্ছে। ছোটবেলায় যখন খৎনার কথা শুনেছি, তখনি কান্নাকাটি করেছি। তারপরও খৎনা করেছে। খৎনা করতে গিয়ে কি কষ্ট পেয়েছি, তা এখনও স্মরণ আছে। আর যদি মায়ের পেট থেকে খৎনা করা শিশু জন্ম হয় (পয়গাম্বরী খৎনা) সে কিভাবে বুঝবে খৎনার যন্ত্রণা। বর্তমানে শাসকদলের প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে বলে বেড়াচ্ছে, দলের প্রতীক পেলে বিজয়ী হতে জনগণের ভোটের প্রয়োজন হবে না। এভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তৃণমূল পর্যায়ে পর্যন্ত দলীয়করণ করা হয়, নির্বাচনের প্রয়োজন কি? রাষ্ট্রীয় কোষাগারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নির্বাচনের আয়োজন করার কোন যৌক্তিকতা নেই। একজন নাগরিকের ভোটাধিকার যদি এভাবে কেড়ে নেয়া হয়, তাহলে পাবলিক ভোটের উপর আস্তা হারাবে। সাধারণ ভোটারেরা ভোট কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী হবে না। এরশাদ জামানায় সে সময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুম ডাঃ আবদুল মতিন সংসদে বলেছিলেন, ৫ হোন্ডা ১০ গুন্ডাই ভোট নিতে যথেষ্ট। তাদের পতনের পর একটি স্লোগান সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল, ‘আমার ভোট আমি দিব, যাকে ইচ্ছা তাকে দিব।’ এ স্লোগান কবর রচিত হয়েছে গত সংসদ নির্বাচনের পর। গ্রামের সাধারণ মানুষ দল বুঝে না। যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দিতে চায়। ইতিমধ্যে এলাকায় একটি কথা সকলের মুখে শোনা যাচ্ছে, ‘দলের জন্য যত ত্যাগী-ই হোক, টাকা না থাকলে মনোনয়ন পাওয়া যাবে না।’ নির্বাচিত হওয়ার পর ওইসব জনপ্রতিনিধি ভোটের জন্য ব্যয় করা টাকা তার কাছ থেকে সংগ্রহ করবে তা নিয়ে মন্তব্যের প্রয়োজন নেই। যায় যদি যাক প্রাণ, হিরকের রাজা হবে ভগবান। এমন মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন হলে একদিন জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। আমজনতা আগামী ২০ ও ২২ মার্চের পৌর ও ইউপি নির্বাচন দেখার আশায় দিন কাটাচ্ছে। ভোট গ্রহণে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তারা এখনই বলতে শুরু করেছে, আমাদের করার কি আছে? কর্তার ইচ্ছায় কীর্তন গাইব। যারা সরকারি চাকুরী করে তাদের হাত-পা বাঁধা। কেছুর মত মেরুদন্ড নেই। যদি নড়াচড়া করতে না পারতাম, তাহলে উদ্ভিদ বললে সমস্যা হত না। আমরা প্রজাতন্ত্রের গোলাম। যে সরকার ক্ষমতায় থাকে, তারই ইচ্ছায় কাজ করি। সেদিন চায়ের দোকানে এক বেরসিক প্রবীণ ব্যক্তি হঠাৎ বলতে শোনা গেল, আজ থেকে ৫০ বছর আগেও মানুষ চা খেয়েছে, তখনও চায়ের কাপে ফুঁ দিত, এখনও ফুঁ দেয়, কিন্তু তখনকার ফুঁ আর এখনকার ফুঁ’র মধ্যে পার্থক্য ব্যাপক। তখন চায়ের কাপে ফুঁ দিত দুধের সর সরানোর জন্য, এখন ফুঁ দেয়, পটের দুধের ফেনা সরানোর জন্য। সে সময়ের জনপ্রতিনিধি ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যবধানও অনুরূপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চট্রগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩১২টি ইটভাটা থেকে কর পাচ্ছে না সরকার

It's only fair to share...000অনলাইন ডেস্ক, চট্রগ্রাম :: পরিবেশ আইন মেনেই ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নে উৎস কর, লাইসেন্স ফি ও ভ্যাটসহ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিতেহয় সরকারকে। চট্টগ্রামের ৩১২ অবৈধ ইটভাটা থেকে এই তিন খাতে কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। এতেসরকার প্রতি বছর ১৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। তবে বৈধ–অবৈধ ইটভাটা থেকে ৬০ লাখটাকার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪০৮টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা হচ্ছে ৯৬টি। অবৈধ ইটভাটা৩১২টি। অবৈধ ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের কর পাচ্ছে না। তবে কর না পেলেও সকল ইটভাটা থেকেভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করা হয়। চলতি মৌসুমে (২০১৭–১৮) ইটভাটা থেকে ভূমি উন্নয়ন করেরলক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার বিপরীতে (গত জুন পর্যন্ত) খাজনা আদায় করা হয়েছে৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেশি। জেলা রাজস্ব সভায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার মধ্যে উচ্ছেদ মামলা রয়েছে একশটির বিরুদ্ধে। ২০টিতেনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩০টিতে আদালতের স্থগিত মামলা রয়েছে। ৩০টি মামলার নোটিস জারিকরা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারীকমিশনারকে (ভূমি) জেলার মাসিক রাজস্ব সভায় অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের খামখেয়ালি ওউদাসীনতায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশবাদীদের। প্রশাসন ও পরিবেশঅধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম চলে আসছে। বিভিন্নঅনুষ্ঠানের নামে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটার লাইসেন্স গ্রহণে জেলা প্রশাসনকে উৎস কর ৪৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি পাঁচশ টাকা এবং পরিবেশঅধিদপ্তরকে ১২ হাজার পাঁচশত টাকার সাথে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। ভ্যাটসহ ১৪,৩৭৫ টাকাদিয়ে পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হয়। ইট পোড়াতে প্রাথমিকভাবে এই দুই সংস্থাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা গুণে লাইসেন্সগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে অবৈধ ৩১২টি ইটভাটা থেকে এই ধরণের কোনো কর পাচ্ছে না সরকার। বছরেরপর বছর অবৈধভাবে চলে আসছে এসব ইটভাটা। এজন্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দুষছেনপরিবেশবাদীরা। অপরদিকে, উৎপাদিত ইটপ্রতি আয়করে চলছে শুভংকরের ফাঁকি। এক–চতুর্থাংশ ইট উৎপাদনদেখিয়ে আয়কর প্রদান করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। একাধিক ইটভাটার ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি ট্রাকে আড়াই থেকে তিন হাজার ইট পরিবহনকরা হয়। প্রতি হাজার ইট পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি দেখিয়ে আয়কর চালান দেয়া হয়। এছাড়াএকটি গাড়ি একাধিক ট্রিপ গাড়ি চালালেও দিনে শুধুমাত্র একটি চালান নিয়ে ইট পরিবহন করা হয়। এছাড়াওগাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার ইট পরিবহন দেখিয়ে ভ্যাট চালান তৈরি করা হয়। এছাড়াও একটি ইটভাটায়এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০–৫০ লাখ ইট পোড়ানো হয়। কিন্তু আয়কর বিভাগকে দেখানো হয় উৎপাদিত ইটের এক–চতুর্থাংশ। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চলে আসছে। অর্থাৎ শহরতলীউপজেলাতে ইটভাটা প্রতি ৬–৭ লাখ টাকা আর সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়াসহ অন্যান্য উপজেলার ইটভাটাগুলোর ক্ষেত্রে৪–৫ লাখ টাকা ‘মুঠো কর’ প্রথা চালু রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বোয়ালখালী উপজেলার দুটি ইটভাটার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারের সাথে কথা বলে আয়করে এইশুভংকরের ফাঁকির তথ্যটি পাওয়া যায়। একটি ইটভাটার ম্যানেজার জানান, এক চালানে পুরোদিন ইট পরিবহনকরা হয়। কিন্তু শহরে পরিবহনের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যাট চালান দিতে হয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় জুন মাসের খাজনা আদায়ের তথ্যে দেখা যায়, চান্দগাঁও থানা এলাকার ইটভাটাথেকে খাজনা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪শ টাকা। মিরসরাই উপজেলায় ২ লাখ ২৪,৮১২ টাকা, সীতাকু– উপজেলায় ৭ লাখ ৪৯,২৯৯ টাকা, সন্দ্বীপে ৫ হাজার একশ টাকা, ফটিকছড়ি উপজেলায় সাত লাখ ৪৯,১৪০ টাকা, হাটহাজারী উপজেলায় ৯ লাখ ১৫,৭৫০ টাকা, রাউজান উপজেলায় ২ লাখ ৮০,২১০ টাকা, রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় ৪লাখ ১০,৫৫০ টাকা, বোয়ালখালী উপজেলায় ৮৪,৪০০ টাকা, পটিয়া উপজেলায় ৪২,৯৭৬ টাকা, আনোয়ারাউপজেলায় ১৮,৪৮০ টাকা, চন্দনাইশ উপজেলায় ৪ লাখ ৪১,৩৪০ টাকা, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০ লাখ২৬,৪৩৫ টাকা, লোহাগাড়া উপজেলায় ৭ লাখ ৫০,৫০৩ টাকা, বাঁশখালী উপজেলায় ৯৮,৮০৮ টাকা আদায় করাহয়েছে। মোট আদায় করা হয়েছে ৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। ...