Home » কক্সবাজার » ইয়াবা ডন শাহজাহান আনসারীর বাড়িতে যৌথ বাহিনীর অভিযান

ইয়াবা ডন শাহজাহান আনসারীর বাড়িতে যৌথ বাহিনীর অভিযান

It's only fair to share...Share on Facebook501Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

বিশেষ প্রতিবেদক:  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়সহ ৫ টি সংস্থার তালিকাভুক্ত মাদক কারবারী শাহজাহান আনসারীর বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে যৌথ টাস্কফোর্স। তবে, সবাই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে পারেনি অভিযানকারীরা। উদ্ধার হয়নি কোন ধরণের মাদকদ্রব্য।
বুধবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২ টা থেকে শহরের বাসটার্মিনাল সংলগ্ন ইয়াবা ডন শাহজাহান আনসারী ছাড়াও তার ভাই আবু সুফিয়ান আনসারী ও আবুল কাশেম আনসারীর বাসায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী।
শাহজাহান আনসারী কক্সবাজার জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন (ডিএফএ)এর সহসভাপতি ও সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক।
শাহজাহান আনসারীদের বাড়ীতে অভিযানের পর হোটেল মোটেল জোনের জামান হোটেল, লেগুনা বীচে অভিযান চালায় টাস্কফোর্স। তবে, কোন ধরণের মাদকদ্রব্য বা সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করতে পারেনি তারা।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও ডিএসবি) মাসুদ রব্বানি।

সাথে ছিলেন- কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মুজিবুর রহমান পাটওয়ারী, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবর রহমান, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন খন্দকার, র‌্যাবের ডিএডি মুহাম্মদ জহির, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক তালুকদারসহ র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
অভিযানের ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের তালিকামতে শীর্ষ কিছু মাদক বা ইয়াবা ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে,প্রথমে শাহজাহান আনচারী,পরে তার ভাই আবু সুফিয়ান,রশিদ আনচারী কাসেম আনচারীর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে তবে অভিযানের সময় বাড়িতে কেউ ছিল না। তাই মাদক বা কাউকে আটক করা যায় নি। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও ডিএসবি) মাসুদ রব্বানি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান সব সময় চলবে। যত বড় প্রভাবশালীই হউক না কেন ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, অভিযানের খবরে আগেভাগেই সবাই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এমনকি বাড়িতে কোন মহিলা পর্যন্ত ছিলনা। সে কারণে কাউকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে স্বীকৃত ইয়াবা গডফাদার শাহজাহান আনচারীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না দেওয়া ক্ষোভের মধ্যেছিল সাধারণ ক্রীড়ামুদিসহ সচেতন মহল। কারন আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে অনেক শীর্ষ ইয়াবাডন গা ঢাকা দিলেও শাহাজাহান আনসারী ছিল প্রকাশ্য এবং জেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আকড়ে ধরেই সে পার পেয়ে যাচ্ছিল একই সাথে জেলার ক্রীড়াঙ্গনকে ধ্বংস করে আসছিল। বেশ কয়েকজন সাবেক কৃতি ফুটবলারদের দাবী শাহজাহানের ইয়াবার ছোবলে কক্সবাজার থেকে রাইজিং স্টাল হয়ে ইংলেন্ডের ম্যান চেষ্টার সিটিতে যাওয়া ফুটবলার ইব্রাহিম বাবু এবং ফাহিম এখন খেলা ছেড়ে ইয়াবা পাচারে জড়িয়ে পড়েছে। একই সাথে তার প্রধান সহযোগি হিসাবে কাজ করছে আরেক সাবেক খেলোয়াড় মোঃ হানিফ এবং তার সাথে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িতদের বেশির ভাগই স্থান হয়েছে এখন ডিএফএর কর্মকর্তা হিসাবে। যেমন খালেদ, আমির হোসেন, টেকনাফের ফরহাদ। একই সাথে জেলা ক্রীড়া সংস্থার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে প্রকাশ্য পৃষ্টপোষকতা করে তার কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য শাহজাহান আনসারীর দাদার বাড়ি টেকনাফ উপজেলায়। কয়েক বছর আগেও শহরের বাসটার্মিনালে গাড়ীর লাইনম্যান হিসাবে কাজ করতো আনসারী। ইয়াবার পরশে কয়েক বছরের মধ্যে কলাতলীতে ২ টি হোটেলসহ আলিসান বাড়ি গাড়ীর মালিক বনে যায়। সর্বশেষ তার কেনা গাড়ীর দাম ৮৫ লাখ টাকা বলে বিভিন্ন সুত্রে খবর পাওয়া গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কেউ রাখেনি হাফিজা’র খবর !

It's only fair to share...50100মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা :: বান্দরবানের লামায় পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ...

error: Content is protected !!