Home » কক্সবাজার » অবশেষে চকরিয়ায় চাষের আওতায় ২৫০০ একর জমি

অবশেষে চকরিয়ায় চাষের আওতায় ২৫০০ একর জমি

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া ::

চকরিয়া উপজেলার বরইতলী, হারবাং, লক্ষ্যারচরসহ একাধিক ইউনিয়নে বেশকটি পুরানো ভরাটখাল কেটেই পানি সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ। ইতোমধ্যে তিনি উপজেলার এসব ইউনিয়নে উপস্থিত থেকে দীর্ঘদিনের ভরাট হয়ে পড়া খাল গুলো খনন কাজ শুরু করেছেন। হাজি ইলিয়াছ এমপির বিশেষ তদবিরে মন্ত্রানালয়ের বরাদ্দের আলোকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের অর্থায়নে চলমান এসব খাল খনন কাজ বর্তমানে এগিয়ে চলছে। খাল গুলো খননের মাধ্যমে মাতামুহুরী নদীর মিঠাপানির সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় অবশেষে উপজেলার এসব ইউনিয়নে নতুন করে চাষের আওতায় আসছে অন্তত আড়াই হাজার একর জমি। দীর্ঘদিন পর জমিতে চাষাবাদ নিশ্চিত হচ্ছে জেনে এলাকার হাজারো কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

সর্বশেষ ৯ এপ্রিল উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের পুরানো ভরাখাল ও বাইচ্ছ্যাছড়া খালের খনন কাজ উদ্বোধন করেছেন চকরিয়া পেকুয়া আসনের সাংসদ হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ। ওইসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য রেহেনা খানম রাহু, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তাফা কাইছার, চকরিয়া উপজেলা জাতীয় পাটির সভাপতি আলহাজ গিয়াস উদ্দিন মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, এমপির সহকারি নাজেম উদ্দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য ও এলাকার সুধীজন।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তাফা কাইছার বলেন, তাঁর ইউনিয়নে বহমানভরাখাল ও বাইচ্ছ্যাছড়া খালের পানি সুবিধা নিয়ে এলাকার কৃষকরা প্রতিবছর চাষাবাদ করতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে খাল গুলোতে পলিজমে ভরাট হয়ে পড়ার কারনে পানি সুবিধা বঞ্চিত হওয়ায় কৃষকরা আর চাষাবাদ করতে পারতো না। গত বর্ষা মৌসুমে আউশের বাম্পার ফলন হলেও আগাম বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে এলাকার পুরো জমি ডুবে যায়, ফলে ভাগ্যাহত হন কৃষকগন। জমিতে চাষ করলেও ঢলের কারনে পানিতে ধানক্ষেত ডুবে যাওয়ায় কেউ ফসল ঘরে তুলতে পারেনি। ওইসময় নলবিলা আর পূর্বনলবিলার চাষীদের খয় ক্ষতির পরিমান নির্ণয় হয় প্রায় তিন কোটি টাকা। তিনি বলেন, এলাকার কৃষক ও জনগনের দুর্ভোগ লাগবে অবশেষে হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ খাল দুটি খননের মাধ্যমে পানি সুবিধা নিশ্চিত করেছেন। পাশপাশি খাল গুলো খননের কারনে বর্ষাকালে ইউনিয়নের জনগন বন্যার তান্ডব থেকে অনেকটা মুক্ত হবে।

জানতে চাইলে চকরিয়া-পেকুয়া আসনের এমপি হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, এলাকার কৃষক ও জনগনের দুর্ভোগ লাগবে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ভরাট খাল গুলো খননের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আশাকরি খাল গুলো খননের ফলে কৃষকরা চাষের জন্য নিশ্চিন্তে সেচ সুবিধা পাবে। পাশাপাশি আগামী বর্ষামৌসুমে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি সহজে খাল গুলো দিয়ে নিচে নেমে যাবে। তাতে বন্যার কবল থেকে মুক্ত থাকবে এলাকার জনসাধারণ। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

লামায় বজ্রপাতে ২শিশুসহ ৫ নারী শ্রমিক গুরুতর আহত

It's only fair to share...21100মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ::  বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে বজ্রপাতে দুই ...