Home » টেকনাফ » টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির বনভোজন ঘীরে উচ্ছ্বাস

টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির বনভোজন ঘীরে উচ্ছ্বাস

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page
াাাপ্রেস বিজ্ঞপ্তি ::

সবুজ বৃক্ষের অপরূপ প্রকৃতি টেকনাফের নেচার পার্কে বনভোজনকে ঘীরে বৃহস্পতিবার বসে ছিল সাংবাদিকদের মিলন মেলা। যেখানে টেকনাফে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের পাশাপাশি অংশ নিয়ে ছিলেন কক্সবাজার জেলা শহরে কর্মরত সাংবাদিক ওসাংবাদিক নেতারা। একই সঙ্গে এ মিলন মেলায় শামিল হয়েছেন প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিও।
টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির বার্ষিক বনভোজন ও সম্মেলনকে ঘীরে দিনব্যাপী এ আয়োজন ছিল জমজমাট। আলোচনা সভা, প্রীতিভোজ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে সকলেই প্রাণখুলে আনন্দ উপভোগ করেন।
সকালে মোটর সাইকেল শুভযাত্রা টেকনাফ শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির সকলেই অবস্থান নেন নেচার পার্কে।
ওখানে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে গিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শফিউল আলম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: জাহিদ ইকবাল।
এসময় উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘সাংবাদিকদের বিভিন্ন ধরনের সংগঠনিক পরিচয় থাকতে পারে। সব কিছু ভুলে সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধতা দেখতে চাই আমি।’
এরপর পর্যায়ক্রমে উপস্থিত হন, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সমকালের কক্সবাজার অফিস প্রধান আবু তাহের, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সদস্য ও দৈনিক আজকের কক্সবাজার এর নিবার্হিী সম্পাদক এডভোকেট আয়াছুর রহমান, প্রথম আলোর কক্সবাজার অফিস প্রধান ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস রানা, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলম, টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন, টেকনাফ সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গুরা মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, টেকনাফ বন্দরের ব্যবসায়ী এম কায়সার জুয়েল, টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান খোন্দকার, ওসি (তদন্ত) কবির হোসেন, টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হুদা, টেকনাফ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা রফিক উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার মিলি, হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী, ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল চৌধুরী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মংচালু চৌধুরী, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ছৈয়দ হুমায়ুন মোর্শেদ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নুরুল আবছার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার ধর, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আশিষ বোস, ইউআরসির ইনষ্ট্রাক্টর মো: ইলিয়াছ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শ্রুতিপূর্ণ চাকমা, টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা সাদেকুর রহমান, রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসার অধ্যক্ষ কামাল হোছাইন, কানুনগো মো: মুসা, ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো: হানিফ, স্থল বন্দরের ব্যবস্থাপক (অপারেশন) আবু নুর খালিদ, টেকনাফ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো: শাহজাহান মনির, ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক নুর কাসেম, হ্নীলা বিএনপির সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী, রঙ্গিখালী মহিলা মাদরাসার সুপার হাফেজ মো: ফখরুল ইসলাম ফারুকী, বিট কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন ইলাহী, পল্লী বিদ্যুৎ টেকনাফ কার্যালয়ের এডিজিএম শহীদ উল্লাহ, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি জাহেদ সরওয়ার সোহেল, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক হিমছড়ির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাসানুর রশিদ, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কক্সবাজার প্রতিনিধি ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুপা আলম, বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি শংকর বড়–য়া রুমি, সময় টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী সদস্য সুজা উদ্দিন রুবেল, দৈনিক হিমছড়ির সিনিয়র রিপোর্টার ছৈয়দ আলম, টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারি হাফেজ আহমদ, শিল্পী অনিল কুমার শীল সহ সরকারি দায়িত্বশীল সংস্থার প্রতিনিধি, পত্রিকা এজেন্ট, পত্রিকা বিক্রেতা সহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের লোকজন।
এতে আগত অতিথিদের শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট উপহার প্রদান করেন টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি হাফেজ মো: কাশেমের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মু: ছিদ্দিকুর রহমান এর নেতৃত্বে অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়া ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরষ্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে বার্ষিক বনভোজন ও সম্মেলনের মনোগ্রাম সম্বলিত টি শার্ট, কেপ ও ডায়েরী প্রদান করা হয়।
এতে টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির মমতাজুল ইসলাম মনু, সাইফুল ইসলাম সাইফী, গিয়াস উদ্দিন, আবদুর রহমান, আবদুল কাইয়ুম, জসিম উদ্দিন টিপু, নুরতাজুল মোস্তফা শাহীন শাহ, জিয়াউল করিম জিয়া, জিয়াবুল হক, আবুল আলী, মো. শাহজাহান, নুর হাকিম আনোয়ার, গিয়াস উদ্দিন ভুলু, হেলাল উদ্দিন, এটিএন ফায়সাল, সৈয়দুল আমিন চৌধুরী, সাইফুদ্দিন মো. মামুন, নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ সেলিম, জসিম উদ্দিন মাহমুদ, এম আবদুল হক, আবছার কবির আকাশ, রাশেদুল করিম, এম আমান উল্লাহ আমান, হারুন সিকদার, মো. আলম শাহীন, মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চট্রগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩১২টি ইটভাটা থেকে কর পাচ্ছে না সরকার

It's only fair to share...000অনলাইন ডেস্ক, চট্রগ্রাম :: পরিবেশ আইন মেনেই ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নে উৎস কর, লাইসেন্স ফি ও ভ্যাটসহ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিতেহয় সরকারকে। চট্টগ্রামের ৩১২ অবৈধ ইটভাটা থেকে এই তিন খাতে কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। এতেসরকার প্রতি বছর ১৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। তবে বৈধ–অবৈধ ইটভাটা থেকে ৬০ লাখটাকার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪০৮টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা হচ্ছে ৯৬টি। অবৈধ ইটভাটা৩১২টি। অবৈধ ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের কর পাচ্ছে না। তবে কর না পেলেও সকল ইটভাটা থেকেভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করা হয়। চলতি মৌসুমে (২০১৭–১৮) ইটভাটা থেকে ভূমি উন্নয়ন করেরলক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার বিপরীতে (গত জুন পর্যন্ত) খাজনা আদায় করা হয়েছে৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেশি। জেলা রাজস্ব সভায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার মধ্যে উচ্ছেদ মামলা রয়েছে একশটির বিরুদ্ধে। ২০টিতেনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩০টিতে আদালতের স্থগিত মামলা রয়েছে। ৩০টি মামলার নোটিস জারিকরা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারীকমিশনারকে (ভূমি) জেলার মাসিক রাজস্ব সভায় অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের খামখেয়ালি ওউদাসীনতায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশবাদীদের। প্রশাসন ও পরিবেশঅধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম চলে আসছে। বিভিন্নঅনুষ্ঠানের নামে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটার লাইসেন্স গ্রহণে জেলা প্রশাসনকে উৎস কর ৪৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি পাঁচশ টাকা এবং পরিবেশঅধিদপ্তরকে ১২ হাজার পাঁচশত টাকার সাথে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। ভ্যাটসহ ১৪,৩৭৫ টাকাদিয়ে পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হয়। ইট পোড়াতে প্রাথমিকভাবে এই দুই সংস্থাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা গুণে লাইসেন্সগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে অবৈধ ৩১২টি ইটভাটা থেকে এই ধরণের কোনো কর পাচ্ছে না সরকার। বছরেরপর বছর অবৈধভাবে চলে আসছে এসব ইটভাটা। এজন্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দুষছেনপরিবেশবাদীরা। অপরদিকে, উৎপাদিত ইটপ্রতি আয়করে চলছে শুভংকরের ফাঁকি। এক–চতুর্থাংশ ইট উৎপাদনদেখিয়ে আয়কর প্রদান করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। একাধিক ইটভাটার ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি ট্রাকে আড়াই থেকে তিন হাজার ইট পরিবহনকরা হয়। প্রতি হাজার ইট পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি দেখিয়ে আয়কর চালান দেয়া হয়। এছাড়াএকটি গাড়ি একাধিক ট্রিপ গাড়ি চালালেও দিনে শুধুমাত্র একটি চালান নিয়ে ইট পরিবহন করা হয়। এছাড়াওগাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার ইট পরিবহন দেখিয়ে ভ্যাট চালান তৈরি করা হয়। এছাড়াও একটি ইটভাটায়এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০–৫০ লাখ ইট পোড়ানো হয়। কিন্তু আয়কর বিভাগকে দেখানো হয় উৎপাদিত ইটের এক–চতুর্থাংশ। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চলে আসছে। অর্থাৎ শহরতলীউপজেলাতে ইটভাটা প্রতি ৬–৭ লাখ টাকা আর সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়াসহ অন্যান্য উপজেলার ইটভাটাগুলোর ক্ষেত্রে৪–৫ লাখ টাকা ‘মুঠো কর’ প্রথা চালু রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বোয়ালখালী উপজেলার দুটি ইটভাটার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারের সাথে কথা বলে আয়করে এইশুভংকরের ফাঁকির তথ্যটি পাওয়া যায়। একটি ইটভাটার ম্যানেজার জানান, এক চালানে পুরোদিন ইট পরিবহনকরা হয়। কিন্তু শহরে পরিবহনের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যাট চালান দিতে হয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় জুন মাসের খাজনা আদায়ের তথ্যে দেখা যায়, চান্দগাঁও থানা এলাকার ইটভাটাথেকে খাজনা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪শ টাকা। মিরসরাই উপজেলায় ২ লাখ ২৪,৮১২ টাকা, সীতাকু– উপজেলায় ৭ লাখ ৪৯,২৯৯ টাকা, সন্দ্বীপে ৫ হাজার একশ টাকা, ফটিকছড়ি উপজেলায় সাত লাখ ৪৯,১৪০ টাকা, হাটহাজারী উপজেলায় ৯ লাখ ১৫,৭৫০ টাকা, রাউজান উপজেলায় ২ লাখ ৮০,২১০ টাকা, রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় ৪লাখ ১০,৫৫০ টাকা, বোয়ালখালী উপজেলায় ৮৪,৪০০ টাকা, পটিয়া উপজেলায় ৪২,৯৭৬ টাকা, আনোয়ারাউপজেলায় ১৮,৪৮০ টাকা, চন্দনাইশ উপজেলায় ৪ লাখ ৪১,৩৪০ টাকা, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০ লাখ২৬,৪৩৫ টাকা, লোহাগাড়া উপজেলায় ৭ লাখ ৫০,৫০৩ টাকা, বাঁশখালী উপজেলায় ৯৮,৮০৮ টাকা আদায় করাহয়েছে। মোট আদায় করা হয়েছে ৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। ...