Home » পার্বত্য জেলা » লামায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত-২০, আটক-২

লামায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত-২০, আটক-২

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

ddমোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি ঃ

লামায় দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে একটি পারিবারিক কলহের গ্রাম্য শালিশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে লামা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এসময় মোঃ সেলিম (৩৯) ও মোঃ জসিম উদ্দিন(২২)কে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৭টায় রুপসীপাড়া ইউনিয়নের বৈদ্যভিটা ও লামা পৌরসভার ছাগলখাইয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ৪ জনকে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহতরা হল, মনির হোসেন(২০), মির হোসেন(৬০), মোঃ শাহাদাৎ (২২) ও মোঃ জাকির(২৩)।

জানা গেছে, লামা পৌরসভার ছাগলখাইয়া গ্রামের যদু মিয়া (৫০) সাথে তার স্ত্রীর ছাগলখাইয়া এলাকার কাঞ্চন মালার মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। গত সোমবার রাতে স্বামী ও স্ত্রী পক্ষের লোকজন স্থানীয়ভাবে বিরোধটি মিমাংসার জন্য ছাগলখাইয়া এলাকায় একত্রিত হলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে যদু মিয়া গুরুতর আহত হলে তাকে লামা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতে বৈদ্যভিটা এলাকার মোঃ জসিম ও মোঃ জাকির ছাগলখাইয়া একটি দোকানে চা পান করতে আসলে ছাগলখাইয়া এলাকার লোকজন তাদের উপর হামলা চালায়। মোবাইলে খবর পেয়ে বৈদ্যভিটা এলাকার লোকজন পাল্টা হামলা চালায়। এতে করে ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলতে থাকে। খবর পেয়ে লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাহাবুব এর নের্তৃত্বে ২৫/৩০ জন পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাহাবুব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।