Home » পেকুয়া » পেকুয়া থানা ক্যাশিয়ারের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট জনগণ, মাসিক আয় ৩০ লক্ষ টাকা

পেকুয়া থানা ক্যাশিয়ারের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট জনগণ, মাসিক আয় ৩০ লক্ষ টাকা

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

pekua-dc-newনিজস্ব প্রতিবেদক :::
কক্সবাজার পেকুয়া থানায় কনষ্টেবল আবুল কাসেম যোগদারের পর তাকে ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজে লাগিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্যশিয়ারের দায়িত্ব দেয়ার ফলে পেকুয়ায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বেপরোয়া চাদাঁবাজীতে ক্ষুব্দ হয়ে উঠেছে ছোট-বড় ব্যবসায়ীসহ সাধারন জনগন। থানা কর্মকর্তার ভয় দেখিয়ে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, পেকুয়া থানার ক্যাশিয়ার কাসেম পুলিশের ম্যাচের একজন কুকার। সেই সুবাদে তাকে ম্যাচের বাজারের দায়িত্ব দেয়া হয়। ফলে সর্বত্র চাঁদাবাজি চলেছে তার। জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটা, পাহাড়কাটা মাটি সরবরাহ দিয়ে, ভেজাল মসল্লা ব্যবসায়ী, সিলিন্ডারভর্তি অবৈধ সিএনজি গ্যাস ব্যবসার গাড়ী, ভ্যানগাড়ী, ট্রলি, টমটম, অটো রিক্সা,টেক্সি, জীপ,বাস, ট্রাক সহসকল গাড়ী পেকুয়ায় ভিতর চলাল করলে মাসিক ৩ শত থেকে এক হাজার, চিংড়ী পোনা, গাছ লাকড়ী ভর্তি গাড়ী ও মালবাহী গাড়ী রাস্তার উপর থামিয়ে তার দাবীকৃত চাদাঁ আদায় করে যাচ্ছে।এ ছাড়া পাহাড় কাটার জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের সাথে আতাত করে থানা প্রশাসন ম্যানেজ করার কথা বলে পাহাড় কাটায় সম্পৃক্ত মাটি বহন কারী ট্রাক/ডাম্পার থেকে ৩শ-থেকে ৫শত টাকা করে আদায় করছে।এভাবে সে এবং প্রতিটি সেক্টরে তার নিয়োজিত লোক দিয়ে প্রতিমাসে আদায় করছে ৩০ থেকে ৪০লক্ষ টাকা।
প্রতি মাসে নির্ধারিত মাসোহারা দেবার পর বাজারে ব্যবসায়ীরা গাছ-বাঁশ ও লাকড়ী বিক্রি করে তবুও কারনে-অকারনে লাকড়ী বিক্রেতা, স’মিল ও ক্ষুদে কাঠ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা দাবী করে।টাকা দিতে রাজী না হলে ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়। তাদের চাদাঁবাজীর ফলে পেকুয়ার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, সড়কের বিভিন্ন মোড়ে দাড়িয়ে পুলিশী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বৈধ-অবৈধ পরিবহনকৃত লাকড়ী ও কাঠের গাড়ী থেকে ৩শ থেকে ১ হাজার টাকা, এ ছাড়া অবৈধ চোরাই কাঠের গাড়ী পার করে দিতে ১০ থেকে ১৫হাজার টাকা আদায় করে থাকে ক্যাশিয়ার কাসেম। এছাড়া রাতের আধাঁরে কোন সময় কিভাবে কোন পথে চোরাই মালামাল পরিবহন হবে তার টাইম ঠিক করে ও ক্যাশিয়ার। মাসিক আদায় ছাড়া ও ইয়াবা টেবলেট বিক্রেতা, মদ, হেরোইন বিক্রেতা, ফুটপাতের হকার,মোটর সাইকেল চোর সিন্ডিকেট, লাইসেন্স বিহীন অবৈধ টেক্সী,জীপ থেকে অন্তত ২লক্ষাধীক টাকা চাদাঁ আদায় করে থাকে এই ক্যাশিয়ার। টাকা না পেলে বিভিন্ অজুহাতে থানায় ডেকে এনে মিথ্যা মামলায় ঢুকানোর হুমকি ১০/১৫হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়।
এ ব্যাপারে ক্যাশিয়ার কাসেম বলেন, অবৈধ আয়ের টাকা থেকে চলে ওসি’র পারিবারিক থেকে শুরু করে সকল পুলিশের ম্যাচের বাজার খরচ। এছাড়া খরচ বাদে ওসিকে দিতে হয় মাসিক ৫০হাজার টাকা । তারপর যা চুরি করে রাখতে পারবে তা ক্যাশিয়ারের লাভ। যোগ্য ক্যাশিয়ার প্রমান করতে তাই বেপরোয়া চাদাঁবাজী করে তারা। অন্যথায় পরবর্তি মাসে নতুন ক্যাশিয়ার নিয়োগ হয়। অবশ্য তাদের একাজে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আন্তরিক সহযোগিতা থাকে তাই নির্ভয়ে এ অপকর্ম করতে পারে বলে ও জনৈক পুলিশ জানায়।
পেকুয়া থানার যোগ্য ক্যাশিয়ার,আবুল কাসেমের বেপরোয়া চাদাঁবাজীকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনসাধারনের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সংশ্লিষ্ট্রের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

জাহেদ-সভাপতি, মিজবাউল হক-সম্পাদক করে চকরিয়া প্রেসক্লাবের কমিটি গঠিত

It's only fair to share...21400চকরিয়া নিউজ ডেস্ক :: চকরিয়া প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে। ১৫ ...