ঢাকা,বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

বান্দরবান ও লামা পৌরসভায় ২১ দিনের লকডাউন শুরুতেই ঢিলেঢালাভাবে পালিত

বান্দরবান প্রতিনিধি ::  করোনা সংক্রমণ রোধে বান্দরবান জেলাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রেড জোনভুক্ত বান্দরবান ও লামায় দুটি পৌরসভায় ২১ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। তবে প্রথম দিন প্রশাসন-আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কঠোরতা তেমন চোখে পড়েনি। হাট-বাজারের সব দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও রাস্তা-ঘাটে এবং পাড়া মহল্লাগুলোতে মানুষদের আড্ডাবাজি থেমে ছিল না।

গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকলেও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করেছে সর্বত্র। তবে কিছু কিছু জায়গায় সেনাবাহিনী মাইকিং করে লোকজনকে সচেতন করেছে। অপরদিকে ইয়েলো জোন আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি এবং গ্রিন জোন রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি ও সদর উপজেলায় লকডাউনের প্রথমদিনে কোনো কঠোরতা তেমন চোখে পড়েনি। এর মধ্যে গত বুধবার রাতে পৌর শহরে মাইকিং করে হাট-বাজারের সব দোকানপাট এবং যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেয়া হলেও গ্রামাঞ্চলে তেমন সচেতনতা সৃষ্টি হয়নি। ফলে স্বাভাবিক দিনের মত হাট-বাজারে ভিড় লেগেই থাকছে। তবে শহরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত হয়ে পড়ায় কৃষকরা উৎপাদিত পণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি জানান, পৌর এলাকায় করোনা পজেটিভ রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাই সংক্রমণ এড়াতে এ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ২১ দিন পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে। যারা এই আদেশ অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু মারমা জানান, সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউনের কোনো বিকল্প নেই।

বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শামীম হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে আগামী ২১ দিনের জন্য লকডাউন শুরু হয়েছে। লকডাউন কার্যকরে কঠোরভাবে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রেড জোনে নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সবধরনের যানবাহন চলাচল এবং দোকানপাট বন্ধ থাকবে। পাড়া-মহল্লায় ভ্যানে-গাড়িতে করে ভ্রাম্যমাণ বাজারে সবজি, মাছ-মাংস বিক্রি করা হবে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অনলাইনে হোম ডেলিভারি সার্ভিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

পাঠকের মতামত: