ঢাকা,বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

কুতুবদিয়ায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে ৫’শ পরিবার পানিবন্দি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কুতুবদিয়া ::  কুতুবদিয়া উপকূলে  বেড়িবাঁধ ভাঙ্গা থাকায় ঘূর্ণিঝড়  সুপার আম্ফানের প্রভাবে ৪ গ্রামের ৫’শ পরিবার প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার ৫’শ পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল ১১টায় দ্বীপের উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের কাইছার পাড়া,নয়াকাটা এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙ্গা থাকায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব ও অমাবষ্যার জোয়ার স্বাভাবিকের চেয়ে ৩/৪ ফুট উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে উপকূলের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়। কাইছার পাড়া,নয়াকাটা এলাকায় ৪ গ্রামের ৫’শ ঘর প্লাবিত হয়েছে। সরেজমিনে গেলে প্লাবনের দৃশ্য চোখে পড়ে।
উত্তর ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান আ,স,ম শাহরিয়ার চৌধূরী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদারের অবহেলার কারণে যথা সময়ে বেড়িবাঁধ মেরামত এ এলাকায় মানুষ প্রতিনিয়তই জোয়ারে প্লাবিত হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে জোয়ার পানি লোকালয়ে ডুকে ৪ গ্রামের ৫’শ পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। মাহে রমজান মাসে জোয়ারে গ্রামাঞ্চল প্লাবিত হলে ঘরে থাকা ও খাওয়া নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাঠাচ্ছে।
ভয়েস অপ কুতুবদিয়ার সম্পাদক এস,এম সাইফুল্লাহ খালেদ বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ধুরুং এলাকার মানুষ বেড়িবাঁধের সমস্যা নিয়ে মারাতœক দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। এ পর্যন্ত ধুরুং এলাকা থেকে দুই’শ পরিবার গৃহহারা হয়ে অন্যত্রে স্থানান্তরিত হয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও বর্ষা মৌসুমে জোয়ার ও জ¦লোচ্ছাস হলে বেড়িবাঁধের পাশের ঘর বাড়ি ভেঙে যায়।
কাইছার পাড়ার বাসিন্দা শামশুল আলম (৬৫) জানান, জোয়ারে ঘর ভেঙে যাওয়া পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে আছেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী আত্নীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। বিগত কয়েক বছর পূর্বে থেকে কাইছার পাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙ্গা থাকায় অমাবষ্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারে লোকালয় তলিয়ে যায়। প্রাকৃতিক দূর্যোগ হলে তো কথা নেই।

পাঠকের মতামত: