ঢাকা,শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১

নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুমের করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি, ২০ বাড়ি ২ দোকান লকডাউন

এম হাবিবুর রহমান রনি, নাইক্ষ্যংছড়ি :: উপজেলার ৬ষ্ট করোনা সনাক্ত ঘুমধুমের আংকি বড়ুয়া (৬০) কে শুক্রবার (১৫ মে) নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর হাসপাতালের আসোলেশন ইউনিটে আনা হয়েছে। তিনি রোহিঙ্গা সেজে করোনা টেষ্টের জন্য নমুনা পাঠান কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে। ঐ দিন তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ হওয়ায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে হাসপাতালের আইসোলেশনে নিয়ে আসেন। পরে তার গ্রামের বাড়ী ঘুমধুম ইউনিয়নের কচুবুনিয়া এলাকার আশপাশের ২০ টি বাড়ী ও ২ টি দোকান লকডাউন করে দেন। করোনা আক্রান্ত মৃত ললিত বড়ূয়ার ছেলে আংকি বড়ূয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আইসোলেশন বিভাগে নিয়ে আসেন উপজেলার স্বাস্থ্য টিমের সদস্যরা । এবং আশপাশের ২০টি ঘর ও ২টি দোকান লকডাউন ঘোষনা করেন উপজেলা প্রশাসন। করোনা পজেটিভ হওয়ার কারণে উত্তর ঘুমধুম আংকি মোহন বড়ুয়ার সংশ্লিষ্ট বাড়ি এলাকা লকডাউন করা হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পঃ পঃ কর্মকর্তা এ জেড মোঃ ছলিম এ প্রতিবেদককে বলেন করোনা পজেটিভ আংকি মোহন বড়ুয়া নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৬ষ্ট করোনা সনাক্ত রোগী তাকেও সরকারের গাইড লাইন অনুযায়ী হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। ঘুমধুমে ইউপি চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আজিজ আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি ও এলাকা উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে লকডাউন করার কথা নিশ্চিত করেন সাংবাদিকদের কাছে। এছাড়াও লকডাউন করা ২০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন কচি ঐ এলাকার সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বলেছেন। তিনি করোনা পজেটিভ আসা আংকি মোহন বড়ূয়ার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পরিবারের

সদস্যদের নমুনা পরিক্ষা করা হবে। তাদের রিপোর্টে না আসা পর্যন্ত ততদিন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ২০টি বাড়ি ও ২ টি দোকান লকডাউন ঘোষণা বলবত থাকার কথা জানান।

উল্লেখ্য আংকি মোহন বড়ুয়া গত বুধবার তার শরীরে অসুস্থতা অনুভব করলে রোহিঙ্গা সেজে উখিয়ার কুতুপালং আর্ন্তজাতিক সংস্থা এমএসএফ পরিচালিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কোভিড -১৯ উপসর্গ কথা জানে তার নমুনা পরিক্ষার জন্য পাঠান কক্সবাজার মেডিক্যাল হাসপাতালের ল্যাবে। সেই ল্যাব থেকে নমুনা টেষ্ট ফলাফল পজেটিভ আসলে। তার লিপিবদ্ধ করা ঠিকানা খুঁজতে শুর কওে স্বাস্থ্য কর্মীরা। রোহিঙ্গা ক্যাম্প রেজিষ্ট্রারে ওই নামে কেউ না থাকায় বিভ্রান্তে পড়ে যায় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্মীরা। কঠোর ভাবে খুঁজতে গিয়ে জানতে পারে তিনি একজন প্রকৃত বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। এবং তার স্থায়ী ঠিকানা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের উত্তর ঘুমধুম কঢ়ুবনিয়ার বড়ুয়া পাড়ায়।

পাঠকের মতামত: