ঢাকা,শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০

রামুর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদের খামারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ৫ টি গরু সহ মালামাল লুট

সোয়েব সাঈদ ::  রামুর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদের খামার থেকে ৫ টি গরু, ৩টি মোবাইল ফোন সেট ও অফিসের টেলিভিশন লুট করেছে দুর্ধর্ষ ডাকাতদল। অস্ত্রের মুখে খামারের দুই কর্মচারিকে মারধর ও বেধে রেখে লুটতরাজ চালায় ডাকাতরা।

আজ শনিবার (২ মে) রাত ২টায় রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের হাইটুপী বুথপাড়া এলাকায় চৌমুহনী-উখিয়ারঘোনা সড়কের পাশ্ববর্তী খামারে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে রামু থানার ওসি আবুল খায়ের ডাকাতিস্থলে যান। তিনি (ওসি) এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ জানান, তাঁর খামারের কর্মচারী নেওয়াজ ও ইয়াসির আরাফাতকে প্রথমে অস্ত্রের মুখে জিম্মি ও পরে পাশ্ববর্তী খামার অফিসে বেধে রেখে লুটপাট চালায় ডাকাতদল। ডাকাতরা কর্মচারি ও অফিসে ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ফোন সেট এবং ১ টি এলইডি টেলিভিশন লুট করে। লুট হওযা ৫টি গরুর মূল্য ৪ লাখ টাকা। সবমিলিয়ে তাঁর ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৫ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় ফেসবুকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক কালের কন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি তোফায়েল আহমদ বলেন, এ যাবত কোন গরু চোরকেই মেরিন ড্রাইভ দেখানো হয়নি। তাই রমজান ও লকডাউনের সময়ে পর্যন্ত রামুতে অন্তত ২০ টি গরু ডাকাতি হয়েছে।

সাংবাদিক রাশেদুল মজিদ লিখেছেন, গত এক সপ্তাহে রামুতে প্রায় ২০টি গরু চুরি ও ডাকাতি হয়েছে। প্রশাসনকে এ বিষয়ে জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। যার কারণে আজ একজন মুক্তিযোদ্ধা খামারির গরু বন্দুক ঠেকিয়ে ডাকাতি করার সাহস করেছে ডাকাতের দল।

উল্লেখ্য এরআগে গত সোমবার রামুর ফতেঁখারকুল ইউনিয়নের সাতঘরিয়া পাড়ায় ২ গৃহকর্তার ৫টি এবং রবিবার রাতে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের সিপাহীরপাড়া এলাকার জাফর আলমের বাড়ি থেকে একই স্টাইলে ৩টি গরু লুট করে সশস্ত্র ডাকাতদল।

এনিয়ে ৬ দিনের ব্যবধানে রামুতে ৩ টি বসত বাড়ি ও ১টি খামার থেকে ১৩টি গরু ডাকাতি হলো।

রাতের পর রাত অব্যাহত ডাকাতির ঘটনায় গরু খামারী ও প্রান্তিক চাষিদের মাঝে চরম আতংক বিরাজ করছে।

পাঠকের মতামত: