ঢাকা,বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

ইটভাটায় অভিযান লামায়, সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া ::
বান্দরবানের লামায় ৫টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট জাকির হোসেন অভিযানের নেতৃত্ব প্রদান করেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানয়ারি) দুপুরে উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের পাগলিরছড়া এলাকায় এএসবি, এমএআর, ফোর বিএম, সিবিএম ও ওয়াই এস বি-এ অভিযান চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান।

বান্দরবান জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এএইচএম সামীউল আলম কুরসি বলেন, বনাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা ও জনবসতি এলাকায় ইটভাটা স্থাপন নিষিদ্ধ। উক্ত এলাকায় স্কুল-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এতে লোকজন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এছাড়া জরিমানাকৃত ইটভাটার কোনো কাগজপত্র নেই। অবৈধভাবে ইটভাটা গুলো চলছিল।

তিনি জানান, এএসবি ব্রিকসকে ১ লক্ষ টাকা, এমএআর ব্রিকসকে ৩ লক্ষ টাকা, ফোরবিএম ব্রিকসকে ২ লক্ষ টাকা, সিবিএম ব্রিকসকে ৩ লক্ষ টাকা ও ওয়াইএসবি ব্রিকসকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া লামা উপজেলার আরও ৩২টি ইটভাটা কোনো ধরনের নিয়ম-নীতি না মেনেই চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেসব ইটভাটায় পর্যায়ক্রমে অভিযান চালানো হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ধ্বংসকৃত একটি ইটভাটার মালিক বলেন, ফাইতং ইউনিয়নের মূল অংশে আরো ২৩টি ইটভাটাসহ উপজেলায় মোট ইটভাটার সংখ্যা ৩৭টি। শুধু ৫টি ইটভাটায় অভিযান চালানোর বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নের জন্য দরখাস্ত করি। কিন্তু আমাদের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে কোনো ধরনের অনুমতি দেয়া হয়নি। এছাড়া অভিযানের আগে আমাকে কোনো ধরনের নোটিশও দেওয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন ও সামশুল আলম চকরিয়া নিউজকে বলেন, ‘ইটভাটার কারণে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিশেষ করে পরিবেশের অনেক ক্ষতি হতো। অতিরিক্ত ধূলাবালির কারণে আমাদের চলাফেরায় সমস্যা হতো। ইটভাটাটি বন্ধ করে দেয়ায় আমাদের উপকার হয়েছে। অভিযানকালে ৫টি ইটভাটার চুলায় পানি দিয়ে নষ্ট করা হয়। এছাড়া স্কেভেটর দিয়ে কাঁচা ও পোড়া ইট নষ্ট করা হয়েছে। এ সময় র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

পাঠকের মতামত: