ঢাকা,শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

‘অনলাইন গণমাধ্যম রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৩৫৯৭ আবেদন’

নিউজ ডেস্ক : অনলাইন গণমাধ্যম রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন জমা দান ২০০৫ সালের ডিসেম্বর মাস হতে শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৯৭টি রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন পড়েছে। আবেদনপত্র সমূহ যাচাই-বাছাই করে তালিকাসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

গতকাল সোমবার (২০ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে কিশোরগঞ্জ-৫ এর মোহাম্মদ আফজাল হোসেনের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদে জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করে তথ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় নেয়া হয়েছে। সরকার জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা, তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠাসহ অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। গণমাধ্যম সরকারের সম্প্রচার নীতিমালার কারণে বর্তমানে বেসরকারি খতে ৪৪টি টেলিভিশন, ২২টি এফএম রেডিও এবং ৩৩টি কমিউনিটি রেডিও চ্যানেলের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত তথ্য অধিকার আইন বলবৎ রয়েছে এবং জনগণ এর সুফল ভোগ করছেন। সংবাদপত্র ও সাংবাদিক বান্ধব বর্তমান সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো রকম হস্তক্ষেপ করছে না এবং এই সেক্টরের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ অব্যাহত রেখেছে।

বিশেষভাবে সংবাদপত্রের সাংবাদিকদের মান উন্নয়নের জন্য পিআইবি গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে সারা বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এর উদ্যোগে গত বছরের ১৭টি জেলায় প্রায় ১৫ শত জন সংবাদকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা ও সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে বিগত ছয় বছরে দেশের উপজেলায়, স্থানীয় জেলা, প্রশাসনের সমন্বয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এর ২৫টি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার উন্নয়নের জন্য আলাদাভাবে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ছাড়াও নবম ওয়েজ বোর্ডের ঘোষণা করা হয়েছে। গণমাধ্যমকর্মী আইন চূড়ান্তকরণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

পাঠকের মতামত: